চট্টগ্রামে শপিং কমপ্লেক্সে ব্যবসায়ীকে হত্যার মামলায় আসামির যাবজ্জীবন

চট্টগ্রাম নগরের পাহাড়তলী এলাকায় অলংকার শপিং কমপ্লেক্সে আবু নাছের নামের এক যুবককে কাঁচি দিয়ে কুপিয়ে হত্যার মামলায় ইসমাইল হোসেন সুজন নামের এক আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। রোববার (২১ জুন) চট্টগ্রামের পঞ্চম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো. তাজউল ইসলামের আদালত এ রায় দেন। দণ্ডিত ইসমাইল হোসেন সুজন নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার শরীফপুর ইউনিয়নের খানপুর গ্রামের বাসিন্দা। রায় ঘোষণার সময় তিনি আদালতে উপস্থিত ছিলেন না। পরে আদালত তার বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানা জারি করেন। আদালতের বেঞ্চ সহকারী এস এম কাওসার সাগর বলেন, মামলায় ১২ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়েছে। সাক্ষ্য-প্রমাণে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত এ রায় দিয়েছেন। মামলার নথি অনুযায়ী, ২০১৭ সালের ২৪ মার্চ রাতে পাহাড়তলীর অলংকার শপিং কমপ্লেক্সে আবু নাছেরকে কাঁচি দিয়ে আঘাত করা হয়। তিনি সেখানে মমতাজ টেলিকম নামে একটি দোকান পরিচালনা করতেন। একই ভবনের একটি দোকানে মোবাইল ফোন মেকানিক হিসেবে কাজ করতেন ইসমাইল হোসেন সুজন। দোকান পরিবর্তনের পর বকেয়া ভাড়া পরিশোধ নিয়ে বিরোধের জেরে ঘটনা

চট্টগ্রামে শপিং কমপ্লেক্সে ব্যবসায়ীকে হত্যার মামলায় আসামির যাবজ্জীবন

চট্টগ্রাম নগরের পাহাড়তলী এলাকায় অলংকার শপিং কমপ্লেক্সে আবু নাছের নামের এক যুবককে কাঁচি দিয়ে কুপিয়ে হত্যার মামলায় ইসমাইল হোসেন সুজন নামের এক আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

রোববার (২১ জুন) চট্টগ্রামের পঞ্চম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো. তাজউল ইসলামের আদালত এ রায় দেন।

দণ্ডিত ইসমাইল হোসেন সুজন নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার শরীফপুর ইউনিয়নের খানপুর গ্রামের বাসিন্দা। রায় ঘোষণার সময় তিনি আদালতে উপস্থিত ছিলেন না। পরে আদালত তার বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানা জারি করেন।

আদালতের বেঞ্চ সহকারী এস এম কাওসার সাগর বলেন, মামলায় ১২ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়েছে। সাক্ষ্য-প্রমাণে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত এ রায় দিয়েছেন।

মামলার নথি অনুযায়ী, ২০১৭ সালের ২৪ মার্চ রাতে পাহাড়তলীর অলংকার শপিং কমপ্লেক্সে আবু নাছেরকে কাঁচি দিয়ে আঘাত করা হয়। তিনি সেখানে মমতাজ টেলিকম নামে একটি দোকান পরিচালনা করতেন।

একই ভবনের একটি দোকানে মোবাইল ফোন মেকানিক হিসেবে কাজ করতেন ইসমাইল হোসেন সুজন। দোকান পরিবর্তনের পর বকেয়া ভাড়া পরিশোধ নিয়ে বিরোধের জেরে ঘটনার দিন রাতে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে সুজন কাঁচি দিয়ে আবু নাছেরের বুকে ও তলপেটে আঘাত করেন বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়।

পরে গুরুতর আহত অবস্থায় আবু নাছেরকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই রাতেই তার মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় নিহতের মা মমতাজ বেগম বাদী হয়ে পাহাড়তলী থানায় হত্যা মামলা করেন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।

এমআরএএইচ/এমকেআর

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow