গুলশানে বাড়ি দখলের হোতা সেই ইউসুফ গ্রেপ্তার
পবিত্র ঈদুল ফিতরের ছুটিতে ফাঁকা রাজধানীর অভিজাত এলাকা গুলশানে একটি বাড়িতে ভাঙচুর, লুটপাট ও দখলের সঙ্গে জড়িত অন্যতম হোতা মো. ইউসুফকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রোববার (৫ এপ্রিল) ভোরে গুলশান থানা পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। গুলশান থানার ওসি দাউদ হোসেন কালবেলাকে জানান, ভোরে রাজধানীর বাড্ডা এলাকার নিজ বাসা থেকে ইউসুফকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি গুলশান-১ এর ১২৭ নম্বর রোডের ১৫ নম্বর বাড়িতে হামলা চালিয়ে দখলের ঘটনায় বাড়ির মালিকের দায়ের করা মামলার আসামি। ওসি আরও বলেন, মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। কেউ আইন লঙ্ঘন করে বা অপকর্ম করে পার পাবে না। গত ১৯ মার্চ দুপুর ১২টার দিকে গুলশান-১ এলাকার ১২৭ নম্বর রোডের ১৫ নম্বর বাড়িতে হামলা ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। এ সময় বাড়িতে থাকা বাসিন্দা ও নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা আনসার সদস্যদের বের করে দেওয়া হয়। অভিযোগ রয়েছে, গুলশান জোনের তৎকালীন সহকারী কমিশনার আলী আহমেদ মাসুদের মদদে ওই বাড়িটি দখলে নেয় মো. ইউসুফ ও তার সহযোগীরা। তবে এ বিষয়ে কালবেলায় বিস্তারিত সংবাদ প্রকাশের পর ওই পুলিশ কর্মকর্তাকে তার পদ থেকে বদলি করা হয়। দখলদাররাও একপর্যায়ে পালিয়ে যায়। পরবর্তীকালে গু
পবিত্র ঈদুল ফিতরের ছুটিতে ফাঁকা রাজধানীর অভিজাত এলাকা গুলশানে একটি বাড়িতে ভাঙচুর, লুটপাট ও দখলের সঙ্গে জড়িত অন্যতম হোতা মো. ইউসুফকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রোববার (৫ এপ্রিল) ভোরে গুলশান থানা পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে।
গুলশান থানার ওসি দাউদ হোসেন কালবেলাকে জানান, ভোরে রাজধানীর বাড্ডা এলাকার নিজ বাসা থেকে ইউসুফকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি গুলশান-১ এর ১২৭ নম্বর রোডের ১৫ নম্বর বাড়িতে হামলা চালিয়ে দখলের ঘটনায় বাড়ির মালিকের দায়ের করা মামলার আসামি।
ওসি আরও বলেন, মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। কেউ আইন লঙ্ঘন করে বা অপকর্ম করে পার পাবে না।
গত ১৯ মার্চ দুপুর ১২টার দিকে গুলশান-১ এলাকার ১২৭ নম্বর রোডের ১৫ নম্বর বাড়িতে হামলা ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। এ সময় বাড়িতে থাকা বাসিন্দা ও নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা আনসার সদস্যদের বের করে দেওয়া হয়।
অভিযোগ রয়েছে, গুলশান জোনের তৎকালীন সহকারী কমিশনার আলী আহমেদ মাসুদের মদদে ওই বাড়িটি দখলে নেয় মো. ইউসুফ ও তার সহযোগীরা। তবে এ বিষয়ে কালবেলায় বিস্তারিত সংবাদ প্রকাশের পর ওই পুলিশ কর্মকর্তাকে তার পদ থেকে বদলি করা হয়। দখলদাররাও একপর্যায়ে পালিয়ে যায়। পরবর্তীকালে গুলশান থানার ওসি রাকিবুল হাসানকেও বদলি করা হয়।
ভুক্তভোগীরা জানান, ঘটনার পর মামলা হলেও আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশ গড়িমসি করে। পরে তারা বিষয়টি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের কাছে তুলে ধরেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিষয়টি নিয়ে আইজিপিকে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেন। এর পরই পুলিশ এক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে বলে জানা যায়।
What's Your Reaction?