গায়ের রঙ নিয়ে প্রতিনিয়ত কটাক্ষের শিকার ভারতীয় ক্রিকেটার

ক্রীড়াঙ্গনে বর্ণবাদী আচরণের শিকার হন খেলোয়াড়রা। হরহামেশাই এমন খবর সামনে আসে। মাঠে ও মাঠের বাইরে প্রতিনিয়ত কটাক্ষের মুখে পড়েন তারা। প্রায়ই ক্রীড়াসংস্থাগুলোকে দেখা যায় এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করতেও। গায়ের রঙ নিয়ে অনবরত কটাক্ষের মুখে পড়েন অনেকে। যেমন ভারতের নারী ক্রিকেটার ভারতী ফুলমালি। চেহারা নিয়ে প্রতিনিয়ত অনলাইনে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য শুনতে হয় তাকে বলে জানিয়েছেন। নারী আইপিএলে গুজরাট জায়ান্টসের হয়ে খেলছেন এই ক্রিকেটার। সেখানেই এক সাক্ষাৎকারে এমন কথা জানিয়েছেন তিনি। গেল তিন বছর ধরেই কটাক্ষের শিকার তিনি। ব্যক্তি জীবনে এর প্রভাবটাও পড়েছে বেশ। ফুলমালি বলেন, ‘যখন কেউ আপনার চেহারা এবং ব্যক্তিত্ব নিয়ে প্রশ্ন তোলে তখন খুব খারাপ লাগে। এটা সামলানো খুব কঠিন। গত তিন বছর ধরে এ জিনিস আমি দেখছি। নারী আইপিএল খেলা শুরু করার পর থেকেই অনেকে অনেক মন্তব্য করে। বেশির ভাগই নেতিবাচক। এর অনেক অন্ধকার দিক রয়েছে।’ ফুলমালি আরও বলেছেন, ‘আমরা ম্যাচ খেলি, অনুশীলন করি। তাই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করতেই হয়। আমিও করি, কখনো অনেকবেশি। কারণ আমি দেখতে চাই লোকে আমাকে নিয়ে কী বলছে। সেটা ভালো হোক বা খারাপ। এই আগ্রহ থাকা

গায়ের রঙ নিয়ে প্রতিনিয়ত কটাক্ষের শিকার ভারতীয় ক্রিকেটার

ক্রীড়াঙ্গনে বর্ণবাদী আচরণের শিকার হন খেলোয়াড়রা। হরহামেশাই এমন খবর সামনে আসে। মাঠে ও মাঠের বাইরে প্রতিনিয়ত কটাক্ষের মুখে পড়েন তারা। প্রায়ই ক্রীড়াসংস্থাগুলোকে দেখা যায় এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করতেও।

গায়ের রঙ নিয়ে অনবরত কটাক্ষের মুখে পড়েন অনেকে। যেমন ভারতের নারী ক্রিকেটার ভারতী ফুলমালি। চেহারা নিয়ে প্রতিনিয়ত অনলাইনে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য শুনতে হয় তাকে বলে জানিয়েছেন।

নারী আইপিএলে গুজরাট জায়ান্টসের হয়ে খেলছেন এই ক্রিকেটার। সেখানেই এক সাক্ষাৎকারে এমন কথা জানিয়েছেন তিনি। গেল তিন বছর ধরেই কটাক্ষের শিকার তিনি। ব্যক্তি জীবনে এর প্রভাবটাও পড়েছে বেশ।

ফুলমালি বলেন, ‘যখন কেউ আপনার চেহারা এবং ব্যক্তিত্ব নিয়ে প্রশ্ন তোলে তখন খুব খারাপ লাগে। এটা সামলানো খুব কঠিন। গত তিন বছর ধরে এ জিনিস আমি দেখছি। নারী আইপিএল খেলা শুরু করার পর থেকেই অনেকে অনেক মন্তব্য করে। বেশির ভাগই নেতিবাচক। এর অনেক অন্ধকার দিক রয়েছে।’

ফুলমালি আরও বলেছেন, ‘আমরা ম্যাচ খেলি, অনুশীলন করি। তাই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করতেই হয়। আমিও করি, কখনো অনেকবেশি। কারণ আমি দেখতে চাই লোকে আমাকে নিয়ে কী বলছে। সেটা ভালো হোক বা খারাপ। এই আগ্রহ থাকা স্বাভাবিক। সবারই রয়েছে। কিন্তু লোকের মন্তব্য দেখতে গিয়ে বুঝেছি, অনেকে আমাকে ঘৃণা করে। ভালো মন্তব্যও দেখেছি। তবে সংখ্যায় তা অনেক কম। এতে একটু হলেও প্রভাব পড়ে। কিন্তু এটার সঙ্গে বাঁচতে শিখে গিয়েছি।’

প্রতিনিয়ত বাজে মন্তব্যের শিকার হলেও এই পরিস্থিতি থেকে উত্তোরণে সতীর্থরা পূর্ণ সমর্থন ও সহযোগিতা দিয়েছেন তাকে। ফুলমালি বলেন, ‘এখন সবার কাছেই এটা স্বাভাবিক। অন্যেরা কী ভাবছে সেটা নিয়ন্ত্রণ করতে পারব না। তবে নিজে কী দেখব সেটা নিয়ন্ত্রণ করাই যায়। সেটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।’

আইএন

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow