ঘুমন্ত চাচাকে গলা কেটে হত্যার পর পালাল ভাতিজা
গাইবান্ধার ফুলছড়িতে শাহজালাল মিয়া নামের এক ব্যক্তিকে গলা কেটে হত্যার অভিযোগ উঠেছে ভাতিজা গোলাম হোসেনের বিরুদ্ধে। রোববার (১২ জুলাই) সকালে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে পাঠিয়েছে পুলিশ।
এর আগে শনিবার (১১ জুলাই) রাত ২টার দিকে উপজেলার কঞ্চিপাড়া ইউনিয়নের কেতকির হাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত শাহজালাল মিয়া (৩৮) ওই গ্রামের মৃত নিয়ামত আলীর ছেলে। অভিযুক্ত গোলাম হোসেন একই গ্রামের জামাল হোসেনের ছেলে। সম্পর্কে তারা চাচা-ভাতিজা।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গোলাম হোসেন মাদকাসক্ত। তিনি প্রায়ই মাদকসেবন করে বাড়িতে এসে স্ত্রীকে নির্যাতন করতেন। এ নিয়ে চাচা শাহজালাল মিয়া ভাতিজা গোলাম হোসেনকে বাধা দিতেন। এর জের ধরে শনিবার রাত ২টার দিকে গোলাম হোসেন শাহজালাল মিয়ার ঘরে প্রবেশ করে। এসময় শাহজালালের স্ত্রী পারুল বেগম ভাতিজা গোলাম হোসেনকে বাধা দেন। এক পর্যায়ে দ্রুত ঘরে ঢুকে ধারারো অস্ত্র দিয়ে শাহজালালের গলা কেটে হত্যা করে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
নিহত শাহজালালের স্ত্রী পারুল বেগম বলেন, গোলাম হোসেন নেশা করে এসে তার স্ত্রীকে খুব নির্যাতন করত। আমার স্বামী বা
গাইবান্ধার ফুলছড়িতে শাহজালাল মিয়া নামের এক ব্যক্তিকে গলা কেটে হত্যার অভিযোগ উঠেছে ভাতিজা গোলাম হোসেনের বিরুদ্ধে। রোববার (১২ জুলাই) সকালে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে পাঠিয়েছে পুলিশ।
এর আগে শনিবার (১১ জুলাই) রাত ২টার দিকে উপজেলার কঞ্চিপাড়া ইউনিয়নের কেতকির হাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত শাহজালাল মিয়া (৩৮) ওই গ্রামের মৃত নিয়ামত আলীর ছেলে। অভিযুক্ত গোলাম হোসেন একই গ্রামের জামাল হোসেনের ছেলে। সম্পর্কে তারা চাচা-ভাতিজা।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গোলাম হোসেন মাদকাসক্ত। তিনি প্রায়ই মাদকসেবন করে বাড়িতে এসে স্ত্রীকে নির্যাতন করতেন। এ নিয়ে চাচা শাহজালাল মিয়া ভাতিজা গোলাম হোসেনকে বাধা দিতেন। এর জের ধরে শনিবার রাত ২টার দিকে গোলাম হোসেন শাহজালাল মিয়ার ঘরে প্রবেশ করে। এসময় শাহজালালের স্ত্রী পারুল বেগম ভাতিজা গোলাম হোসেনকে বাধা দেন। এক পর্যায়ে দ্রুত ঘরে ঢুকে ধারারো অস্ত্র দিয়ে শাহজালালের গলা কেটে হত্যা করে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
নিহত শাহজালালের স্ত্রী পারুল বেগম বলেন, গোলাম হোসেন নেশা করে এসে তার স্ত্রীকে খুব নির্যাতন করত। আমার স্বামী বাধা দেওয়ায় তাকে হত্যা করে। আমি স্বামী হত্যার বিচার চাই।
স্থানীয় রজব আলী বলেন, এ ছেলে নেশাগ্রস্ত। একে দিয়ে খুন করাও সম্ভব।
ফুলছড়ি থানার ওসি দুরুল হুদা বলেন, ধারালো কিছু একটা দিয়ে তাকে হত্যা করা হয়েছে। সকালে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, হত্যার কারণ জানতে পুলিশ অনুসন্ধান করছে। পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা করা হবে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে আটক করা হয়নি।