ঘুমন্ত অবস্থায় সাপের কামড়ে প্রাণ গেল শিশুর

নওগাঁর পোরশায় শয়নকক্ষে ঘুমন্ত অবস্থায় বিষধর সাপের কামড়ে আব্দুল্লাহ (১০) নামে এক শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় রহিমা খাতুন (১৪) নামে আরও এক কিশোরী আহত হয়েছে। বুধবার (৮ জুলাই) দিবাগত গভীর রাতে উপজেলার পোরশা হাটখোলাপাড়া (ইটাপুকুর) গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত আব্দুল্লাহ চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার সৌদি প্রবাসী আব্দুল আহাদের ছেলে। সে দীর্ঘদিন ধরে পোরশার হাটখোলাপাড়া গ্রামে নানার বাড়িতে থেকে পড়াশোনা করত। আহত রহিমা খাতুন একই গ্রামের আব্দুর রহমানের মেয়ে এবং নিহত আব্দুল্লাহর আপন খালাতো বোন। পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রতিদিনের মতো বুধবার রাতেও ঘরের মেঝেতে একসঙ্গে ঘুমিয়ে ছিল আব্দুল্লাহ ও রহিমা। গভীর রাতে একটি বিষধর সাপ ঘরে প্রবেশ করে তাদের দুজনকে কামড় দেয়। টের পেয়ে পরিবারের লোকজন গুরুতর জখম অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে দ্রুত পোরশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। পোরশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক আরিফ জানান, শিশু আব্দুল্লাহকে হাসপাতালে নিয়ে আসার আগেই তার মৃত্যু হয়েছে। তবে আহত রহিমা বর্তমানে শারীরিকভাবে সুস্থ আছে। অতিরিক্ত আতঙ্কের কারণে সে মানসিকভাবে কিছুটা অসুস্থ হয়ে

ঘুমন্ত অবস্থায় সাপের কামড়ে প্রাণ গেল শিশুর

নওগাঁর পোরশায় শয়নকক্ষে ঘুমন্ত অবস্থায় বিষধর সাপের কামড়ে আব্দুল্লাহ (১০) নামে এক শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় রহিমা খাতুন (১৪) নামে আরও এক কিশোরী আহত হয়েছে।

বুধবার (৮ জুলাই) দিবাগত গভীর রাতে উপজেলার পোরশা হাটখোলাপাড়া (ইটাপুকুর) গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত আব্দুল্লাহ চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার সৌদি প্রবাসী আব্দুল আহাদের ছেলে। সে দীর্ঘদিন ধরে পোরশার হাটখোলাপাড়া গ্রামে নানার বাড়িতে থেকে পড়াশোনা করত। আহত রহিমা খাতুন একই গ্রামের আব্দুর রহমানের মেয়ে এবং নিহত আব্দুল্লাহর আপন খালাতো বোন।

পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রতিদিনের মতো বুধবার রাতেও ঘরের মেঝেতে একসঙ্গে ঘুমিয়ে ছিল আব্দুল্লাহ ও রহিমা। গভীর রাতে একটি বিষধর সাপ ঘরে প্রবেশ করে তাদের দুজনকে কামড় দেয়। টের পেয়ে পরিবারের লোকজন গুরুতর জখম অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে দ্রুত পোরশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।

পোরশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক আরিফ জানান, শিশু আব্দুল্লাহকে হাসপাতালে নিয়ে আসার আগেই তার মৃত্যু হয়েছে। তবে আহত রহিমা বর্তমানে শারীরিকভাবে সুস্থ আছে। অতিরিক্ত আতঙ্কের কারণে সে মানসিকভাবে কিছুটা অসুস্থ হয়ে পড়েছে।

তিনি আরও জানান, রহিমাকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে এবং নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। পরে সাপের বিষের লক্ষণ দেখা দেওয়াই বর্তমানে তাকে অ্যান্টিভেনম দেওয়া হচ্ছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow