চট্টগ্রামে দর্শকের ঢল, কানায় কানায় পূর্ণ স্টেডিয়াম
সকাল থেকে থেমে থেমে বৃষ্টি,আকাশজুড়ে ছিল মেঘের আনাগোনা। তবুও আবহাওয়ার বাধা উপেক্ষা করে ক্রিকেটপ্রেমীদের ঢলে কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে ওঠে চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ফ্লাইট লেফট্যানেন্ট মতিউর রহমান স্টেডিয়াম। বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচ ঘিরে দীর্ঘদিন পর আবারও ক্রিকেট উৎসবে মেতে ওঠে বন্দরনগরী চট্টগ্রাম। আয়োজকদের ধারণা, ২০ হাজারেরও বেশি দর্শক মাঠে উপস্থিত হয়ে ম্যাচ উপভোগ করেন। দুপুরের ম্যাচ হলেও সকাল থেকেই স্টেডিয়ামের আশপাশে দর্শকদের ভিড় বাড়তে থাকে। চট্টগ্রাম নগরীর পাশাপাশি কর্ণফুলী, আনোয়ারা, পটিয়া, রাউজান, রাঙ্গুনিয়া, ফটিকছড়ি, হাটহাজারী, মীরসরাই, সীতাকুণ্ড, বোয়ালখালী, সন্দ্বীপসহ জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে ক্রিকেটপ্রেমীরা মাঠে আসেন। অনেকেই পরিবার-পরিজন ও বন্ধুদের সঙ্গে খেলা দেখতে আসেন। কারও হাতে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা, কারও হাতে প্রিয় ক্রিকেটারের পোস্টার, আবার অনেকে লাল-সবুজের জার্সি পরে গ্যালারিতে বসেন। ম্যাচ শুরুর আগেই স্টেডিয়ামের অধিকাংশ গ্যালারি পূর্ণ হয়ে যায়।জাতীয় সংগীতের সময় পুরো গ্যালারি দাঁড়িয়ে বাংলাদেশের পতাকা উড়িয়ে সমর্থন জানায়। খেল
সকাল থেকে থেমে থেমে বৃষ্টি,আকাশজুড়ে ছিল মেঘের আনাগোনা। তবুও আবহাওয়ার বাধা উপেক্ষা করে ক্রিকেটপ্রেমীদের ঢলে কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে ওঠে চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ফ্লাইট লেফট্যানেন্ট মতিউর রহমান স্টেডিয়াম।
বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচ ঘিরে দীর্ঘদিন পর আবারও ক্রিকেট উৎসবে মেতে ওঠে বন্দরনগরী চট্টগ্রাম। আয়োজকদের ধারণা, ২০ হাজারেরও বেশি দর্শক মাঠে উপস্থিত হয়ে ম্যাচ উপভোগ করেন।
দুপুরের ম্যাচ হলেও সকাল থেকেই স্টেডিয়ামের আশপাশে দর্শকদের ভিড় বাড়তে থাকে। চট্টগ্রাম নগরীর পাশাপাশি কর্ণফুলী, আনোয়ারা, পটিয়া, রাউজান, রাঙ্গুনিয়া, ফটিকছড়ি, হাটহাজারী, মীরসরাই, সীতাকুণ্ড, বোয়ালখালী, সন্দ্বীপসহ জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে ক্রিকেটপ্রেমীরা মাঠে আসেন। অনেকেই পরিবার-পরিজন ও বন্ধুদের সঙ্গে খেলা দেখতে আসেন। কারও হাতে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা, কারও হাতে প্রিয় ক্রিকেটারের পোস্টার, আবার অনেকে লাল-সবুজের জার্সি পরে গ্যালারিতে বসেন।
