গণপূর্তের সাবেক উপসহকারী প্রকৌশলী জাহিদার ফ্ল্যাট জব্দের আদেশ

গণপূর্ত অধিদপ্তর সিরাজগঞ্জের সাবেক উপসহকারী প্রকৌশলী জাহিদা আক্তারের রাজধানীর মোহাম্মদপুরে অবস্থিত গ্যারেজসহ এক হাজার ৩২৮ বর্গফুটের একটি ফ্ল্যাট জব্দের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। বুধবার (১৪ জানুয়ারি) ঢাকার মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. সাব্বির ফয়েজ দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। সংশ্লিষ্ট আদালত সূত্রে এ তথ্য জানা যায়। দুদকের আবেদনে উল্লেখ করা হয়, জাহিদা আক্তার তার বৈধ আয়ের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে বিপুল সম্পদ অর্জন করেছেন। অভিযোগ অনুসারে, তিনি মালয়েশিয়ার কোটায় একটি অ্যাপার্টমেন্ট ক্রয় করেছেন। এছাড়া ঢাকায় একাধিক ফ্ল্যাট কেনার তথ্য পাওয়া গেছে, যার মধ্যে শ্যামলীর একটি অ্যাপার্টমেন্টের অস্তিত্ব নিশ্চিত হয়েছে। আবেদনে আরও বলা হয়, ২০২২ সালের ৫ আগস্ট তিনি সরকারি চাকরি থেকে অব্যাহতির আবেদন করেন। তবে সেই আবেদন প্রক্রিয়াধীন থাকা অবস্থায়ই তিনি মালয়েশিয়ায় চলে যান। ওই সময় তার কন্যা কুয়ালালামপুরের একটি আন্তর্জাতিক বিদ্যালয়ে পড়াশোনা করছিল। পরবর্তীতে তিনি পরিবারসহ অস্ট্রেলিয়ায় চলে যান এবং সেখানে স্থায়ী বসবাসের অনুমতি (পিআর) পান। সম্প্রতি তিনি দেশে ফিরে এসেছেন। দুদ

গণপূর্তের সাবেক উপসহকারী প্রকৌশলী জাহিদার ফ্ল্যাট জব্দের আদেশ

গণপূর্ত অধিদপ্তর সিরাজগঞ্জের সাবেক উপসহকারী প্রকৌশলী জাহিদা আক্তারের রাজধানীর মোহাম্মদপুরে অবস্থিত গ্যারেজসহ এক হাজার ৩২৮ বর্গফুটের একটি ফ্ল্যাট জব্দের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

বুধবার (১৪ জানুয়ারি) ঢাকার মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. সাব্বির ফয়েজ দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। সংশ্লিষ্ট আদালত সূত্রে এ তথ্য জানা যায়।

দুদকের আবেদনে উল্লেখ করা হয়, জাহিদা আক্তার তার বৈধ আয়ের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে বিপুল সম্পদ অর্জন করেছেন। অভিযোগ অনুসারে, তিনি মালয়েশিয়ার কোটায় একটি অ্যাপার্টমেন্ট ক্রয় করেছেন। এছাড়া ঢাকায় একাধিক ফ্ল্যাট কেনার তথ্য পাওয়া গেছে, যার মধ্যে শ্যামলীর একটি অ্যাপার্টমেন্টের অস্তিত্ব নিশ্চিত হয়েছে।

আবেদনে আরও বলা হয়, ২০২২ সালের ৫ আগস্ট তিনি সরকারি চাকরি থেকে অব্যাহতির আবেদন করেন। তবে সেই আবেদন প্রক্রিয়াধীন থাকা অবস্থায়ই তিনি মালয়েশিয়ায় চলে যান। ওই সময় তার কন্যা কুয়ালালামপুরের একটি আন্তর্জাতিক বিদ্যালয়ে পড়াশোনা করছিল। পরবর্তীতে তিনি পরিবারসহ অস্ট্রেলিয়ায় চলে যান এবং সেখানে স্থায়ী বসবাসের অনুমতি (পিআর) পান। সম্প্রতি তিনি দেশে ফিরে এসেছেন।

দুদকের পক্ষ থেকে আদালতকে জানানো হয়, অভিযোগ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি দীর্ঘসময় বিদেশে অবস্থান করেছেন। পাশাপাশি তার স্বামী গণপূর্ত সার্কেল-৩–এর সাবেক তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী রোকন উদ্দীন বর্তমানে অস্ট্রেলিয়ায় অবস্থান করছেন। এসব কারণে অভিযুক্ত ব্যক্তি স্থায়ীভাবে বিদেশে চলে যাওয়ার আশঙ্কা থাকায় তদন্তের স্বার্থে সম্পত্তি জব্দ করা প্রয়োজন ছিল।

এমডিএএ/এমএএইচ/জেআইএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow