গৃহবধূকে হত্যা, অভিযুক্তদের খুঁজছে পুলিশ

গাজীপুর মহানগরীর কাশিমপুর এলাকায় পারিবারিক বিরোধের জেরে আমিরন নেছা নামের এক গৃহবধূকে নৃশংসভাবে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) ভোরে কাশিমপুরের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের রওশন মার্কেট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত আমিরন নেছা (২৮) ওই এলাকার লাট মিয়ার মেয়ে। তিনি স্বামী বাবুল মিয়ার সঙ্গে নিজ বাড়িতে বসবাস করতেন। পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বাবুল মিয়ার একাধিক স্ত্রীর মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক দ্বন্দ্ব চলছিল। সেই বিরোধের জেরে দ্বিতীয় স্ত্রীর ছেলে রাব্বি কয়েকজন সহযোগীকে সঙ্গে নিয়ে ভোরে বাড়িতে আসে। এ সময় বাবুল মিয়া বাসায় ছিলেন না। অভিযোগ রয়েছে, রাব্বি ও তার সঙ্গীরা ঘরের দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে এবং আমিরন নেছার মাথায় ইট দিয়ে আঘাত করে। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। স্থানীয়রা জানান, এর আগেও রাব্বির বিরুদ্ধে তার বাবার কাছ থেকে জমি বিক্রির টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ ছিল। এসব ঘটনায় পরিবারে দীর্ঘদিন ধরে উত্তেজনা বিরাজ করছিল। কাশিমপুর থানার ওসি মোল্লা মো. খালিদ হোসেন বলেন,

গৃহবধূকে হত্যা, অভিযুক্তদের খুঁজছে পুলিশ
গাজীপুর মহানগরীর কাশিমপুর এলাকায় পারিবারিক বিরোধের জেরে আমিরন নেছা নামের এক গৃহবধূকে নৃশংসভাবে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) ভোরে কাশিমপুরের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের রওশন মার্কেট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত আমিরন নেছা (২৮) ওই এলাকার লাট মিয়ার মেয়ে। তিনি স্বামী বাবুল মিয়ার সঙ্গে নিজ বাড়িতে বসবাস করতেন। পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বাবুল মিয়ার একাধিক স্ত্রীর মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক দ্বন্দ্ব চলছিল। সেই বিরোধের জেরে দ্বিতীয় স্ত্রীর ছেলে রাব্বি কয়েকজন সহযোগীকে সঙ্গে নিয়ে ভোরে বাড়িতে আসে। এ সময় বাবুল মিয়া বাসায় ছিলেন না। অভিযোগ রয়েছে, রাব্বি ও তার সঙ্গীরা ঘরের দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে এবং আমিরন নেছার মাথায় ইট দিয়ে আঘাত করে। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। স্থানীয়রা জানান, এর আগেও রাব্বির বিরুদ্ধে তার বাবার কাছ থেকে জমি বিক্রির টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ ছিল। এসব ঘটনায় পরিবারে দীর্ঘদিন ধরে উত্তেজনা বিরাজ করছিল। কাশিমপুর থানার ওসি মোল্লা মো. খালিদ হোসেন বলেন, এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে এবং জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow