গ্রিনল্যান্ড দখলে সমর্থন না দিলে শুল্ক আরোপের হুমকি ট্রাম্পের

গ্রিনল্যান্ড দখলের পরিকল্পনায় সমর্থন না দেওয়া দেশগুলোর ওপর বাণিজ্যিক শুল্ক আরোপের হুমকি দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) হোয়াইট হাউজে আয়োজিত একটি স্বাস্থ্যবিষয়ক গোলটেবিল আলোচনায় এই হুমকি দেন তিনি। আলোচনায় ট্রাম্প বলেন, যদি দেশগুলো গ্রিনল্যান্ডের বিষয়ে আমাদের সঙ্গে একমত না হয়, তাহলে আমি তাদের ওপর শুল্ক বসাতে পারি। কারণ আমাদের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য গ্রিনল্যান্ড প্রয়োজন। দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আসার পর বারবার গ্রিনল্যান্ডের কৌশলগত অবস্থান, প্রতিরক্ষা গুরুত্ব ও বিপুল খনিজ সম্পদের কথা উল্লেখ করে এই দাবি করে আসছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। এরই মধ্যে ট্রাম্প প্রশাসন গ্রিনল্যান্ডের জন্য একজন বিশেষ দূত নিয়োগ দিয়েছে, যা ডেনমার্কে ক্ষোভের জন্ম দিয়েছে। ট্রাম্প দাবি করেছেন, গ্রিনল্যান্ডকে যুক্তরাষ্ট্রের অংশ করলে যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা স্বার্থ রক্ষা পাবে। কারণ, আর্কটিক অঞ্চলে এর কৌশলগত অবস্থান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও সেখানে উচ্চপ্রযুক্তি খাতে ব্যবহারের জন্য প্রয়োজনীয় বিপুল খনিজ সম্পদ রয়েছে। এমনকি, এই দ্বীপ দখলের জন্য তিনি শক্তি প্রয়োগের সম্ভাবনাও নাকচ করেননি। প্রায় ৫৭ হাজার জ

গ্রিনল্যান্ড দখলে সমর্থন না দিলে শুল্ক আরোপের হুমকি ট্রাম্পের

গ্রিনল্যান্ড দখলের পরিকল্পনায় সমর্থন না দেওয়া দেশগুলোর ওপর বাণিজ্যিক শুল্ক আরোপের হুমকি দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) হোয়াইট হাউজে আয়োজিত একটি স্বাস্থ্যবিষয়ক গোলটেবিল আলোচনায় এই হুমকি দেন তিনি।

আলোচনায় ট্রাম্প বলেন, যদি দেশগুলো গ্রিনল্যান্ডের বিষয়ে আমাদের সঙ্গে একমত না হয়, তাহলে আমি তাদের ওপর শুল্ক বসাতে পারি। কারণ আমাদের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য গ্রিনল্যান্ড প্রয়োজন।

দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আসার পর বারবার গ্রিনল্যান্ডের কৌশলগত অবস্থান, প্রতিরক্ষা গুরুত্ব ও বিপুল খনিজ সম্পদের কথা উল্লেখ করে এই দাবি করে আসছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। এরই মধ্যে ট্রাম্প প্রশাসন গ্রিনল্যান্ডের জন্য একজন বিশেষ দূত নিয়োগ দিয়েছে, যা ডেনমার্কে ক্ষোভের জন্ম দিয়েছে।

ট্রাম্প দাবি করেছেন, গ্রিনল্যান্ডকে যুক্তরাষ্ট্রের অংশ করলে যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা স্বার্থ রক্ষা পাবে। কারণ, আর্কটিক অঞ্চলে এর কৌশলগত অবস্থান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও সেখানে উচ্চপ্রযুক্তি খাতে ব্যবহারের জন্য প্রয়োজনীয় বিপুল খনিজ সম্পদ রয়েছে। এমনকি, এই দ্বীপ দখলের জন্য তিনি শক্তি প্রয়োগের সম্ভাবনাও নাকচ করেননি।

প্রায় ৫৭ হাজার জনসংখ্যার গ্রিনল্যান্ড ১৯৭৯ সাল থেকে ব্যাপক স্বায়ত্তশাসন ভোগ করে আসছে। তবে প্রতিরক্ষা ও পররাষ্ট্রনীতি এখনো ডেনমার্কের হাতে রয়েছে। যদিও গ্রিনল্যান্ডের অধিকাংশ মানুষ ভবিষ্যতে ডেনমার্ক থেকে স্বাধীনতা চান, তবে বিভিন্ন জনমত জরিপে দেখা গেছে- যুক্তরাষ্ট্রের অংশ হওয়ার বিষয়ে গ্রিনল্যান্ডবাসীদের মধ্যে ব্যাপক ও দৃঢ় বিরোধিতা রয়েছে।

সূত্র: এএফপি

এসএএইচ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow