ঘোষণা দিয়েও ইসলামী আন্দোলনের আমিরের আসন ছাড়েনি জামায়াত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীমের আসনে প্রার্থী না দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে জামায়াতে ইসলামী। গত ১৮ জানুয়ারি প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাতের পর এমন ঘোষণা দেন দলের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের। তবে গণমাধ্যমের সামনে এমন ঘোষণা দিলেও বাস্তবে ইসলামী আন্দোলনকে ছাড়া হয়েছে বরিশালের অপর একটি আসন। আর আমিরের আসনে জামায়াতের প্রার্থীই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন বলে ঘোষণা দিয়েছেন প্রার্থী নিজেই। সোমবার (১৯ জানুয়ারি) রাতে জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও বরিশাল সদর আসনে দাড়িপাল্লা প্রতীকের মনোনীত প্রার্থী মুয়াযযম হোসাইন হেলাল নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এমন তথ্যই প্রকাশ করেছেন। ১৮ জানুয়ারি রাত ১১টা ৫ মিনিটে নিজের ফেসবুক পেজে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীমের একটি ফটোকার্ড প্রকাশ করেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও বরিশাল সদর আসনের প্রার্থী মুয়াযযম হোসাইন হেলাল। ক্যাপশনে তিনি লিখেছেন, ইসলামী আন্দোলনের সিনিয়র নায়েবে আমির সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীম বরিশাল-৫ (সদর

ঘোষণা দিয়েও ইসলামী আন্দোলনের আমিরের আসন ছাড়েনি জামায়াত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীমের আসনে প্রার্থী না দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে জামায়াতে ইসলামী। গত ১৮ জানুয়ারি প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাতের পর এমন ঘোষণা দেন দলের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের।

তবে গণমাধ্যমের সামনে এমন ঘোষণা দিলেও বাস্তবে ইসলামী আন্দোলনকে ছাড়া হয়েছে বরিশালের অপর একটি আসন। আর আমিরের আসনে জামায়াতের প্রার্থীই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন বলে ঘোষণা দিয়েছেন প্রার্থী নিজেই।

সোমবার (১৯ জানুয়ারি) রাতে জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও বরিশাল সদর আসনে দাড়িপাল্লা প্রতীকের মনোনীত প্রার্থী মুয়াযযম হোসাইন হেলাল নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এমন তথ্যই প্রকাশ করেছেন।

১৮ জানুয়ারি রাত ১১টা ৫ মিনিটে নিজের ফেসবুক পেজে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীমের একটি ফটোকার্ড প্রকাশ করেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও বরিশাল সদর আসনের প্রার্থী মুয়াযযম হোসাইন হেলাল।

ক্যাপশনে তিনি লিখেছেন, ইসলামী আন্দোলনের সিনিয়র নায়েবে আমির সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীম বরিশাল-৫ (সদর-সিটি) ও বরিশাল-৬ (বাকেরগঞ্জ) আসনে নির্বাচন করতে প্রার্থী হয়েছেন।

এর মধ্যে বরিশাল-৬ আসনে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নেবে জামায়াত। এ আসনে দলটির প্রার্থী বরিশাল জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা মাহমুদুন্নবী।‌

জামায়াত প্রার্থীর এমন ফটোকার্ড পোস্টের পর বিষয়টি নিয়ে পক্ষে-বিপক্ষে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নেতারা জানিয়েছেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীমের পৈত্রিক ভিটা চরমোনাই ইউনিয়নে। আর এই ইউনিয়নটি বরিশাল-৫ বা সদর আসনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। সেই হিসেবে দলের আমিরের আসন বরিশাল সদর। ইতোপূর্বে বরিশাল সদর এবং সিটি নির্বাচনে আমিরের হয়ে তাঁর ভাই এবং দলের সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি ফয়জুল করীম প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছে।

ইসলামী আন্দোলনের নেতাকর্মীদের অভিযোগ- আমিরের আসন ছাড়ার ঘোষণা দিয়ে একটি উপজেলা বাকেরগঞ্জ নিয়ে গঠিত বরিশাল-৬ আসন ছাড়ছে জামায়াতে ইসলামী। কেউ কেউ এটিকে রাজনীতির মাঠে জনসমর্থন আদায়ের কৌশল বলেও মন্তব্য করছেন।

ইসলামী আন্দোলনের কর্মী রাহাত হোসেন কাইয়ুম, রাইয়ান ইসলাম অনিক বলেন, ‘জামায়াত ভালো করেই জানে বরিশাল-৫ হলো বিএনপির ঘাঁটি। ঘোষণা দিয়ে এখন তারা নাটক সাজিয়েছে। এমনকি বরিশাল-৬ আসন ছাড়ার কথা বললেও তারা কাকে ভোট দিবে সেই বিষয়ে কোন দিক-নির্দেশনা দেয়নি।

যদিও জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট মুয়াযযম হোসাইন হেলাল সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেছেন, বরিশাল সদর আসনে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের কোন নির্দেশনা তিনি দল থেকে পাননি। তবে দল যদি এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয় তাহলে সেই সিদ্ধান্ত তিনি মেনে নিবেন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow