গণভোটের রায় বাতিলের সিদ্ধান্ত জনগণের প্রত্যাশার সঙ্গে সাংঘর্ষিক : গোলাম পরওয়ার
জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, ক্ষমতায় আসার এক মাস না যেতেই বিএনপি তাদের দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়ন করতে পারেনি। তিনি বলেন, জামায়াতসহ বিএনপি জুলাই সনদে সই করে রাষ্ট্র কাঠামো পরিবর্তনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, কিন্তু ক্ষমতায় এসেই তারা জাতির কাছে দেওয়া গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গীকার ভঙ্গ করেছে। সোমবার (৬ এপ্রিল) বিকেলে বগুড়ার বাঘোপাড়া শহীদ দানেশ উদ্দিন স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে উপনির্বাচনী গণসমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন। মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, প্রায় ৫ কোটি মানুষের ইচ্ছাকে উপেক্ষা করে গণভোটের রায় বাতিল করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যা জনগণের প্রত্যাশার সঙ্গে সাংঘর্ষিক। তিনি প্রশ্ন তোলেন, যদি শুরুতেই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, তাহলে সামনের পাঁচ বছরে কী করা হবে? যদি দেশ আবারও স্বৈরাচারী শাসনের দিকে ধাবিত হয়, তবে এর পরিণতি কারও জন্যই ভালো হবে না। বগুড়া-৬ আসনের উপনির্বাচনে জামায়াতসহ ১১ দল মনোনীত প্রার্থী ও বগুড়া শহর জামায়াতের আমির অধ্যক্ষ আবিদুর রহমান সোহেলের সভাপতিত্বে গণসমাবেশে বিশেষ অতিথি ছিলেন জামায়াতের কেন্দ্রিয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য অধ্যক্ষ শাহাবুদ্দিন,
জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, ক্ষমতায় আসার এক মাস না যেতেই বিএনপি তাদের দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়ন করতে পারেনি।
তিনি বলেন, জামায়াতসহ বিএনপি জুলাই সনদে সই করে রাষ্ট্র কাঠামো পরিবর্তনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, কিন্তু ক্ষমতায় এসেই তারা জাতির কাছে দেওয়া গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গীকার ভঙ্গ করেছে।
সোমবার (৬ এপ্রিল) বিকেলে বগুড়ার বাঘোপাড়া শহীদ দানেশ উদ্দিন স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে উপনির্বাচনী গণসমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন।
মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, প্রায় ৫ কোটি মানুষের ইচ্ছাকে উপেক্ষা করে গণভোটের রায় বাতিল করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যা জনগণের প্রত্যাশার সঙ্গে সাংঘর্ষিক। তিনি প্রশ্ন তোলেন, যদি শুরুতেই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, তাহলে সামনের পাঁচ বছরে কী করা হবে? যদি দেশ আবারও স্বৈরাচারী শাসনের দিকে ধাবিত হয়, তবে এর পরিণতি কারও জন্যই ভালো হবে না।
বগুড়া-৬ আসনের উপনির্বাচনে জামায়াতসহ ১১ দল মনোনীত প্রার্থী ও বগুড়া শহর জামায়াতের আমির অধ্যক্ষ আবিদুর রহমান সোহেলের সভাপতিত্বে গণসমাবেশে বিশেষ অতিথি ছিলেন জামায়াতের কেন্দ্রিয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য অধ্যক্ষ শাহাবুদ্দিন, কেন্দ্রিয় কর্মপরিষদ সদস্য ও বগুড়া অঞ্চলের সহকারী পরিচালক অধ্যাপক নজরুল ইসলাম, বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সহসভাপতি গোলাম রব্বানী, এনসিপির মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম, জাতীয় নারী শক্তি সদস্য সচিব ও এনসিপির যুগ্ম মুখ্য সংগঠন, দক্ষিণাঞ্চল ডা. মাহমুদা আলম মিতু ও বগুড়া জেলা জামায়াতের আমির অধ্যক্ষ আব্দুল হক সরকার।
মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, জুলাই শহীদদের রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে বর্তমান সংসদ গঠিত হয়েছে। আপনারা সরকার গঠন করেছেন এবার জুলাই সনদের ভিত্তিতে দেশ পরিচালনায় জাতীয় ঐক্য গড়ে তুলুন। দিল্লির কথায় দেশের ভেতরে বিভেদ সৃষ্টি করবেন না।
দেশের বর্তমান পরিস্থিতি তুলে ধরে জামায়াতের এই শীর্ষ নেতা বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রভাবে জ্বালানি সংকট তৈরি হয়েছে। সরকার বলছে সংকট নেই, কিন্তু বাস্তবে পেট্রোল পাম্পে তেল পাওয়া যাচ্ছে না। জ্বালানির অভাবে সামনে বোরো মৌসুমে সেচ সংকট দেখা দেওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। সরকার পরিস্থিতি সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
মিয়া গোলাম পরওয়ার ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ তুলে ধরেন। তিনি বলেন, বগুড়ার সব আসন দখলের কথা বলা হচ্ছে, যা দেশের স্বার্থের পরিপন্থি। দেশ ও দশের স্বার্থে সবাইকে সচেতনভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সারজিস আলম বলেন, বিএনপি গণভোটের রায় অস্বীকার করে শুধু ভোটারদের অসম্মান করছেন তা নয়। তারা নিজেদের ৩১ দফার সাথেও প্রতারণা করছে। ৩১ দফার প্রথম দফায় সংবিধান সংস্কারের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ক্ষমতায় এসে এখন তারা নিজেদের প্রতিশ্রুতিও মানতে চান না। তারা মুখে এক কথা আর কাজে আরেকটা করে নিজেদেরকে কী প্রমাণ করছেন সেটা জাতি ভালো করেই বুঝে গেছে।
তিনি বলেন, সরকার সব বিশ্ববিদ্যালয়ে দলীয়, চাটুকারদের ভিসি নিয়োগ করে শিক্ষা ব্যবস্থাকে দলীয়করণ করছে, ঋণখেলাপীকে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর করে দেশের অর্থনীতি ধ্বংস করছে।
সমাবেশ শেষে তিনি বগুড়া-৬ (সদর) আসনের উপনির্বাচনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আবিদুর রহমানকে ভোটারদের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেন।
গণসমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ সৈয়দ আব্দুল আজিজ, শহর জামায়াতের সেক্রেটারি অধ্যাপক আ.স.ম আব্দুল মালেক, জেলা জামায়াতের নায়েবে আমির আব্দুল হাকিম সরকার, এনসিপির জেলা সভাপতি এস এ মাহমুদ, জামায়াত নেতা রফিকুল আলম, আল-আমিন, আব্দুস ছালাম তুহিন, আব্দুল হামিদ বেগ, ইকবাল হোসেন, হেদাইতুল ইসলামসহ অনেকে।
What's Your Reaction?