চট্টগ্রামে নিরাপত্তাকর্মীকে হত্যা: ৭ আসামি গ্রেফতার
চট্টগ্রাম নগরের ডবলমুরিং থানার একটি গ্যারেজে নিরাপত্তাকর্মী আবু সিদ্দিককে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় এজাহারভুক্ত সাত আসামিকে চার ঘণ্টার মধ্যে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৭ জুলাই) ডবলমুরিং মডেল থানা-পুলিশ এ তথ্য জানিয়েছে। পুলিশের ভাষ্য, গত ১৫ জুলাই রাত ১০টার দিকে কয়েকজন ব্যক্তি সংঘবদ্ধভাবে একটি গ্যারেজে প্রবেশ করে নিরাপত্তাকর্মী আবু সিদ্দিকের ওপর হামলা চালান। তাকে কিল-ঘুষি ও এলোপাতাড়ি মারধরের পাশাপাশি রিকশার চাকার একটি লোহার রিং দিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়, হত্যার পর মরদেহ গুমের উদ্দেশ্যে অভিযুক্তরা একটি মিনি পিকআপে তুলে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান। এ ঘটনায় শুক্রবার ডবলমুরিং মডেল থানায় দণ্ডবিধির ৩০২, ২০১ ও ৩৪ ধারায় মামলা হয়। মামলা হওয়ার পরপরই অভিযান চালিয়ে শেখ আহমেদ রুবেল (৩৫), মো. সাইফুল ইসলাম (২৭), মনিরুজ্জামান মামুন (২৮), মো. জামাল উদ্দিন মিজান (৪৫), মো. গোলাম রব্বানী (৫৫), মো. আবুল বাশার (৩৯) এবং পেয়ার আহাম্মদ (৫৫) নামে সাতজনকে গ্রেফতার করা হয়। পুলিশের দাবি, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতার ব্যক্তিরা হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার
চট্টগ্রাম নগরের ডবলমুরিং থানার একটি গ্যারেজে নিরাপত্তাকর্মী আবু সিদ্দিককে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় এজাহারভুক্ত সাত আসামিকে চার ঘণ্টার মধ্যে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (১৭ জুলাই) ডবলমুরিং মডেল থানা-পুলিশ এ তথ্য জানিয়েছে।
পুলিশের ভাষ্য, গত ১৫ জুলাই রাত ১০টার দিকে কয়েকজন ব্যক্তি সংঘবদ্ধভাবে একটি গ্যারেজে প্রবেশ করে নিরাপত্তাকর্মী আবু সিদ্দিকের ওপর হামলা চালান। তাকে কিল-ঘুষি ও এলোপাতাড়ি মারধরের পাশাপাশি রিকশার চাকার একটি লোহার রিং দিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়, হত্যার পর মরদেহ গুমের উদ্দেশ্যে অভিযুক্তরা একটি মিনি পিকআপে তুলে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান। এ ঘটনায় শুক্রবার ডবলমুরিং মডেল থানায় দণ্ডবিধির ৩০২, ২০১ ও ৩৪ ধারায় মামলা হয়। মামলা হওয়ার পরপরই অভিযান চালিয়ে শেখ আহমেদ রুবেল (৩৫), মো. সাইফুল ইসলাম (২৭), মনিরুজ্জামান মামুন (২৮), মো. জামাল উদ্দিন মিজান (৪৫), মো. গোলাম রব্বানী (৫৫), মো. আবুল বাশার (৩৯) এবং পেয়ার আহাম্মদ (৫৫) নামে সাতজনকে গ্রেফতার করা হয়।
পুলিশের দাবি, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতার ব্যক্তিরা হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন।
ডবলমুরিং থানা-পুলিশ জানিয়েছে, হত্যাকাণ্ডের কারণ এবং অন্য কেউ জড়িত আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
এমআরএএইচ/জেএইচ
What's Your Reaction?