গুপ্তধন ভেবে বাড়িতে নিয়ে এলেন গ্রেনেড
নরসিংদীর মনোহরদীতে বিলের পানিতে নেমে একটি পুরোনো গ্রেনেড পেয়েছেন শিখা বেগম নামের এক নারী। সোমবার (০২ মার্চ) বিকেলে উপজেলার দিগাকান্দি এলাকায় দুয়ার বিলে গ্রেনেডটি পান তিনি।
জানা গেছে, উপজেলার শুকুন্দী ইউনিয়নের দিগাকান্দি এলাকার দুয়ার বিলে সোমবার বিকেলে মাছ ধরতে নামে শিশুরা। এ সময় শিখা বেগম তার সন্তানকে বিল থেকে তুলে আনতে পানিতে নামেন। পায়ের নিচে শক্ত কিছু পড়েছে ভেবে তুলে নেন। বস্তুটি তুলে ধুয়ে পরিষ্কার করে গুপ্তধন ভেবে বাড়িতে নিয়ে আসেন। এলাকাবাসীর সন্দেহ হলে পুলিশকে জানানো হয়। পরে পুলিশ এটি উদ্ধার করে নিয়ে যায়।
শিখা বেগম বলেন, আমার বাচ্চারা মাছ ধরতে বিলে যায়। আমি তাদের আনতে বিলের পানিতে নামতেই শক্ত কিছু একটা আমার পায়ে লাগে। পরে তা উঠিয়ে দেখি ভারি লোহার মত কিছু। প্রথমে ভেবেছি গুপ্তধন, পরে ভাবলাম লোহা যেহেতু বাড়ি নিয়ে বিক্রি করতে পারব। এ ভেবেই আমি বাড়ি নিয়ে আসছি, এর চেয়ে বেশি কিছু জানি না। এলাকার কয়েকজন এটাকে গ্রেনেড বলতে থাকে। পুলিশে খবর দিলে তারা এটা নিয়ে যায়।
মনোহরদী থানার ওসি শাহিনুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে গ্রেনেড সদৃশ বস্তুটি উদ্ধার করে পুলিশ হেফাজতে রাখা হয়েছে। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা
নরসিংদীর মনোহরদীতে বিলের পানিতে নেমে একটি পুরোনো গ্রেনেড পেয়েছেন শিখা বেগম নামের এক নারী। সোমবার (০২ মার্চ) বিকেলে উপজেলার দিগাকান্দি এলাকায় দুয়ার বিলে গ্রেনেডটি পান তিনি।
জানা গেছে, উপজেলার শুকুন্দী ইউনিয়নের দিগাকান্দি এলাকার দুয়ার বিলে সোমবার বিকেলে মাছ ধরতে নামে শিশুরা। এ সময় শিখা বেগম তার সন্তানকে বিল থেকে তুলে আনতে পানিতে নামেন। পায়ের নিচে শক্ত কিছু পড়েছে ভেবে তুলে নেন। বস্তুটি তুলে ধুয়ে পরিষ্কার করে গুপ্তধন ভেবে বাড়িতে নিয়ে আসেন। এলাকাবাসীর সন্দেহ হলে পুলিশকে জানানো হয়। পরে পুলিশ এটি উদ্ধার করে নিয়ে যায়।
শিখা বেগম বলেন, আমার বাচ্চারা মাছ ধরতে বিলে যায়। আমি তাদের আনতে বিলের পানিতে নামতেই শক্ত কিছু একটা আমার পায়ে লাগে। পরে তা উঠিয়ে দেখি ভারি লোহার মত কিছু। প্রথমে ভেবেছি গুপ্তধন, পরে ভাবলাম লোহা যেহেতু বাড়ি নিয়ে বিক্রি করতে পারব। এ ভেবেই আমি বাড়ি নিয়ে আসছি, এর চেয়ে বেশি কিছু জানি না। এলাকার কয়েকজন এটাকে গ্রেনেড বলতে থাকে। পুলিশে খবর দিলে তারা এটা নিয়ে যায়।
মনোহরদী থানার ওসি শাহিনুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে গ্রেনেড সদৃশ বস্তুটি উদ্ধার করে পুলিশ হেফাজতে রাখা হয়েছে। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য বোম ডিসপোজাল ইউনিটকে জানিয়েছি। টিম আসার পর বিস্তারিত বলা যাবে। তবে এখনো টিম আসেনি।