গ্রিনল্যান্ডে মার্কিন কনস্যুলেট উদ্বোধন, বিক্ষোভে উত্তাল নুক শহর

গ্রিনল্যান্ডে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন কনস্যুলেট উদ্বোধনের প্রতিবাদে মিছিল করেছে হাজারও মানুষ। বৃহস্পতিবার (২১ মে) গ্রিনল্যান্ডের রাজধানী নুক শহরে বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড হাতে এই প্রতিবাদ মিছিল করা হয় বলে সংবাদ প্রকাশ করেছে বার্তা সংস্থা আনাদোলু এজেন্সি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওগুলোতে দেখা যায়, নুক শহরে নতুন কূটনৈতিক কার্যালয়ের ভেতরে উদ্বোধনী সংবর্ধনা চলাকালে বিক্ষোভকারীরা ‘গো হোম ইউএসএ’ স্লোগান দিয়ে বিক্ষোভ করছেন। এ সময় কনস্যুলেট ভবনের সামনে ‘আমরা তোমাদের অর্থ চাই না’ লেখা প্ল্যাকার্ড হাতে বিক্ষোভ করেন প্রতিবাদকারীরা। এদিকে, গ্রিনল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জেনস-ফ্রেডরিক নেইলসেন এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দিতে অস্বীকৃতি জানান এবং তিনি এই অনুষ্ঠান প্রত্যাহার করেন । ওয়াশিংটনের সঙ্গে সম্পর্কের টানাপোড়েনের কারণে আরও কয়েকজন কর্মকর্তা এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানটি এড়িয়ে যান। রাজনৈতিক পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে আরও কয়েকজন আইনপ্রণেতারাও কনস্যুলেট আয়োজিত অনুষ্ঠানের আমন্ত্রণ প্রকাশ্যে প্রত্যাখ্যান করেছেন। জানা গেছে, এই উন্নত কনস্যুলেটটি গ্রিনল্যান্ডে যুক্তরাষ্ট্রের কূটনৈতিক ও কৌশলগত উপস্থিতি বাড়ানোর বৃ

গ্রিনল্যান্ডে মার্কিন কনস্যুলেট উদ্বোধন, বিক্ষোভে উত্তাল নুক শহর

গ্রিনল্যান্ডে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন কনস্যুলেট উদ্বোধনের প্রতিবাদে মিছিল করেছে হাজারও মানুষ। বৃহস্পতিবার (২১ মে) গ্রিনল্যান্ডের রাজধানী নুক শহরে বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড হাতে এই প্রতিবাদ মিছিল করা হয় বলে সংবাদ প্রকাশ করেছে বার্তা সংস্থা আনাদোলু এজেন্সি।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওগুলোতে দেখা যায়, নুক শহরে নতুন কূটনৈতিক কার্যালয়ের ভেতরে উদ্বোধনী সংবর্ধনা চলাকালে বিক্ষোভকারীরা ‘গো হোম ইউএসএ’ স্লোগান দিয়ে বিক্ষোভ করছেন। এ সময় কনস্যুলেট ভবনের সামনে ‘আমরা তোমাদের অর্থ চাই না’ লেখা প্ল্যাকার্ড হাতে বিক্ষোভ করেন প্রতিবাদকারীরা।

এদিকে, গ্রিনল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জেনস-ফ্রেডরিক নেইলসেন এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দিতে অস্বীকৃতি জানান এবং তিনি এই অনুষ্ঠান প্রত্যাহার করেন । ওয়াশিংটনের সঙ্গে সম্পর্কের টানাপোড়েনের কারণে আরও কয়েকজন কর্মকর্তা এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানটি এড়িয়ে যান। রাজনৈতিক পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে আরও কয়েকজন আইনপ্রণেতারাও কনস্যুলেট আয়োজিত অনুষ্ঠানের আমন্ত্রণ প্রকাশ্যে প্রত্যাখ্যান করেছেন।

জানা গেছে, এই উন্নত কনস্যুলেটটি গ্রিনল্যান্ডে যুক্তরাষ্ট্রের কূটনৈতিক ও কৌশলগত উপস্থিতি বাড়ানোর বৃহত্তর প্রচেষ্টার অংশ। আধা-স্বায়ত্তশাসিত এই দ্বীপটি ডেনমার্কের অন্তর্ভুক্ত। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দীর্ঘদিন ধরেই আর্কটিক অঞ্চলের এই দ্বীপটির মালিকানা পেতে আগ্রহ দেখিয়ে আসছেন।

ডেনমার্কে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত কেন হাউরি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র শক্তি প্রয়োগের পথ বাতিল করেছে এবং গ্রিনল্যান্ডের ভবিষ্যৎ অবশ্যই গ্রিনল্যান্ডের জনগণকেই নির্ধারণ করতে হবে।

তবে এসব আশ্বাস সত্ত্বেও নতুন কনস্যুলেট উদ্বোধন দ্বীপটিতে যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি উপস্থিতি নিয়ে জনমনে ক্রমবর্ধমান বিরোধিতা ও রাজনৈতিক অস্বস্তির বিষয়টিকে আরও স্পষ্ট করে তুলেছে।

কে এম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow