চট্টগ্রামের কাছে নাস্তানাবুদ ঢাকা
বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে দিনের প্রথম ম্যাচে একেবারেই একপেশে লড়াই উপহার দিল চট্টগ্রাম রয়্যালস। সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ঢাকা ক্যাপিটালসকে ১০ উইকেটে হারিয়ে দারুণ আধিপত্য দেখাল সাগরপাড়ের দলটি। ওপেনার অ্যাডাম রশিংটন ও মোহাম্মদ নাঈম শেখের অনবদ্য ফিফটিতে কোনো রকম চাপ ছাড়াই লক্ষ্যে পৌঁছে যায় চট্টগ্রাম। টস জিতে আগে ব্যাট করতে নেমে ঢাকার ব্যাটিং লাইনআপ পুরোপুরি ভেঙে পড়ে। সব উইকেট হারিয়ে তারা তোলে মাত্র ১২২ রান। জবাবে চট্টগ্রাম রয়্যালস ৪৪ বল হাতে রেখেই জয় নিশ্চিত করে নেয়। সহজ লক্ষ্য তাড়ায় শুরু থেকেই আত্মবিশ্বাসী ছিল চট্টগ্রাম। রশিংটন ও নাঈম ধীরে শুরু করলেও সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ঢাকার বোলারদের ওপর চড়াও হন। দুজনের অপরাজিত ১২৩ রানের জুটি ম্যাচের ফল আগেভাগেই নির্ধারণ করে দেয়। রশিংটন ৩৬ বলে ৯ চার ও ২ ছক্কায় অপরাজিত থাকেন ৬০ রানে। নাঈমের ব্যাট থেকে আসে ৪০ বলে ৭ চার ও ১ ছক্কায় ৫৬ রান। এর আগে ঢাকার ইনিংসে শুরুতেই আঘাত হানেন শরিফুল ইসলাম। পাওয়ারপ্লের মধ্যেই দুই ওপেনারকে ফিরিয়ে দেন তিনি—সাইফ হাসান করেন ১ ও জুবাইদ আকবরী ২ রান। এরপর একের পর এক উইকেট হারাতে থাকে ঢাকা। উসমান খান করেন ২১ রান, তবে অন্
বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে দিনের প্রথম ম্যাচে একেবারেই একপেশে লড়াই উপহার দিল চট্টগ্রাম রয়্যালস। সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ঢাকা ক্যাপিটালসকে ১০ উইকেটে হারিয়ে দারুণ আধিপত্য দেখাল সাগরপাড়ের দলটি। ওপেনার অ্যাডাম রশিংটন ও মোহাম্মদ নাঈম শেখের অনবদ্য ফিফটিতে কোনো রকম চাপ ছাড়াই লক্ষ্যে পৌঁছে যায় চট্টগ্রাম।
টস জিতে আগে ব্যাট করতে নেমে ঢাকার ব্যাটিং লাইনআপ পুরোপুরি ভেঙে পড়ে। সব উইকেট হারিয়ে তারা তোলে মাত্র ১২২ রান। জবাবে চট্টগ্রাম রয়্যালস ৪৪ বল হাতে রেখেই জয় নিশ্চিত করে নেয়।
সহজ লক্ষ্য তাড়ায় শুরু থেকেই আত্মবিশ্বাসী ছিল চট্টগ্রাম। রশিংটন ও নাঈম ধীরে শুরু করলেও সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ঢাকার বোলারদের ওপর চড়াও হন। দুজনের অপরাজিত ১২৩ রানের জুটি ম্যাচের ফল আগেভাগেই নির্ধারণ করে দেয়। রশিংটন ৩৬ বলে ৯ চার ও ২ ছক্কায় অপরাজিত থাকেন ৬০ রানে। নাঈমের ব্যাট থেকে আসে ৪০ বলে ৭ চার ও ১ ছক্কায় ৫৬ রান।
এর আগে ঢাকার ইনিংসে শুরুতেই আঘাত হানেন শরিফুল ইসলাম। পাওয়ারপ্লের মধ্যেই দুই ওপেনারকে ফিরিয়ে দেন তিনি—সাইফ হাসান করেন ১ ও জুবাইদ আকবরী ২ রান। এরপর একের পর এক উইকেট হারাতে থাকে ঢাকা। উসমান খান করেন ২১ রান, তবে অন্যদের ব্যাটে তেমন কোনো প্রতিরোধ গড়ে ওঠেনি। মিঠুন, শামীম, সাব্বির ও ইমাদ ওয়াসিম—সবার ইনিংসই থামে এক অঙ্কে।
অষ্টম উইকেটে মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন ও নাসির হোসেন ৪৮ রানের জুটি গড়ে ঢাকাকে কোনো রকমে শতরানের গণ্ডি পার করান। সাইফউদ্দিন দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৩৩ রান করেন, নাসির যোগ করেন ১৭। তাসকিন ও সালমান মির্জা শেষ দিকে কোনো অবদান রাখতে পারেননি।
চট্টগ্রামের বোলারদের মধ্যে সবচেয়ে উজ্জ্বল ছিলেন তানভীর ইসলাম। চার ওভারে মাত্র ৮ রান দিয়ে ৩ উইকেট নেন তিনি। শরিফুল ইসলামও সমান সফল—১৮ রানে ৩ উইকেট। অধিনায়ক শেখ মেহেদী হাসান নেন দুটি, আর আমির জামাল একটি উইকেট।
সব মিলিয়ে ব্যাটে-বলে পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ দেখিয়ে চট্টগ্রাম রয়্যালস ঢাকাকে একপ্রকার নাস্তানাবুদ করেই ম্যাচ জিতে নেয়।
What's Your Reaction?