চট্টগ্রামে জলাবদ্ধ বিদ্যালয়ে পাঠদান বন্ধ রাখার নির্দেশ
টানা ভারী বৃষ্টি ও লঘুচাপজনিত অতিবৃষ্টিতে জলাবদ্ধতার কারণে চট্টগ্রাম জেলার যেসব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষ, মাঠ কিংবা বিদ্যালয়ে যাতায়াতের রাস্তায় পানি জমেছে, সেসব বিদ্যালয়ে শ্রেণি কার্যক্রম বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস। একই সঙ্গে আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত বিদ্যালয়গুলোতেও আশ্রয়কেন্দ্র চালু থাকা পর্যন্ত পাঠদান বন্ধ থাকবে। বুধবার (৮ জুলাই) জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ফিরোজ আহাম্মদ স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এ তথ্য জানানো হয়। আরও পড়ুন দেশজুড়ে ৪৮ ঘণ্টার ভারী বর্ষণের পূর্বাভাস নির্দেশনায় বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক অতিবৃষ্টিতে যেসব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষ, মাঠ ও বিদ্যালয়ে চলাচলের রাস্তায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে, সেসব বিদ্যালয়ে আবশ্যিকভাবে শ্রেণি কার্যক্রম বন্ধ রাখতে হবে। এতে আরও বলা হয়, যেসব বিদ্যালয় এরই মধ্যে আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে, সেগুলো আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হওয়ার পুরো সময়জুড়ে শ্রেণি পাঠদান বন্ধ থাকবে। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস নির্দেশনায় আরও উল্লেখ করেছে, কোনো অবস্থাতেই অতি উৎসাহী হয়ে জলমগ্ন বা ঝুঁকিপূর্ণ বিদ্যালয়ে প
টানা ভারী বৃষ্টি ও লঘুচাপজনিত অতিবৃষ্টিতে জলাবদ্ধতার কারণে চট্টগ্রাম জেলার যেসব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষ, মাঠ কিংবা বিদ্যালয়ে যাতায়াতের রাস্তায় পানি জমেছে, সেসব বিদ্যালয়ে শ্রেণি কার্যক্রম বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস। একই সঙ্গে আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত বিদ্যালয়গুলোতেও আশ্রয়কেন্দ্র চালু থাকা পর্যন্ত পাঠদান বন্ধ থাকবে।
বুধবার (৮ জুলাই) জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ফিরোজ আহাম্মদ স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এ তথ্য জানানো হয়।

দেশজুড়ে ৪৮ ঘণ্টার ভারী বর্ষণের পূর্বাভাস
নির্দেশনায় বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক অতিবৃষ্টিতে যেসব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষ, মাঠ ও বিদ্যালয়ে চলাচলের রাস্তায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে, সেসব বিদ্যালয়ে আবশ্যিকভাবে শ্রেণি কার্যক্রম বন্ধ রাখতে হবে।
এতে আরও বলা হয়, যেসব বিদ্যালয় এরই মধ্যে আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে, সেগুলো আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হওয়ার পুরো সময়জুড়ে শ্রেণি পাঠদান বন্ধ থাকবে।
জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস নির্দেশনায় আরও উল্লেখ করেছে, কোনো অবস্থাতেই অতি উৎসাহী হয়ে জলমগ্ন বা ঝুঁকিপূর্ণ বিদ্যালয়ে পাঠদান চালু রাখা যাবে না। শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের নিরাপত্তার বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এ নির্দেশনা চট্টগ্রাম জেলার সব উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে পাঠানো হয়েছে। তাদের মাধ্যমে উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।
এমআরএএইচ/ইএ
What's Your Reaction?
