গাজা চুক্তিতে তুরস্ক কী করবে, সে বিষয়ে প্রস্তাব দিল যুক্তরাষ্ট্র
গাজা উপত্যকা নিয়ে সম্ভাব্য একটি চুক্তিতে তুরস্কের ভূমিকা কী হতে পারে, সে বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র একটি প্রস্তাব দিয়েছে। তবে এই ভূমিকাকে সরাসরি নয়, বরং ‘দূর থেকে অংশগ্রহণ’ হিসেবে দেখছে ওয়াশিংটন। বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) ইসরায়েলের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম এ তথ্য জানিয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র প্রস্তাব করেছে যে তুরস্ক গাজায় সরাসরি উপস্থিত না থেকে মিশর ও জর্ডানের মাধ্যমে সেখানে লজিস্টিক বা সহায়তামূলক সহায়তা দিতে পারে। তবে এ সহায়তা কী ধরনের হবে বা কীভাবে তা বাস্তবায়ন করা হবে, সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি। প্রস্তাবটি চলতি সপ্তাহে ফ্লোরিডায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর বৈঠকের আগেই আলোচনায় আসে। তবে তুরস্ককে নিয়ে চূড়ান্ত অবস্থান এখনো জানাননি ট্রাম্প। নেতানিয়াহুর ঘনিষ্ঠ সূত্রের বরাতে জানানো হয়েছে, তিনি ট্রাম্পকে স্পষ্টভাবে বলেছেন যে তুরস্ক গাজায় সরাসরি কোনো ভূমিকা রাখবে না এবং যুদ্ধবিরতির দ্বিতীয় ধাপেও তাদের যুক্ত করা হবে না। এদিকে ইসরায়েলের প্রভাবশালী দৈনিক ইয়েদিওথ আহরোনোথ জানিয়েছে, ইসরায়েল এমন কোনো পরিকল্পনা মানতে রাজি নয়,
গাজা উপত্যকা নিয়ে সম্ভাব্য একটি চুক্তিতে তুরস্কের ভূমিকা কী হতে পারে, সে বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র একটি প্রস্তাব দিয়েছে। তবে এই ভূমিকাকে সরাসরি নয়, বরং ‘দূর থেকে অংশগ্রহণ’ হিসেবে দেখছে ওয়াশিংটন। বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) ইসরায়েলের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম এ তথ্য জানিয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র প্রস্তাব করেছে যে তুরস্ক গাজায় সরাসরি উপস্থিত না থেকে মিশর ও জর্ডানের মাধ্যমে সেখানে লজিস্টিক বা সহায়তামূলক সহায়তা দিতে পারে। তবে এ সহায়তা কী ধরনের হবে বা কীভাবে তা বাস্তবায়ন করা হবে, সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।
প্রস্তাবটি চলতি সপ্তাহে ফ্লোরিডায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর বৈঠকের আগেই আলোচনায় আসে। তবে তুরস্ককে নিয়ে চূড়ান্ত অবস্থান এখনো জানাননি ট্রাম্প।
নেতানিয়াহুর ঘনিষ্ঠ সূত্রের বরাতে জানানো হয়েছে, তিনি ট্রাম্পকে স্পষ্টভাবে বলেছেন যে তুরস্ক গাজায় সরাসরি কোনো ভূমিকা রাখবে না এবং যুদ্ধবিরতির দ্বিতীয় ধাপেও তাদের যুক্ত করা হবে না।
এদিকে ইসরায়েলের প্রভাবশালী দৈনিক ইয়েদিওথ আহরোনোথ জানিয়েছে, ইসরায়েল এমন কোনো পরিকল্পনা মানতে রাজি নয়, যেখানে হামাসকে নিরস্ত্র করা হলেও গাজায় তাদের প্রভাব থেকে যায়। পত্রিকাটি জানায়, কাতার ও তুরস্ক প্রস্তাব দিয়েছিল হামাসের অস্ত্র ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা অথবা আন্তর্জাতিক তত্ত্বাবধানে রাখার। তবে এ প্রস্তাবও ইসরায়েল প্রত্যাখ্যান করেছে।
গাজা যুদ্ধ বন্ধে আন্তর্জাতিক আলোচনা চললেও, তুরস্কের ভূমিকা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যে এখনো মতপার্থক্য রয়ে গেছে। সূত্র : শাফাক নিউজ
What's Your Reaction?