গোলের ধারাবাহিকতার রেকর্ড কঠিন করে যাবেন রোনালদো?
ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো ফুটবলের ইতিহাসে এক কিংবদন্তি। বিশ্বকাপে যতবার খেলেছেন, প্রতিবারই গোল করেছেন; এমন কীর্তি এখনো কেবল তারই। ২০০৬ সালের জার্মানি বিশ্বকাপ থেকে শুরু করে ২০২২ কাতার পর্যন্ত পাঁচ আসরে ৮টি গোল। এবার ২০২৬ যুক্তরাষ্ট্র-কানাডা-মেক্সিকো আসরে যদি একটি গোলও করেন, তাহলে তিনি নিজের রেকর্ড নিজেই ভেঙে টানা ছয়টি ভিন্ন বিশ্বকাপে গোল করার অনন্য নজির গড়বেন। ৪১ বছর বয়সী এই পর্তুগিজ অধিনায়ক এখনও অদম্য। আল-নাসরে দুর্দান্ত ফর্ম দেখিয়ে জাতীয় দলে ফিরেছেন। ২০২৬ বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে ডিআর কঙ্গোর বিপক্ষে তার অংশগ্রহণ নিশ্চিত। রোনালদোর লক্ষ্য শুধু নিজের গোল নয়, পর্তুগালকে চ্যাম্পিয়ন করাও। বয়সের ছাপ সত্ত্বেও তার ফিটনেস, মানসিক দৃঢ়তা এবং অভিজ্ঞতা এখনও অনেক তরুণকে হিংসা করায়। ফুটবলপ্রেমীরা রোনালদোকে ‘সিআর সেভেন’ নামে ডাকেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় তার সমর্থকরা লিখছেন, ‘রোনালদো যদি এবারও গোল করেন, তাহলে আগামী প্রজন্মের জন্য এই রেকর্ড ভাঙা প্রায় অসম্ভব হয়ে যাবে। মেসির সঙ্গে চিরকালীন তুলনায় রোনালদোর এই ধারাবাহিকতা তাকে আলাদা মর্যাদা দিয়েছে।’ তবে গোলের ধারাবাহিকতা ধরে রাখার চ্যালেঞ্জও কম নয়। শারীরিক চাপ, প্রতি
ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো ফুটবলের ইতিহাসে এক কিংবদন্তি। বিশ্বকাপে যতবার খেলেছেন, প্রতিবারই গোল করেছেন; এমন কীর্তি এখনো কেবল তারই।
২০০৬ সালের জার্মানি বিশ্বকাপ থেকে শুরু করে ২০২২ কাতার পর্যন্ত পাঁচ আসরে ৮টি গোল। এবার ২০২৬ যুক্তরাষ্ট্র-কানাডা-মেক্সিকো আসরে যদি একটি গোলও করেন, তাহলে তিনি নিজের রেকর্ড নিজেই ভেঙে টানা ছয়টি ভিন্ন বিশ্বকাপে গোল করার অনন্য নজির গড়বেন।
৪১ বছর বয়সী এই পর্তুগিজ অধিনায়ক এখনও অদম্য। আল-নাসরে দুর্দান্ত ফর্ম দেখিয়ে জাতীয় দলে ফিরেছেন। ২০২৬ বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে ডিআর কঙ্গোর বিপক্ষে তার অংশগ্রহণ নিশ্চিত।
রোনালদোর লক্ষ্য শুধু নিজের গোল নয়, পর্তুগালকে চ্যাম্পিয়ন করাও। বয়সের ছাপ সত্ত্বেও তার ফিটনেস, মানসিক দৃঢ়তা এবং অভিজ্ঞতা এখনও অনেক তরুণকে হিংসা করায়।
ফুটবলপ্রেমীরা রোনালদোকে ‘সিআর সেভেন’ নামে ডাকেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় তার সমর্থকরা লিখছেন, ‘রোনালদো যদি এবারও গোল করেন, তাহলে আগামী প্রজন্মের জন্য এই রেকর্ড ভাঙা প্রায় অসম্ভব হয়ে যাবে। মেসির সঙ্গে চিরকালীন তুলনায় রোনালদোর এই ধারাবাহিকতা তাকে আলাদা মর্যাদা দিয়েছে।’
তবে গোলের ধারাবাহিকতা ধরে রাখার চ্যালেঞ্জও কম নয়। শারীরিক চাপ, প্রতিপক্ষের কঠিন ডিফেন্স এবং টুর্নামেন্টের দীর্ঘসূত্রতা তার সামনে বড় বাধা। তবু রোনালদোর ক্যারিয়ার দেখিয়েছে, তিনি অসম্ভবকে সম্ভব করেন। যদি তিনি এবারও গোলের খাতা খোলেন, তাহলে ফুটবল ইতিহাসে তার নাম সোনার অক্ষরে লেখা হবে।
রোনালদো কি পারবেন? পারলে শুধু নিজের রেকর্ড নিজে ভাঙবেন না, লাখো ভক্তের হৃদয় জয় করে নেবেন। পর্তুগালের হয়ে আরেকটি জাদুকরী মুহূর্তের অপেক্ষায় এই কিংবদন্তি।
পর্তুগাল ‘কে’ গ্রুপে খেলবে কলম্বিয়া, কঙ্গো প্রজাতন্ত্র ও উজবেকিস্তানের বিপক্ষে। কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বুধবার রাত ১১টায় (বাংলাদেশ সময়) বিশ্বকাপ মিশন শুরু করবেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর দল।
আরআই/আইএইচএস/
What's Your Reaction?