ম্যাচ শুরুর আগেই স্টেডিয়ামের অধিকাংশ গ্যালারি পূর্ণ হয়ে যায়।জাতীয় সংগীতের সময় পুরো গ্যালারি দাঁড়িয়ে বাংলাদেশের পতাকা উড়িয়ে সমর্থন জানায়। খেলা শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে 'বাংলাদেশ, বাংলাদেশ' স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে পুরো স্টেডিয়াম। প্রতিটি বাউন্ডারি, ছক্কা কিংবা উইকেটে দর্শকদের করতালি ও উল্লাসে জমে ওঠে সাগরিকার পরিবেশ। দীর্ঘদিন পর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে এমন দর্শক উপস্থিতি দেখে উচ্ছ্বসিত ছিলেন ক্রিকেটপ্রেমীরা।
ম্যাচে টসে জিতে আগে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় অস্ট্রেলিয়া। উদ্বোধনী জুটিতে মিচেল মার্শ ও জশ ইংলিস দ্রুত রান তোলার চেষ্টা করেন। তবে নাসুম আহমেদ জশ ইংলিসকে ফিরিয়ে বাংলাদেশকে প্রথম সাফল্য এনে দেন।এরপর নাহিদ রানা ফেরান কুপার কনোলিকে। অধিনায়ক মিচেল মার্শ ১৯ বলে ২০ রান করে বিদায় নিলে পাওয়ারপ্লেতে ৩ উইকেট হারিয়ে ৪৪ রান তোলে সফরকারীরা।
এরপর ইনিংস গড়ে তোলেন ম্যাট রেনশ ও টিম ডেভিড। দুজনই বাংলাদেশের বোলারদের ওপর পাল্টা আক্রমণ চালিয়ে দ্রুত রান তুলতে থাকেন। ২৬ বলে ৪৫ রান করে ডেভিড আউট হলেও একপ্রান্ত আগলে রেখে দুর্দান্ত ব্যাটিং চালিয়ে যান রেনশ। শেষ পর্যন্ত ৫২ বলে অপরাজিত ৮৯ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেন তিনি। শেষদিকে নিখিল চৌধুরী ৬ বলে ৮ রান করলে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেটে ১৯৬ রান সংগ্রহ করে অস্ট্রেলিয়া।
বাংলাদেশের হয়ে নাসুম আহমেদ দুটি উইকেট নেন।এছাড়া একটি করে উইকেট শিকার করেন আবদুল গাফফার সাকলাইন, নাহিদ রানা ও মুস্তাফিজুর রহমান।
১৯৭ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ইতিবাচক শুরু করে বাংলাদেশ। কিন্তু শেষ পর্যন্ত আর পারেনি টাইগাররা। দ্বিতীয় ম্যাচ হেরে সিরিজ হাতছাড়া করে ফেলে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা।
তবে দিনের সবচেয়ে বড় আলোচনার বিষয় ছিল দর্শকদের অভূতপূর্ব উপস্থিতি। সকাল থেকে বৃষ্টি হলেও তা ক্রিকেটপ্রেমীদের উৎসাহে কোনো ভাটা ফেলতে পারেনি। মেঘলা আবহাওয়ার মধ্যেও গ্যালারির প্রতিটি অংশ ছিল দর্শকে পরিপূর্ণ। স্টেডিয়ামের বাইরে টিকিট প্রত্যাশীদের ভিড়ও ছিল চোখে পড়ার মতো। অনেকেই টিকিট না পেয়েও স্টেডিয়ামের আশপাশে অবস্থান করেন। দীর্ঘদিন পর চট্টগ্রামে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে এমন দর্শক উপস্থিতি প্রমাণ করেছে, দেশের ক্রিকেটে সাগরিকা স্টেডিয়ামের প্রতি দর্শকদের ভালোবাসা ও আগ্রহ এখনও অটুট।
আবিদসহ চার বন্ধু এসেছে খেলা দেখতে। তারা বিশ্বকাপের বিভিন্ন দেশের সমর্থক ঠিক তেমনিভাবে জার্সি পড়ে এসেছেন তারা। অনেক উৎসাহ দিব নাই চলছে খেলা দর্শকদের সাহেব জমজমাট হয়ে উঠছে প্রতিটি গ্যালারির দর্শকদের উন্মাদনাও।
What's Your Reaction?