চট্টগ্রামে ভারী বৃষ্টি হতে পারে আরও ২ দিন, শঙ্কা পাহাড়ধসের

২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রামে ২৭১ দশমিক ৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে জেলার কয়েকটি উপজেলায় আকস্মিক বন্যা দেখা দিয়েছে। এতে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে জনদুর্ভোগ বেড়েছে। এছাড়া আরও দুই দিন ভারী বৃষ্টির হতে পারে বলে জানিয়েছেন পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিস। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সকাল ৯টা পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় এ বৃষ্টিপাত রেকর্ড করে পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিস। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে পটিয়া, চন্দনাইশ, আনোয়ারা, বাঁশখালী ও ফটিকছড়ির নিম্নাঞ্চল। এসব এলাকায় বসতবাড়ি, স্থানীয় সড়ক ও কৃষিজমিতে পানি উঠে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হয়েছে। অনেক মানুষ পানিবন্দি হয়ে দুর্ভোগে পড়েছেন। আরও পড়ুন চট্টগ্রামে পানিবন্দি ৩০ হাজার মানুষ আবহাওয়া অফিসের তথ্য অনুযায়ী, বুধবার দিনভর ভারী বৃষ্টিপাত হলেও বৃহস্পতিবার সকাল থেকে বৃষ্টির তীব্রতা কিছুটা কমেছে। তবে আগের দিনের টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলের কারণে বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা ও প্লাবনের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। আরও পড়ুন জলাবদ্ধতায় বৃহস্পতিবারও বন্ধ থাকছে চবির ক্লাস-পরীক্ষা পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিসের সহকারী পূর্বাভাস কর্মকর্তা বিশ্বজিৎ চৌধুরী বলেন, গ

চট্টগ্রামে ভারী বৃষ্টি হতে পারে আরও ২ দিন, শঙ্কা পাহাড়ধসের

২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রামে ২৭১ দশমিক ৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে জেলার কয়েকটি উপজেলায় আকস্মিক বন্যা দেখা দিয়েছে। এতে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে জনদুর্ভোগ বেড়েছে। এছাড়া আরও দুই দিন ভারী বৃষ্টির হতে পারে বলে জানিয়েছেন পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিস।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সকাল ৯টা পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় এ বৃষ্টিপাত রেকর্ড করে পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিস।

সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে পটিয়া, চন্দনাইশ, আনোয়ারা, বাঁশখালী ও ফটিকছড়ির নিম্নাঞ্চল। এসব এলাকায় বসতবাড়ি, স্থানীয় সড়ক ও কৃষিজমিতে পানি উঠে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হয়েছে। অনেক মানুষ পানিবন্দি হয়ে দুর্ভোগে পড়েছেন।

আবহাওয়া অফিসের তথ্য অনুযায়ী, বুধবার দিনভর ভারী বৃষ্টিপাত হলেও বৃহস্পতিবার সকাল থেকে বৃষ্টির তীব্রতা কিছুটা কমেছে। তবে আগের দিনের টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলের কারণে বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা ও প্লাবনের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিসের সহকারী পূর্বাভাস কর্মকর্তা বিশ্বজিৎ চৌধুরী বলেন, গত ২৪ ঘণ্টায় ২৭১ দশমিক ৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। মৌসুমি বায়ু সক্রিয় থাকায় আগামী কয়েক দিন বিক্ষিপ্তভাবে মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টি হতে পারে। একই সঙ্গে পাহাড়ি এলাকায় ভূমিধসের আশঙ্কা থাকায় সংশ্লিষ্টদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেন।

এমআরএএইচ/ইএ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow