গ্রামবাংলার আবহে নববর্ষ উদযাপন ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের

টাঙ্গাইলের মধুপুরের চাড়ালজানী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপিত হয়েছে বাংলা নববর্ষ পহেলা বৈশাখ। বর্ণিল আয়োজনে দিনটি রূপ নেয় শিশুদের এক প্রাণবন্ত গ্রামীণ সাংস্কৃতিক মিলনমেলায়। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সকাল ১০টায় বিদ্যালয় মাঠ থেকে এক বর্ণাঢ্য বৈশাখী শোভাযাত্রা বের হয়। শোভাযাত্রাটি পৌর ভবন পর্যন্ত গিয়ে পুনরায় বিদ্যালয়ে ফিরে আসে। এতে অংশ নেন শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক এবং গণমাধ্যমকর্মীরা। টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ আঞ্চলিক মহাসড়কজুড়ে শোভাযাত্রাটি সবার দৃষ্টি কাড়ে। সরেজমিনে দেখা যায়, শোভাযাত্রায় বাঙালির ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির নানা উপাদান তুলে ধরা হয়েছে। গ্রামীণ সাজে সজ্জিত শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি ছিল নজরকাড়া। মেয়েরা গ্রামীণ নারীর সাজে আর ছেলেরা কৃষকের বেশে অংশ নেয়। কারো হাতে ছিল হাতপাখা, কুলা,কারো কাঁধে মই, ঢেকি  আবার কেউ বহন করেছে বিয়ের কনের পালকি। শিশুদের হাতে কাগজের ইলিশ, দোয়েল পাখি, কাঁঠাল, আনারস ও রঙিন নিশান বর্ষবরণকে করে তোলে আরও বহুমাত্রিক ও প্রাণবন্ত। অন্যদিকে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণও সাজানো হয় গ্রামীণ আবহে। বারান্দায় সিঁকেতে ঝোলানো পাতিল, রঙিন বেলুনের ব

গ্রামবাংলার আবহে নববর্ষ উদযাপন ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের
টাঙ্গাইলের মধুপুরের চাড়ালজানী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপিত হয়েছে বাংলা নববর্ষ পহেলা বৈশাখ। বর্ণিল আয়োজনে দিনটি রূপ নেয় শিশুদের এক প্রাণবন্ত গ্রামীণ সাংস্কৃতিক মিলনমেলায়। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সকাল ১০টায় বিদ্যালয় মাঠ থেকে এক বর্ণাঢ্য বৈশাখী শোভাযাত্রা বের হয়। শোভাযাত্রাটি পৌর ভবন পর্যন্ত গিয়ে পুনরায় বিদ্যালয়ে ফিরে আসে। এতে অংশ নেন শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক এবং গণমাধ্যমকর্মীরা। টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ আঞ্চলিক মহাসড়কজুড়ে শোভাযাত্রাটি সবার দৃষ্টি কাড়ে। সরেজমিনে দেখা যায়, শোভাযাত্রায় বাঙালির ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির নানা উপাদান তুলে ধরা হয়েছে। গ্রামীণ সাজে সজ্জিত শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি ছিল নজরকাড়া। মেয়েরা গ্রামীণ নারীর সাজে আর ছেলেরা কৃষকের বেশে অংশ নেয়। কারো হাতে ছিল হাতপাখা, কুলা,কারো কাঁধে মই, ঢেকি  আবার কেউ বহন করেছে বিয়ের কনের পালকি। শিশুদের হাতে কাগজের ইলিশ, দোয়েল পাখি, কাঁঠাল, আনারস ও রঙিন নিশান বর্ষবরণকে করে তোলে আরও বহুমাত্রিক ও প্রাণবন্ত। অন্যদিকে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণও সাজানো হয় গ্রামীণ আবহে। বারান্দায় সিঁকেতে ঝোলানো পাতিল, রঙিন বেলুনের বাহার আর নান্দনিক সাজসজ্জা যেন গ্রামবাংলার চিরচেনা দৃশ্যকে তুলে ধরে। শোভাযাত্রা শেষে শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়ে ফিরে অংশ নেয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে। পরে তারা ঐতিহ্যবাহী পান্তা-ভর্তা ও ছানার স্বাদে মেতে ওঠে, যা আয়োজনকে দেয় বাড়তি আনন্দের ছোঁয়া। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম খান, সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা নাজমুল হক, মিরুল হুদা ও আওয়াল হোসেন। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সাংবাদিকবৃন্দ, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মিজানুর রহমানসহ অন্যান্য শিক্ষক-শিক্ষিকা। অভিভাবকদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি অনুষ্ঠানকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলে। ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের এমন আয়োজনে ফুটে ওঠে বাঙালির শেকড়ের প্রতি ভালোবাসা ও নতুন প্রজন্মের মাঝে সংস্কৃতিচর্চার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow