চট্টগ্রামে জলাবদ্ধতা কমাতে ৮০০ নালা পরিষ্কারের উদ্যোগ সিটি করপোরেশনের

চট্টগ্রাম মহানগরের জলাবদ্ধতা নিরসনে প্রায় ৮০০ নালা পর্যায়ক্রমে পরিষ্কার করার উদ্যোগ নিয়েছে সিটি করপোরেশন (চসিক)। বর্ষা মৌসুমে পানি দ্রুত নিষ্কাশন নিশ্চিত করতে নালা থেকে পলি, মাটি, প্লাস্টিক ও অন্যান্য বর্জ্য অপসারণের পাশাপাশি নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ কার্যক্রমও জোরদার করা হবে। বুধবার (১৫ জুলাই) টাইগারপাসে চসিক কার্যালয়ে পরিচ্ছন্ন বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এ কথা জানান মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। মেয়র বলেন, নগরবাসীকে জলাবদ্ধতার দুর্ভোগ থেকে মুক্তি দিতে ৮০০ নালা দ্রুত পরিষ্কার করা হবে। সাম্প্রতিক বৃষ্টিতে যেসব এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে, সেখানে প্রকৃত কারণ চিহ্নিত করে স্থায়ী সমাধানের ব্যবস্থা নিতে হবে। কোথাও নালা ভরাট, কোথাও বর্জ্য বা পাহাড়ি মাটি জমে পানি চলাচলে বাধা সৃষ্টি হলে তা দ্রুত অপসারণের নির্দেশ দেন তিনি। শাহাদাত হোসেন বলেন, সম্প্রতি রেকর্ড পরিমাণ বৃষ্টিতে বিভিন্ন স্থান থেকে বিপুল পরিমাণ বর্জ্য ও পাহাড়ি মাটি খাল-নালায় জমে পানি প্রবাহ ব্যাহত হয়েছে। এ কারণে জলাবদ্ধতা পরিস্থিতি জটিল হয়েছে। এ সমস্যা মোকাবিলায় সংশ্লিষ্ট সবাইকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। আরও পড়ুন

চট্টগ্রামে জলাবদ্ধতা কমাতে ৮০০ নালা পরিষ্কারের উদ্যোগ সিটি করপোরেশনের

চট্টগ্রাম মহানগরের জলাবদ্ধতা নিরসনে প্রায় ৮০০ নালা পর্যায়ক্রমে পরিষ্কার করার উদ্যোগ নিয়েছে সিটি করপোরেশন (চসিক)। বর্ষা মৌসুমে পানি দ্রুত নিষ্কাশন নিশ্চিত করতে নালা থেকে পলি, মাটি, প্লাস্টিক ও অন্যান্য বর্জ্য অপসারণের পাশাপাশি নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ কার্যক্রমও জোরদার করা হবে।

বুধবার (১৫ জুলাই) টাইগারপাসে চসিক কার্যালয়ে পরিচ্ছন্ন বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এ কথা জানান মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

মেয়র বলেন, নগরবাসীকে জলাবদ্ধতার দুর্ভোগ থেকে মুক্তি দিতে ৮০০ নালা দ্রুত পরিষ্কার করা হবে। সাম্প্রতিক বৃষ্টিতে যেসব এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে, সেখানে প্রকৃত কারণ চিহ্নিত করে স্থায়ী সমাধানের ব্যবস্থা নিতে হবে। কোথাও নালা ভরাট, কোথাও বর্জ্য বা পাহাড়ি মাটি জমে পানি চলাচলে বাধা সৃষ্টি হলে তা দ্রুত অপসারণের নির্দেশ দেন তিনি।

শাহাদাত হোসেন বলেন, সম্প্রতি রেকর্ড পরিমাণ বৃষ্টিতে বিভিন্ন স্থান থেকে বিপুল পরিমাণ বর্জ্য ও পাহাড়ি মাটি খাল-নালায় জমে পানি প্রবাহ ব্যাহত হয়েছে। এ কারণে জলাবদ্ধতা পরিস্থিতি জটিল হয়েছে। এ সমস্যা মোকাবিলায় সংশ্লিষ্ট সবাইকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।

পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে গাফিলতির বিষয়ে কঠোর অবস্থানের কথাও জানান মেয়র। তিনি বলেন, দায়িত্বে অবহেলা করলে ওয়ার্ডভিত্তিক সুপারভাইজারদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং প্রয়োজন হলে বদলি করা হবে। একইভাবে দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের পরিবর্তে নতুন শ্রমিক নিয়োগ দেওয়া হবে।

বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্রসঙ্গে মেয়র বলেন, বর্জ্য পরিবহনের সময় ট্রাক ও টমটম প্লাস্টিকের কভার দিয়ে ঢেকে রাখতে হবে, যাতে পথে বা নালায় ময়লা না পড়ে। যেসব এলাকায় ডাস্টবিনের সংকট রয়েছে, সেখানে দ্রুত ডাস্টবিন স্থাপনেরও নির্দেশ দেন তিনি।

তিনি নগরবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, যত্রতত্র ময়লা না ফেলে পরিচ্ছন্ন বিভাগের কর্মীদের কাছে নিয়মিত বর্জ্য হস্তান্তর করলে রাস্তা ও নালা পরিষ্কার থাকবে, মশার উপদ্রব কমবে এবং নগরের পরিবেশও সুস্থ থাকবে।

সভায় নির্বাহী প্রকৌশলী রুবেল চন্দ্র দাশ, নাসির উদ্দিন রিফাত, উপ-প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা প্রণব কুমার শর্মাসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা টমটম গাড়ির সংখ্যা বৃদ্ধি, অতিরিক্ত শ্রমিক নিয়োগ এবং জনবহুল এলাকায় আরও ডাস্টবিন স্থাপনের প্রস্তাব দেন। মেয়র এসব বিষয়ে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন।

এমআরএএইচ/একিউএফ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow