ঘরে বসেই কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করার ৬ সহজ উপায়
কোষ্ঠকাঠিন্য হলো এমন একটি সমস্যা, যেখানে নিয়মিত মলত্যাগ না হওয়া বা মলত্যাগ করতে কষ্ট হওয়ায় ভোগেন একজন ব্যক্তি। সাধারণভাবে সপ্তাহে তিনবারের কম মলত্যাগ হলে বা মল শক্ত হয়ে গেলে একে কোষ্ঠকাঠিন্য বলা হয়। ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ডায়াবেটিস অ্যান্ড ডাইজেস্টিভ অ্যান্ড কিডনি ডিজিজেসের তথ্যমতে, প্রতি ১০০ জনের মধ্যে প্রায় ১৬ জন কোনো না কোনো সময় কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যায় ভোগেন। এই সমস্যা হতে পারে খাবারে আঁশের ঘাটতি, শরীরে পানিশূন্যতা, শারীরিক পরিশ্রমের অভাব কিংবা কিছু ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার কারণে। কোষ্ঠকাঠিন্যের সাধারণ লক্ষণের মধ্যে রয়েছে পেট ফাঁপা, অস্বস্তি, বিরক্তি, পেটে ব্যথা এবং কষ্টকর বা ব্যথাযুক্ত মলত্যাগ। তবে এই সমস্যা যতটা সাধারণ, ততটাই সহজে ঘরোয়া উপায়ে এর সমাধান সম্ভব। কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করার প্রাকৃতিক উপায় সাধারণ জীবনযাত্রা ও খাদ্যাভ্যাসে সামান্য পরিবর্তন আনলেই অনেক ক্ষেত্রে কোষ্ঠকাঠিন্য নিয়ন্ত্রণে আসে। আঁশযুক্ত খাবার বেশি খান আঁশ বা ফাইবার হজম প্রক্রিয়াকে সহজ করে এবং মল নরম রাখতে সাহায্য করে। প্রতিদিনের খাবারে শাকসবজি, ফলমূল, গোটা শস্য, ডাল এবং শিমজাতীয় খাবার রাখুন। প্রয়োজনে ইসবগুলের
কোষ্ঠকাঠিন্য হলো এমন একটি সমস্যা, যেখানে নিয়মিত মলত্যাগ না হওয়া বা মলত্যাগ করতে কষ্ট হওয়ায় ভোগেন একজন ব্যক্তি। সাধারণভাবে সপ্তাহে তিনবারের কম মলত্যাগ হলে বা মল শক্ত হয়ে গেলে একে কোষ্ঠকাঠিন্য বলা হয়।
ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ডায়াবেটিস অ্যান্ড ডাইজেস্টিভ অ্যান্ড কিডনি ডিজিজেসের তথ্যমতে, প্রতি ১০০ জনের মধ্যে প্রায় ১৬ জন কোনো না কোনো সময় কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যায় ভোগেন। এই সমস্যা হতে পারে খাবারে আঁশের ঘাটতি, শরীরে পানিশূন্যতা, শারীরিক পরিশ্রমের অভাব কিংবা কিছু ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার কারণে।
কোষ্ঠকাঠিন্যের সাধারণ লক্ষণের মধ্যে রয়েছে পেট ফাঁপা, অস্বস্তি, বিরক্তি, পেটে ব্যথা এবং কষ্টকর বা ব্যথাযুক্ত মলত্যাগ। তবে এই সমস্যা যতটা সাধারণ, ততটাই সহজে ঘরোয়া উপায়ে এর সমাধান সম্ভব।
কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করার প্রাকৃতিক উপায়
সাধারণ জীবনযাত্রা ও খাদ্যাভ্যাসে সামান্য পরিবর্তন আনলেই অনেক ক্ষেত্রে কোষ্ঠকাঠিন্য নিয়ন্ত্রণে আসে।
আঁশযুক্ত খাবার বেশি খান
আঁশ বা ফাইবার হজম প্রক্রিয়াকে সহজ করে এবং মল নরম রাখতে সাহায্য করে। প্রতিদিনের খাবারে শাকসবজি, ফলমূল, গোটা শস্য, ডাল এবং শিমজাতীয় খাবার রাখুন। প্রয়োজনে ইসবগুলের ভুসিও ব্যবহার করা যেতে পারে।
পর্যাপ্ত পানি পান করুন
সারা দিনে পর্যাপ্ত পানি পান করলে মল নরম থাকে এবং সহজে বের হতে পারে। পানির অভাবে মল শক্ত হয়ে কোষ্ঠকাঠিন্য বাড়ে। গরম আবহাওয়া বা বেশি পরিশ্রমের সময় পানির পরিমাণ আরও বাড়ানো জরুরি।
নিয়মিত শরীরচর্চা করুন
হাঁটা, দৌড়ানো বা হালকা ব্যায়াম অন্ত্রের কার্যকারিতা বাড়ায়। নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রম হজম শক্তি ভালো রাখে এবং মলত্যাগ স্বাভাবিক করতে সহায়তা করে।
প্রুন জুস পান করতে পারেন
শুকনো বরই থেকে তৈরি প্রুন জুসে প্রাকৃতিক আঁশ ও সরবিটল থাকে, যা কোষ্ঠকাঠিন্য কমাতে সহায়ক। এটি প্রাকৃতিক জোলাপ হিসেবে কাজ করে।
প্রোবায়োটিকসমৃদ্ধ খাবার খান
দইয়ের মতো প্রোবায়োটিক খাবার অন্ত্রে ভালো ব্যাকটেরিয়ার ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে। এতে হজম শক্তি উন্নত হয় এবং নিয়মিত মলত্যাগ সহজ হয়।
ভেষজ উপাদান সতর্কতার সঙ্গে ব্যবহার করুন
সেন্না পাতা, অ্যালোভেরা বা ক্যাসকারা জাতীয় কিছু ভেষজ উপাদানে প্রাকৃতিক জোলাপের গুণ আছে। তবে এগুলো ব্যবহারের আগে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া ভালো, কারণ অতিরিক্ত ব্যবহার ক্ষতিকর হতে পারে।
কোষ্ঠকাঠিন্য একটি সাধারণ কিন্তু অবহেলা করা উচিত নয় এমন সমস্যা। সঠিক খাদ্যাভ্যাস, পর্যাপ্ত পানি পান এবং নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রমের মাধ্যমে এটি অনেকাংশে প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। তবে দীর্ঘদিন ধরে কোষ্ঠকাঠিন্য থাকলে, তীব্র পেটব্যথা, রক্তপাত বা অতিরিক্ত অস্বস্তি দেখা দিলে অবশ্যই চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া প্রয়োজন। সময়মতো সচেতন হলে হজমতন্ত্র সুস্থ রাখা সহজ হয়।
সূত্র : Geo News
What's Your Reaction?