গ্রিনকার্ডপ্রত্যাশীদের যে নির্দেশ দিলো যুক্তরাষ্ট্র
যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানরত বিদেশিরা যদি নিজেদের অভিবাসন স্ট্যাটাস পরিবর্তন করে গ্রিন কার্ড পেতে চান, তবে তাদের নিজ নিজ দেশে ফিরে গিয়ে পররাষ্ট্র দপ্তরের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে। শুক্রবার (২৩ মে) এমন ঘোষণা দিয়েছে মার্কিন নাগরিকত্ব ও অভিবাসন পরিষেবা (ইউএসসিআইসি)। এই সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেছে বিভিন্ন সহায়তা সংস্থা। একটি নীতিমালাবিষয়ক স্মারকে ইউএসসিআইসি জানায়, বিশেষ ছাড় দেওয়ার প্রয়োজন আছে কি না, তা নির্ধারণে কর্মকর্তারা প্রতিটি আবেদন আলাদাভাবে বিবেচনা করবেন এবং সংশ্লিষ্ট তথ্য ও পরিস্থিতি মূল্যায়ন করবেন। মার্কিন স্বরাষ্ট্র নিরাপত্তা দপ্তর জানিয়েছে, যে বিদেশি সাময়িকভাবে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন এবং গ্রিন কার্ড চান, তাকে আবেদন করার জন্য নিজ দেশে ফিরে যেতে হবে। তারা আরও বলেছে, এই নীতি অভিবাসন ব্যবস্থাকে আইনের উদ্দেশ্য অনুযায়ী পরিচালিত হতে সহায়তা করবে, ফাঁকফোকর ব্যবহারে উৎসাহিত করবে না। শরণার্থীসহ বিভিন্ন অভিবাসী গোষ্ঠীকে সহায়তা দেওয়া সংস্থা এইচআইএএস বলেছে, ইউএসসিআইসি মানবপাচারের শিকার ব্যক্তি এবং নির্যাতিত ও অবহেলিত শিশুদের সেই বিপজ্জনক দেশগুলোতে ফিরে যেতে বাধ্য করছে, যেখান থেকে তারা পালিয়ে এসে
যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানরত বিদেশিরা যদি নিজেদের অভিবাসন স্ট্যাটাস পরিবর্তন করে গ্রিন কার্ড পেতে চান, তবে তাদের নিজ নিজ দেশে ফিরে গিয়ে পররাষ্ট্র দপ্তরের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে। শুক্রবার (২৩ মে) এমন ঘোষণা দিয়েছে মার্কিন নাগরিকত্ব ও অভিবাসন পরিষেবা (ইউএসসিআইসি)। এই সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেছে বিভিন্ন সহায়তা সংস্থা।
একটি নীতিমালাবিষয়ক স্মারকে ইউএসসিআইসি জানায়, বিশেষ ছাড় দেওয়ার প্রয়োজন আছে কি না, তা নির্ধারণে কর্মকর্তারা প্রতিটি আবেদন আলাদাভাবে বিবেচনা করবেন এবং সংশ্লিষ্ট তথ্য ও পরিস্থিতি মূল্যায়ন করবেন।
মার্কিন স্বরাষ্ট্র নিরাপত্তা দপ্তর জানিয়েছে, যে বিদেশি সাময়িকভাবে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন এবং গ্রিন কার্ড চান, তাকে আবেদন করার জন্য নিজ দেশে ফিরে যেতে হবে।
তারা আরও বলেছে, এই নীতি অভিবাসন ব্যবস্থাকে আইনের উদ্দেশ্য অনুযায়ী পরিচালিত হতে সহায়তা করবে, ফাঁকফোকর ব্যবহারে উৎসাহিত করবে না।
শরণার্থীসহ বিভিন্ন অভিবাসী গোষ্ঠীকে সহায়তা দেওয়া সংস্থা এইচআইএএস বলেছে, ইউএসসিআইসি মানবপাচারের শিকার ব্যক্তি এবং নির্যাতিত ও অবহেলিত শিশুদের সেই বিপজ্জনক দেশগুলোতে ফিরে যেতে বাধ্য করছে, যেখান থেকে তারা পালিয়ে এসেছিল, শুধু যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের অনুমতি দেওয়া গ্রিন কার্ডের আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য।
শুক্রবারের এই নীতিগত পরিবর্তন হলো গত এক বছরে যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন কঠোর করার লক্ষ্যে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের নেওয়া ধারাবাহিক পদক্ষেপগুলোর সর্বশেষ উদাহরণ।
গত বছর ট্রাম্প প্রশাসন শিক্ষার্থী, সাংস্কৃতিক বিনিময় কর্মসূচির অংশগ্রহণকারী এবং গণমাধ্যমকর্মীদের ভিসার মেয়াদ কমানোর উদ্যোগ নেয়।
চলতি বছরের জানুয়ারিতে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর ঘোষণা দেয় যে, ট্রাম্প ক্ষমতায় ফেরার পর থেকে এক লাখের বেশি ভিসা বাতিল করা হয়েছে।
সূত্র: রয়টার্স
এমএসএম
What's Your Reaction?