গরু বাঁধতে গিয়ে সাপের কামড়ে প্রাণ গেল নারীর
পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলায় গরু বাঁধতে গিয়ে বিষধর সাপের কামড়ে সালেহা বেগম (৪৫) নামে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) সকালে এ ঘটনা ঘটে। তবে স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রয়োজনীয় বিষ প্রতিষেধক (অ্যান্টিভেনম) না থাকায় চিকিৎসার বিলম্ব নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন নিহতের স্বজনরা।
নিহত সালেহা বেগম উপজেলার দর্জিপাড়া এলাকার বাসিন্দা।
পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার সকালে বাড়ির পাশের একটি ক্ষেতে গরু বাঁধতে যান সালেহা। এ সময় একটি বিষধর সাপ তার পায়ে কামড় দেয়। তিনি আহত অবস্থায় দ্রুত বাড়িতে ফিরে স্বজনদের বিষয়টি জানান। পরিবারের সদস্যরা তাৎক্ষণিকভাবে তার পা কাপড় দিয়ে বেঁধে প্রথমে তেঁতুলিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে স্থানান্তর (রেফার্ড) করা হয়। সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুপুরে তার মৃত্যু হয়।
নিহতের প্রতিবেশী অন্তর জানান, সালেহা বেগম গরু বাঁধতে গেলে সাপটি তাকে আক্রমণ করে। তিনি আতঙ্কিত হয়ে সাপটিকে ঝেড়ে ফেলে দিয়ে বাড়িতে ফিরে আসেন। আমরা দেরি না করে তাকে হাসপাতালে নিয়ে গিয়
পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলায় গরু বাঁধতে গিয়ে বিষধর সাপের কামড়ে সালেহা বেগম (৪৫) নামে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) সকালে এ ঘটনা ঘটে। তবে স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রয়োজনীয় বিষ প্রতিষেধক (অ্যান্টিভেনম) না থাকায় চিকিৎসার বিলম্ব নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন নিহতের স্বজনরা।
নিহত সালেহা বেগম উপজেলার দর্জিপাড়া এলাকার বাসিন্দা।
পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার সকালে বাড়ির পাশের একটি ক্ষেতে গরু বাঁধতে যান সালেহা। এ সময় একটি বিষধর সাপ তার পায়ে কামড় দেয়। তিনি আহত অবস্থায় দ্রুত বাড়িতে ফিরে স্বজনদের বিষয়টি জানান। পরিবারের সদস্যরা তাৎক্ষণিকভাবে তার পা কাপড় দিয়ে বেঁধে প্রথমে তেঁতুলিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে স্থানান্তর (রেফার্ড) করা হয়। সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুপুরে তার মৃত্যু হয়।
নিহতের প্রতিবেশী অন্তর জানান, সালেহা বেগম গরু বাঁধতে গেলে সাপটি তাকে আক্রমণ করে। তিনি আতঙ্কিত হয়ে সাপটিকে ঝেড়ে ফেলে দিয়ে বাড়িতে ফিরে আসেন। আমরা দেরি না করে তাকে হাসপাতালে নিয়ে গিয়েছিলাম।
নিহতের জামাতা নাজমুল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন, তেঁতুলিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়ার পর সেখানে সাপের কামড়ের প্রয়োজনীয় অ্যান্টিভেনম পাওয়া যায়নি। সেখান থেকে পঞ্চগড় সদরে নিয়ে আসতে দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হওয়ায় রোগীর অবস্থার অবনতি ঘটে। উপজেলা পর্যায়ে সময়মতো সঠিক চিকিৎসা ও অ্যান্টিভেনম পাওয়া গেলে হয়তো তাকে বাঁচানো সম্ভব হতো।
এ বিষয়ে পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ওমর ফারুক বলেন, হাসপাতালে যখন রোগীকে আনা হয়, তখন তার অবস্থা অত্যন্ত সংকটাপন্ন ছিল। আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি এবং প্রয়োজনীয় অ্যান্টিভেনমও দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু বিষক্রিয়া শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অংশে ছড়িয়ে পড়ায় শেষ পর্যন্ত তাকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি।