গাজীপুরে ৯৩৫ ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ৪৪০টি ঝুঁকিপূর্ণ

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে গাজীপুর জেলার ভোটকেন্দ্রগুলোর নিরাপত্তা ঝুঁকি মূল্যায়ন সম্পন্ন করেছে প্রশাসন। মূল্যায়নে জেলার মোট ৯৩৫টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ৪৪০টিকে গুরুত্বপূর্ণ বা ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, সম্ভাব্য সহিংসতা, কেন্দ্র দখল, অনিয়ম ও বিশৃঙ্খলার আশঙ্কার ভিত্তিতে এসব কেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে গাজীপুর মহানগর এলাকায় রয়েছে ২২৭টি এবং জেলার অন্যান্য অংশে রয়েছে ২১৩টি ঝুঁকিপূর্ণ ভোটকেন্দ্র। উপজেলা ভিত্তিক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, কাপাসিয়া উপজেলায় ১২৮টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ৯১টি, শ্রীপুর উপজেলায় ১৪৮টির মধ্যে ৯৭টি, কালীগঞ্জ উপজেলায় ৯০টির মধ্যে ৩৫টি, কালিয়াকৈর উপজেলায় ১১২টির মধ্যে ৪৩টি কেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ ও জেলা পুলিশ সূত্র জানায়, মহানগর এলাকার ৩টি সংসদীয় আসনের আওতাধীন ভোটকেন্দ্রগুলোতে অতিরিক্ত পুলিশ, আনসার ও ভিডিপি সদস্য মোতায়েন করা হবে। গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে সিসি ক্যামেরা স্থাপন, মোবাইল টিম, টহল জোরদার এবং সার্বক্ষণিক নজরদারির ব্যবস্থা নেওয়া

গাজীপুরে ৯৩৫ ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ৪৪০টি ঝুঁকিপূর্ণ
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে গাজীপুর জেলার ভোটকেন্দ্রগুলোর নিরাপত্তা ঝুঁকি মূল্যায়ন সম্পন্ন করেছে প্রশাসন। মূল্যায়নে জেলার মোট ৯৩৫টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ৪৪০টিকে গুরুত্বপূর্ণ বা ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, সম্ভাব্য সহিংসতা, কেন্দ্র দখল, অনিয়ম ও বিশৃঙ্খলার আশঙ্কার ভিত্তিতে এসব কেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে গাজীপুর মহানগর এলাকায় রয়েছে ২২৭টি এবং জেলার অন্যান্য অংশে রয়েছে ২১৩টি ঝুঁকিপূর্ণ ভোটকেন্দ্র। উপজেলা ভিত্তিক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, কাপাসিয়া উপজেলায় ১২৮টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ৯১টি, শ্রীপুর উপজেলায় ১৪৮টির মধ্যে ৯৭টি, কালীগঞ্জ উপজেলায় ৯০টির মধ্যে ৩৫টি, কালিয়াকৈর উপজেলায় ১১২টির মধ্যে ৪৩টি কেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ ও জেলা পুলিশ সূত্র জানায়, মহানগর এলাকার ৩টি সংসদীয় আসনের আওতাধীন ভোটকেন্দ্রগুলোতে অতিরিক্ত পুলিশ, আনসার ও ভিডিপি সদস্য মোতায়েন করা হবে। গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে সিসি ক্যামেরা স্থাপন, মোবাইল টিম, টহল জোরদার এবং সার্বক্ষণিক নজরদারির ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনে র‌্যাব ও সেনাবাহিনীর সহায়তাও নেওয়া হবে। প্রশাসন সূত্র আরও জানায়, ভোটকেন্দ্রগুলোকে ‘সাধারণ’ ও ‘গুরুত্বপূর্ণ’—এই দুই শ্রেণিতে ভাগ করে নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে বহিরাগতদের চলাচল নিয়ন্ত্রণ, আগ্নেয়াস্ত্র ও দেশীয় অস্ত্র বহনে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। এছাড়া সন্দেহভাজনদের ওপর বিশেষ নজরদারি রাখা হচ্ছে। ভোটাররা যাতে নির্বিঘ্নে ও নির্ভয়ে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, সে লক্ষ্যে নির্বাচনকালীন সময়ে কঠোর অবস্থানে থাকবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। কোনো ধরনের সহিংসতা বা অনিয়মের চেষ্টা হলে তাৎক্ষণিক আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে প্রশাসন। এদিকে, নির্বাচন উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে গাজীপুর জেলার সকল রিসোর্ট ও বিনোদন কেন্দ্র চার দিনের জন্য বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow