গাবতলীতে চালু হচ্ছে দেশের বৃহত্তম পাইকারি ফুলের বাজার

রাজধানীর গাবতলী বেড়িবাঁধে চালু হতে যাচ্ছে দেশের সর্ববৃহৎ স্থায়ী পাইকারি ফুলের বাজার। সোমবার (২৬ জানুয়ারি) থেকে বাজারটি চালু হবে। কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের উদ্যোগে নির্মিত এই বাজারটির মাধ্যমে ফুল ব্যবসায়ীদের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণ হতে যাচ্ছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, রাজধানীর শাহবাগ ও আগারগাঁওয়ে ফুলে দুটি অস্থায়ী পাইকারি বাজার রয়েছে। কিন্তু ফুল খাতের ব্যবসায়ীদের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন ছিলো ঢাকা শহরে স্থায়ী একটি পাইকারি বাজার গড়ে তোলা। বিভিন্ন চেষ্টা, তদবিরের পর কৃষি বিপণন অধিদফতরের তত্ত্বাবধানে বাজার অবকাঠামো উন্নয়ন ও শক্তিশালীকরণ প্রকল্পের মাধ্যমে গাবতলী বেড়িবাঁধে ২০১৭ সাল থেকে ২০২২ সালের মধ্যে নির্মিত হয় ফুলের স্থায়ী পাইকারি বাজার। ২০২৩ সালে বাজারটি আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হয়। এরপর সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী প্রাথমিকভাবে গণবিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়। তাতে ঢাকার অস্থায়ী পাইকারি ফুলের বাজার, শাহবাগ ও আগারগাঁওয়ের পাইকারি ব্যবসায়ীরা কোনো আবেদন না করলে উৎপাদন এলাকা ঝিনাইদহ, চুয়াডাঙ্গা ও যশোর এলাকা থেকে কিছুসংখ্যক কৃষক ও ব্যবসায়ীরা আবেদন করে। কিন্তু বাজারের যে পরিমাণ জায়গা তার তুলনায় আবেদন ছিলো খুবই নগণ্য,

গাবতলীতে চালু হচ্ছে দেশের বৃহত্তম পাইকারি ফুলের বাজার

রাজধানীর গাবতলী বেড়িবাঁধে চালু হতে যাচ্ছে দেশের সর্ববৃহৎ স্থায়ী পাইকারি ফুলের বাজার। সোমবার (২৬ জানুয়ারি) থেকে বাজারটি চালু হবে। কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের উদ্যোগে নির্মিত এই বাজারটির মাধ্যমে ফুল ব্যবসায়ীদের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণ হতে যাচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, রাজধানীর শাহবাগ ও আগারগাঁওয়ে ফুলে দুটি অস্থায়ী পাইকারি বাজার রয়েছে। কিন্তু ফুল খাতের ব্যবসায়ীদের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন ছিলো ঢাকা শহরে স্থায়ী একটি পাইকারি বাজার গড়ে তোলা। বিভিন্ন চেষ্টা, তদবিরের পর কৃষি বিপণন অধিদফতরের তত্ত্বাবধানে বাজার অবকাঠামো উন্নয়ন ও শক্তিশালীকরণ প্রকল্পের মাধ্যমে গাবতলী বেড়িবাঁধে ২০১৭ সাল থেকে ২০২২ সালের মধ্যে নির্মিত হয় ফুলের স্থায়ী পাইকারি বাজার। ২০২৩ সালে বাজারটি আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হয়।

এরপর সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী প্রাথমিকভাবে গণবিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়। তাতে ঢাকার অস্থায়ী পাইকারি ফুলের বাজার, শাহবাগ ও আগারগাঁওয়ের পাইকারি ব্যবসায়ীরা কোনো আবেদন না করলে উৎপাদন এলাকা ঝিনাইদহ, চুয়াডাঙ্গা ও যশোর এলাকা থেকে কিছুসংখ্যক কৃষক ও ব্যবসায়ীরা আবেদন করে।

কিন্তু বাজারের যে পরিমাণ জায়গা তার তুলনায় আবেদন ছিলো খুবই নগণ্য, যার কারণে সরকার তথা কৃষি বিপণন অধিদপ্তর কোনো পদক্ষেপ বা জায়গা বরাদ্দ দেওয়া স্থগিত করে। পরবর্তী সময়ে জায়গা বরাদ্দ নেয়ার জন্য পুনরায় গণ বিজ্ঞপ্তি দিলে, দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে প্রায় ১৫০ জন ব্যবসায়ী সরকারি নীতিমালা মেনে আবেদন করে।

গত বছরের ২৩ অক্টোবর আবেদনকারীদের মাঝে লটারির মাধ্যমে জায়গা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এরপর বিভিন্ন প্রস্তুতি শেষে আগামীকাল সোমবার এ পাইকারি ফুলের বাজারের আনুষ্ঠানিক যাত্রা ঘটতে যাচ্ছে।

এনএইচ/কেএইচকে

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow