গ্রাম আদালত আইন কেন বাতিল ঘোষণা করা হবে না, হাইকোর্টের রুল

গ্রাম আদালত আইন, ২০০৬ কেন অসাংবিধানিক ও বাতিল ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। আইন সচিবসহ সংশ্লিষ্টদের চার সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। এ বিষয়ে করা রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) হাইকোর্টের বিচারপতি আহমেদ সোহেল এবং বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ারের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ রুল জারি করেন। আদালতে এদিন রিটের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট ইশরাত হাসান। গত ১৫ ফেব্রুয়ারি গ্রাম আদালত আইন, ২০০৬-এর সাংবিধানিক বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করা হয়। রিটে আইনটিকে সংবিধানবিরোধী উল্লেখ করে এর বাতিল চাওয়া হয়। সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইশরাত হাসান হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় রিটটি করেন। রিটে বলা হয়, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যদের মাধ্যমে বিচারিক ক্ষমতা প্রয়োগ করা সংবিধানের ২২ অনুচ্ছেদে বর্ণিত বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও নির্বাহী বিভাগ থেকে পৃথকীকরণের নীতির পরিপন্থি। রাজনৈতিকভাবে সম্পৃক্ত জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে ফৌজদারি ও দেওয়ানি বিষয়ে বিচার পরিচালনা ন্যায়বিচারের মৌলিক কাঠামোকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। আবেদনকারীর দাবি, সংবিধানের ৩৫(৩) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী প্রত্যেক নাগ

গ্রাম আদালত আইন কেন বাতিল ঘোষণা করা হবে না, হাইকোর্টের রুল

গ্রাম আদালত আইন, ২০০৬ কেন অসাংবিধানিক ও বাতিল ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। আইন সচিবসহ সংশ্লিষ্টদের চার সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

এ বিষয়ে করা রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) হাইকোর্টের বিচারপতি আহমেদ সোহেল এবং বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ারের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ রুল জারি করেন। আদালতে এদিন রিটের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট ইশরাত হাসান।

গত ১৫ ফেব্রুয়ারি গ্রাম আদালত আইন, ২০০৬-এর সাংবিধানিক বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করা হয়। রিটে আইনটিকে সংবিধানবিরোধী উল্লেখ করে এর বাতিল চাওয়া হয়। সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইশরাত হাসান হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় রিটটি করেন।

রিটে বলা হয়, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যদের মাধ্যমে বিচারিক ক্ষমতা প্রয়োগ করা সংবিধানের ২২ অনুচ্ছেদে বর্ণিত বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও নির্বাহী বিভাগ থেকে পৃথকীকরণের নীতির পরিপন্থি। রাজনৈতিকভাবে সম্পৃক্ত জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে ফৌজদারি ও দেওয়ানি বিষয়ে বিচার পরিচালনা ন্যায়বিচারের মৌলিক কাঠামোকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে।

আবেদনকারীর দাবি, সংবিধানের ৩৫(৩) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী প্রত্যেক নাগরিক স্বাধীন ও নিরপেক্ষ আদালতে বিচার পাওয়ার অধিকারী। কিন্তু গ্রাম আদালতে প্রশিক্ষিত বিচারক নেই, প্রমাণ আইন ও কার্যবিধির পূর্ণ প্রয়োগ নেই এবং আইনজীবীর অংশগ্রহণ সীমিত। ফলে ন্যায়বিচারের সাংবিধানিক নিশ্চয়তা ব্যাহত হচ্ছে।

এফএইচ/একিউএফ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow