চট্টগ্রামের এমবাপ্পের দাম ১০ লাখ টাকা

আসন্ন ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে চট্টগ্রামের আনোয়ারার সরকার হাটে কোরবানির পশুর বাজারে অনেক পশু উঠেছে। এখানে নজর কাড়ছে ‘এমবাপ্পে’। বাজারে সবচেয়ে আলোচিত হয়ে উঠেছে মো. রাসেলের খামারের বিশাল আকৃতির এই মহিষ।  ভারতের মুররাহ জাতের এই মহিষটি তিন বছর আগে রাসেলের খামারেই জন্ম নেয়। বর্তমানে মহিষটির ওজন ৭০০ কেজিরও বেশি। রাসেল এগ্রো খামারের স্বত্বাধিকারী রাসেল জানান, এটি বিরল ‘মুররাহ’ জাতের মহিষ। এমবাপ্পের মতো গায়ের রঙ কালো, দূরন্ত চালাক ও আক্রমণাত্মক, অল্প বয়সেই বেড়ে উঠেছে এই মহিষ- তাই শখের বশে এই নামকরণ করা হয়েছে।  রাসেল আরও জানান, মহিষটার দাম হাকানো হয়েছে ১০ লাখ, ক্রেতারা ৭ লাখ-সাড়ে ৭ লাখ পর্যন্ত উঠেছে। রাসেলের খামার থেকে প্রতিদিন ৫০ থেকে ১০০টি গরু মহিষ বিক্রি করা হয়। এসব গরু মহিষের দাম ২ লাখ থেকে ৮ লাখ পর্যন্ত হয়। এদিকে আনোয়ারার ঐতিহ্যবাহী পশুর বাজার সরকার হাট ঘুরে দেখা গেছে গরুর পাশাপাশি মহিষও রয়েছে প্রচুর। জিলহজ মাসের ১ তারিখ থেকেই প্রতিদিন গড়ে বিক্রি হয় কয়েক হাজার গরু-মহিষ। তবে শুক্র ও সোমবার সপ্তাহিক বাজারের দিন সব চেয়ে বেশি বিক্রি হয়। আনোয়ারা, বাঁশখালী, পটিয়া, কর্ণফুলী, সাতকানিয়া, চন্দনাইশ

চট্টগ্রামের এমবাপ্পের দাম ১০ লাখ টাকা
আসন্ন ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে চট্টগ্রামের আনোয়ারার সরকার হাটে কোরবানির পশুর বাজারে অনেক পশু উঠেছে। এখানে নজর কাড়ছে ‘এমবাপ্পে’। বাজারে সবচেয়ে আলোচিত হয়ে উঠেছে মো. রাসেলের খামারের বিশাল আকৃতির এই মহিষ।  ভারতের মুররাহ জাতের এই মহিষটি তিন বছর আগে রাসেলের খামারেই জন্ম নেয়। বর্তমানে মহিষটির ওজন ৭০০ কেজিরও বেশি। রাসেল এগ্রো খামারের স্বত্বাধিকারী রাসেল জানান, এটি বিরল ‘মুররাহ’ জাতের মহিষ। এমবাপ্পের মতো গায়ের রঙ কালো, দূরন্ত চালাক ও আক্রমণাত্মক, অল্প বয়সেই বেড়ে উঠেছে এই মহিষ- তাই শখের বশে এই নামকরণ করা হয়েছে।  রাসেল আরও জানান, মহিষটার দাম হাকানো হয়েছে ১০ লাখ, ক্রেতারা ৭ লাখ-সাড়ে ৭ লাখ পর্যন্ত উঠেছে। রাসেলের খামার থেকে প্রতিদিন ৫০ থেকে ১০০টি গরু মহিষ বিক্রি করা হয়। এসব গরু মহিষের দাম ২ লাখ থেকে ৮ লাখ পর্যন্ত হয়। এদিকে আনোয়ারার ঐতিহ্যবাহী পশুর বাজার সরকার হাট ঘুরে দেখা গেছে গরুর পাশাপাশি মহিষও রয়েছে প্রচুর। জিলহজ মাসের ১ তারিখ থেকেই প্রতিদিন গড়ে বিক্রি হয় কয়েক হাজার গরু-মহিষ। তবে শুক্র ও সোমবার সপ্তাহিক বাজারের দিন সব চেয়ে বেশি বিক্রি হয়। আনোয়ারা, বাঁশখালী, পটিয়া, কর্ণফুলী, সাতকানিয়া, চন্দনাইশ, পেকুয়া ছাড়াও চট্টগ্রাম নগর থেকে ক্রেতারা কোরবানী পশু নিতে আসে এই বাজারে।  প্রতিটি গরু ৮০ হাজার থেকে ৭ লাখ পর্যন্ত এবং মহিষ ১ লাখ ২০ হাজার থেকে ১০ লাখ পর্যন্ত রয়েছে। মধ্যবিত্তরা মনের মতো করে পশু কেনার ব্যবস্থা রয়েছে এই বাজারে। চট্টগ্রাম নগর থেকে আসা নাজিম উদ্দিন জানান, কয়েক বছর থেকেই আমি সরকার হাট থেকে কোরবানির পশু ক্রয় করছি। এ বছর ৯ লাখ টাকায় ৩টি গরু নিয়েছি। সরকার হাটের ইজারাদার ক্যাপটেন নুর মোহাম্মদ জানান, এ বাজারে প্রতিদিন ১০০ থেকে হজারের উপরে পশু বিক্রি হয়। অন্যান্য বাজারের চেয়ে হাসিল কম হওয়ায় এবাজারে দূর-দূরান্ত থেকে ক্রেতারা পশু নিতে আসে। বাজারের নিরাপত্তায় সার্বক্ষণিক সিসি ক্যামরা, পুলিশ ও ভলান্টিয়ার রয়েছে। আনোয়ারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জুনায়েত চৌধুরী জানান, কোরবানিকে সামনে রেখে হাট-বাজারের পাশাপশি সড়কেও পুলিশি টহল বাড়ানো হয়েছে। এ পর্যন্ত কোনো ধরনের অভিযোগ থানায় আসেনি।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow