চকরিয়া ও মাতামুহুরীতে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি

টানা চার দিনের প্রবল বর্ষণ এবং উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে কক্সবাজারের চকরিয়া ও নবগঠিত মাতামুহুরী উপজেলার বন্যা পরিস্থিতির মারাত্মক অবনতি হয়েছে। পার্বত্য অববাহিকা থেকে নেমে আসা ঢলে মাতামুহুরী নদীর পানি দ্রুত বেড়ে বিপৎসীমা অতিক্রম করেছে। এতে দুই উপজেলার বিস্তীর্ণ নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে দুই লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। কক্সবাজার পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, মাতামুহুরী নদীর পানি বিপৎসীমার ১৪ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকলে প্লাবিত এলাকার পরিধি আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, চকরিয়া উপজেলার বরইতলী, বমুবিলছড়ি, সুরাজপুর-মানিকপুর, কাকারা, লক্ষ্যারচর, চিরিঙ্গা, ফাঁসিয়াখালী, কৈয়ারবিল ও হারবাং ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চল সম্পূর্ণ পানির নিচে তলিয়ে গেছে। অন্যদিকে মাতামুহুরী উপজেলার পূর্ব বড় ভেওলা, ঢেমুশিয়া, কোনাখালী, বিএমচর ও সাহারবিল ইউনিয়নের শত শত ঘরবাড়িতে বন্যার পানি ঢুকে পড়েছে। প্লাবিত হয়েছে গ্রামীণ প্রধান সড়ক ও অভ্যন্তরীণ যোগাযোগ ব্যবস্থা। এতে অনেক এলাকা উপজেলা সদর থেকে কার্যত বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।

চকরিয়া ও মাতামুহুরীতে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি

টানা চার দিনের প্রবল বর্ষণ এবং উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে কক্সবাজারের চকরিয়া ও নবগঠিত মাতামুহুরী উপজেলার বন্যা পরিস্থিতির মারাত্মক অবনতি হয়েছে। পার্বত্য অববাহিকা থেকে নেমে আসা ঢলে মাতামুহুরী নদীর পানি দ্রুত বেড়ে বিপৎসীমা অতিক্রম করেছে। এতে দুই উপজেলার বিস্তীর্ণ নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে দুই লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন।

কক্সবাজার পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, মাতামুহুরী নদীর পানি বিপৎসীমার ১৪ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকলে প্লাবিত এলাকার পরিধি আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, চকরিয়া উপজেলার বরইতলী, বমুবিলছড়ি, সুরাজপুর-মানিকপুর, কাকারা, লক্ষ্যারচর, চিরিঙ্গা, ফাঁসিয়াখালী, কৈয়ারবিল ও হারবাং ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চল সম্পূর্ণ পানির নিচে তলিয়ে গেছে।

অন্যদিকে মাতামুহুরী উপজেলার পূর্ব বড় ভেওলা, ঢেমুশিয়া, কোনাখালী, বিএমচর ও সাহারবিল ইউনিয়নের শত শত ঘরবাড়িতে বন্যার পানি ঢুকে পড়েছে। প্লাবিত হয়েছে গ্রামীণ প্রধান সড়ক ও অভ্যন্তরীণ যোগাযোগ ব্যবস্থা। এতে অনেক এলাকা উপজেলা সদর থেকে কার্যত বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।

বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে অসংখ্য কাঁচা ঘরবাড়ি, ফসলি জমি ও চিংড়িঘের। এতে ব্যাপক অর্থনৈতিক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করছেন ক্ষতিগ্রস্তরা।

চকরিয়া পৌরশহরের হাসপাতালপাড়া, থানা সেন্টার এবং চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে হাঁটু থেকে কোমরসমান পানি জমে তীব্র জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। এতে যান চলাচল ও জনজীবন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

বন্যা পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ এবং উদ্ধার কার্যক্রম সমন্বয়ের জন্য চকরিয়া ও মাতামুহুরী উপজেলা প্রশাসন পৃথক জরুরি কন্ট্রোল রুম চালু করেছে।

চকরিয়া ও মাতামুহুরী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহীদ দেলোয়ার জানান, ভারী বর্ষণের কারণে নিম্নাঞ্চলের পানি দ্রুত নিষ্কাশনের লক্ষ্যে উপকূলীয় অঞ্চলের সব স্লুইসগেট খুলে দেওয়া হয়েছে। দুর্যোগ মোকাবিলায় ফায়ার সার্ভিসসহ প্রশাসনের সব বিভাগকে সর্বোচ্চ প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, পাহাড়ের খাদ, টিলা ও ঢালু এলাকায় ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসবাসকারী মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে সরে যেতে এলাকায় এলাকায় মাইকিং করা হচ্ছে।

এদিকে কক্সবাজার আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে আগামী আরও দুই দিন এ অঞ্চলে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে। পরিস্থিতি আরও অবনতির আশঙ্কায় জেলা প্রশাসন বন্যা ও পাহাড়ধসের ঝুঁকি এড়াতে সর্বসাধারণকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow