গাইবান্ধায় পিকআপ-অটোরিকশা সংঘর্ষে নিহত ২
গাইবান্ধায় পিকআপ ও ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার সংঘর্ষে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার (১৯ মে) সকাল পৌনে ১০টার দিকে সদরের গাইবান্ধা-দারিয়াপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের কুমারপাড়া-ঠাকুরের দীঘি নামক স্থানে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন— অটোরিকশাচালক ফরিদ ও আব্দুর রাজ্জাক। ফরিদ মিয়া (৪৭) সুন্দরগঞ্জ শ্রীপুরের বাবুর বাসারের ছেলে ও আব্দুর রাজ্জাক (৩০) সদর উপজেলার খোলাহাটী ইউনিয়নের মাসুদুর রহমান দর্জির ছেলে।
স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার সকাল পৌনে ১০টার দিকে বয়লার মুরগি পরিবহনকারী একটি পিকআপ দারিয়াপুর রোডের দিকে যাচ্ছিল।
বিপরীত দিক থেকে চার যাত্রী নিয়ে আসা অটোরিকশা মুখোমুখি সংঘর্ষে দুমড়েমুচড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই যাত্রী আব্দুর রাজ্জাক (৩০) মারা যান। অটোরিকশাচালক ফরিদ মিয়াকে গুরুতর অবস্থায় জেনারেল হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এছাড়াও তিনজন গুরুতর আহত হয়েছেন। তারা সদর হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে দুজন বাড়িতে ফিরলেও একজনকে রংপুর হাসপাতালে প্রেরণ করেন চিকিৎসক।
স্থানীয় জহির আলম কালবেলাকে বলেন, এর আগেও এখানে একাধিকবার এই ঘটনা ঘটেছে। চালকদের অসাবধানতার কারণে এসব ঘটনা ঘটে।
গ
গাইবান্ধায় পিকআপ ও ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার সংঘর্ষে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার (১৯ মে) সকাল পৌনে ১০টার দিকে সদরের গাইবান্ধা-দারিয়াপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের কুমারপাড়া-ঠাকুরের দীঘি নামক স্থানে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন— অটোরিকশাচালক ফরিদ ও আব্দুর রাজ্জাক। ফরিদ মিয়া (৪৭) সুন্দরগঞ্জ শ্রীপুরের বাবুর বাসারের ছেলে ও আব্দুর রাজ্জাক (৩০) সদর উপজেলার খোলাহাটী ইউনিয়নের মাসুদুর রহমান দর্জির ছেলে।
স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার সকাল পৌনে ১০টার দিকে বয়লার মুরগি পরিবহনকারী একটি পিকআপ দারিয়াপুর রোডের দিকে যাচ্ছিল।
বিপরীত দিক থেকে চার যাত্রী নিয়ে আসা অটোরিকশা মুখোমুখি সংঘর্ষে দুমড়েমুচড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই যাত্রী আব্দুর রাজ্জাক (৩০) মারা যান। অটোরিকশাচালক ফরিদ মিয়াকে গুরুতর অবস্থায় জেনারেল হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এছাড়াও তিনজন গুরুতর আহত হয়েছেন। তারা সদর হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে দুজন বাড়িতে ফিরলেও একজনকে রংপুর হাসপাতালে প্রেরণ করেন চিকিৎসক।
স্থানীয় জহির আলম কালবেলাকে বলেন, এর আগেও এখানে একাধিকবার এই ঘটনা ঘটেছে। চালকদের অসাবধানতার কারণে এসব ঘটনা ঘটে।
গাইবান্ধা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ গিয়েছিল। আহত দুজনের নাম-পরিচয় পাওয়া গেলেও বাকিদের পরিচয় এখনো পাওয়া যায়নি।