গণতান্ত্রিক উত্তরণে অবাধ, সুষ্ঠু নির্বাচন প্রয়োজন: বাগেরহাটের প্রার্থীরা

গণতান্ত্রিক উত্তরণ নিশ্চিত করতে অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন বাগেরহাট-৩ (মোংলা–রামপাল) আসনে সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা। এ লক্ষ্যে দল নিরপেক্ষ, দক্ষ ও সাহসী ব্যক্তিদের নির্বাচনী দায়িত্বে নিয়োজিত করার দাবি জানান তাঁরা।সোমবার (২৬ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ১১টায় মোংলার শ্রমিক সংঘ মাঠে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) মোংলা উপজেলা কমিটির আয়োজনে অনুষ্ঠিত ‘জনগণের মুখোমুখি’ অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন বক্তারা।বক্তারা বলেন, বাংলাদেশ বর্তমানে গণতান্ত্রিক অভিযাত্রার এক গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে রয়েছে। চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থান ছিল বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে তারুণ্যের ঐতিহাসিক জাগরণ। সেই গণআকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে রাষ্ট্র মেরামত, রাজনৈতিক সংস্কার এবং গুণগত পরিবর্তন জরুরি।অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সুজন মোংলা উপজেলা সভাপতি ফ্রান্সিস সুদান হালদার। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সহকারী রিটার্নিং অফিসার, মোংলা উপজেলা নির্বাহী অফিসার শারমিন আক্তার সুমী। বক্তব্য দেন বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী লায়ন ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম, জামায়াতে ইসলামী মনোনীত দা

গণতান্ত্রিক উত্তরণে অবাধ, সুষ্ঠু নির্বাচন প্রয়োজন: বাগেরহাটের প্রার্থীরা

গণতান্ত্রিক উত্তরণ নিশ্চিত করতে অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন বাগেরহাট-৩ (মোংলা–রামপাল) আসনে সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা। এ লক্ষ্যে দল নিরপেক্ষ, দক্ষ ও সাহসী ব্যক্তিদের নির্বাচনী দায়িত্বে নিয়োজিত করার দাবি জানান তাঁরা।

সোমবার (২৬ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ১১টায় মোংলার শ্রমিক সংঘ মাঠে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) মোংলা উপজেলা কমিটির আয়োজনে অনুষ্ঠিত ‘জনগণের মুখোমুখি’ অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন বক্তারা।

বক্তারা বলেন, বাংলাদেশ বর্তমানে গণতান্ত্রিক অভিযাত্রার এক গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে রয়েছে। চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থান ছিল বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে তারুণ্যের ঐতিহাসিক জাগরণ। সেই গণআকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে রাষ্ট্র মেরামত, রাজনৈতিক সংস্কার এবং গুণগত পরিবর্তন জরুরি।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সুজন মোংলা উপজেলা সভাপতি ফ্রান্সিস সুদান হালদার। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সহকারী রিটার্নিং অফিসার, মোংলা উপজেলা নির্বাহী অফিসার শারমিন আক্তার সুমী। বক্তব্য দেন বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী লায়ন ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম, জামায়াতে ইসলামী মনোনীত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আব্দুল ওয়াদুদ, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী অধ্যক্ষ শেখ জিল্লুর রহমান এবং জাসদ মনোনীত তারা প্রতীকের প্রার্থী মো. হাবিবুর রহমান মাস্টার।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান বলেন, শুধু সুষ্ঠু নির্বাচন নয়, দেশের জন্য প্রয়োজন প্রকৃত গণতান্ত্রিক উত্তরণ। এজন্য আইনি, প্রাতিষ্ঠানিক ও কাঠামোগত সংস্কারের পাশাপাশি রাজনৈতিক নীতি ও মূল্যবোধের পরিবর্তন অপরিহার্য।

সুজন-এর খুলনা বিভাগীয় সমন্বয়কারী মাসুদুর রহমান রঞ্জু বলেন, গণঅভ্যুত্থানের পর জনগণের প্রত্যাশা—দেশে আর যেন কর্তৃত্ববাদী শাসনের পুনরাবৃত্তি না ঘটে। নির্বাচন ব্যবস্থা পরিশুদ্ধ করে গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে হবে।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনায় ছিলেন সুজন- সুশাসনের জন্য নাগরিক মোংলার সম্পাদক মো. নূর আলম শেখ। অনুষ্ঠানে প্রার্থীরা নিজ নিজ নির্বাচনী ইশতেহার উপস্থাপন করেন। পরে জনগণের প্রশ্নের জবাব দেন তাঁরা। এ সময় প্রার্থীরা একটি অঙ্গীকারনামায় স্বাক্ষর করেন এবং নাগরিক দায়িত্ব পালনে সৎ ও যোগ্য প্রার্থী নির্বাচনের জন্য ভোটারদের শপথ পাঠ করানো হয়।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow