চকলেটের প্রলোভনে শিশু ধর্ষণ, যুবকের যাবজ্জীবন

মেহেরপুর সদরে শিশু ধর্ষণ মামলায় রিগান হোসেন (৩১) নামে এক যুবককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে দুই লাখ জরিমানা অনাদায়ে আরও এক বছর কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। সোমবার (১৩ এপ্রিল) দুপুরে মেহেরপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক তাজুল ইসলাম এই রায় দেন। দণ্ডপ্রাপ্ত রিগান হোসেন মেহেরপুর সদর উপজেলার তেরঘরিয়া গ্রামের আবুল কালামের ছেলে। রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর মোস্তাফিজুর রহমান তুহিন। মামলার বিবরণী থেকে জানা যায়, ২০২৩ সালের ১৫ মার্চ সকাল ১১টার দিকে ভুক্তভোগী শিশুটি তার নানাবাড়িতে বেড়াতে এসে একটি দোকানের পাশে খেলা করছিল। এ সময় রিগান তাকে চকলেট দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে নির্জন একটি ঘরে নিয়ে ধর্ষণ করে। এতে শিশুটি রক্তাক্ত হয়ে জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। পরে প্রতিবেশীরা তাকে উদ্ধার করে মেহেরপুর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে এবং সেখানে ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়। এই ঘটনায় শিশুর চাচা শাহাবুদ্দিন বাদী হয়ে মেহেরপুর সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা তদন্ত শেষে আদালতে চার্জশিট দাখি

চকলেটের প্রলোভনে শিশু ধর্ষণ, যুবকের যাবজ্জীবন

মেহেরপুর সদরে শিশু ধর্ষণ মামলায় রিগান হোসেন (৩১) নামে এক যুবককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে দুই লাখ জরিমানা অনাদায়ে আরও এক বছর কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (১৩ এপ্রিল) দুপুরে মেহেরপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক তাজুল ইসলাম এই রায় দেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত রিগান হোসেন মেহেরপুর সদর উপজেলার তেরঘরিয়া গ্রামের আবুল কালামের ছেলে। রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর মোস্তাফিজুর রহমান তুহিন।

মামলার বিবরণী থেকে জানা যায়, ২০২৩ সালের ১৫ মার্চ সকাল ১১টার দিকে ভুক্তভোগী শিশুটি তার নানাবাড়িতে বেড়াতে এসে একটি দোকানের পাশে খেলা করছিল। এ সময় রিগান তাকে চকলেট দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে নির্জন একটি ঘরে নিয়ে ধর্ষণ করে। এতে শিশুটি রক্তাক্ত হয়ে জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। পরে প্রতিবেশীরা তাকে উদ্ধার করে মেহেরপুর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে এবং সেখানে ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়।

এই ঘটনায় শিশুর চাচা শাহাবুদ্দিন বাদী হয়ে মেহেরপুর সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা তদন্ত শেষে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। বিচার চলাকালীন দণ্ডপ্রাপ্ত রিগান আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করে।

আদালতে মোট ৬ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। অপরাধ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় বিচারক রিগানকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দেন।

আসিফ ইকবাল/কেএইচকে/এমএস

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow