চট্টগ্রামে হামের উপসর্গের দাপট
চট্টগ্রামে হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তির সংখ্যা উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, চট্টগ্রাম নগরী ও উপজেলার বিভিন্ন হাসপাতালে ৮৭ শিশু হামের উপসর্গ নিয়ে ভর্তি রয়েছে। এরমধ্যে শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ভর্তি হয়েছে ১৬ জন। তবে হামের উপসর্গের পাশাপাশি হামের চিকিৎসাসেবার জন্য আলাদা বা বিশেষভাবে রুমে রেখে সেবাও দিচ্ছেন বলে বিভিন্ন হাসপাতালের দায়িত্বশীলরা জানিয়েছেন। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) চিকিৎসা সেবা নিয়ে প্রাথমিকভাবে সুস্থতা অনুভব করায় ইতিমধ্যে ৯ জন হাসপাতাল থেকে ছাড় দেওয়া হয়েছে বলে নিশ্চিত করে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিভিল সার্জন ডাক্তার জাহাঙ্গীর আলম। চট্টগ্রাম জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, এখন পর্যন্ত ১০৩ জন সন্দেহভাজন রোগী শনাক্ত হয়েছে। পরীক্ষার জন্য মোট ১৫৫টি নমুনা ঢাকায় পাঠানো হয়েছে, যার মধ্যে শুক্রবার পাঠিয়েছে ৩২ জনের। সবশেষ তথ্যমতে ১৬ জনের শরীরে হাম নিশ্চিত হয়েছে। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে বর্তমানে ৪৩ শিশু ভর্তি, তাদের মধ্যে ৪ জনের হাম শনাক্ত হয়েছে। বাকি রোগীদের নমুনা পরীক্ষার ফল অপেক্ষমাণ। গুরুতর অবস্থায় থাকা কয়েকজন শিশুকে আইসিইউতে চিকিৎসা দেও
চট্টগ্রামে হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তির সংখ্যা উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, চট্টগ্রাম নগরী ও উপজেলার বিভিন্ন হাসপাতালে ৮৭ শিশু হামের উপসর্গ নিয়ে ভর্তি রয়েছে।
এরমধ্যে শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ভর্তি হয়েছে ১৬ জন। তবে হামের উপসর্গের পাশাপাশি হামের চিকিৎসাসেবার জন্য আলাদা বা বিশেষভাবে রুমে রেখে সেবাও দিচ্ছেন বলে বিভিন্ন হাসপাতালের দায়িত্বশীলরা জানিয়েছেন।
শুক্রবার (৩ এপ্রিল) চিকিৎসা সেবা নিয়ে প্রাথমিকভাবে সুস্থতা অনুভব করায় ইতিমধ্যে ৯ জন হাসপাতাল থেকে ছাড় দেওয়া হয়েছে বলে নিশ্চিত করে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিভিল সার্জন ডাক্তার জাহাঙ্গীর আলম।
চট্টগ্রাম জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, এখন পর্যন্ত ১০৩ জন সন্দেহভাজন রোগী শনাক্ত হয়েছে। পরীক্ষার জন্য মোট ১৫৫টি নমুনা ঢাকায় পাঠানো হয়েছে, যার মধ্যে শুক্রবার পাঠিয়েছে ৩২ জনের। সবশেষ তথ্যমতে ১৬ জনের শরীরে হাম নিশ্চিত হয়েছে।
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে বর্তমানে ৪৩ শিশু ভর্তি, তাদের মধ্যে ৪ জনের হাম শনাক্ত হয়েছে। বাকি রোগীদের নমুনা পরীক্ষার ফল অপেক্ষমাণ। গুরুতর অবস্থায় থাকা কয়েকজন শিশুকে আইসিইউতে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। মা ও শিশু হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে শুক্রবার ভর্তি হয়েছে ৫ জন।
চিকিৎসকরা বলছেন, আক্রান্ত শিশুদের বড় অংশই টিকার বাইরে ছিল-কেউ বয়সের কারণে, আবার কেউ নির্ধারিত সময়েও টিকা নেয়নি। এতে সংক্রমণ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে।
স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, পরিস্থিতি মোকাবেলায় হাসপাতালগুলোকে সতর্ক করা হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। দ্রুত টিকাদান কার্যক্রম জোরদার না হলে সংক্রমণ আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালের পরিচালক নুরুল হক কালবেলাকে বলেন, হাম রোগীদের বিশেষ সেবা দেওয়া হচ্ছে। তবে গত কয়েকদিন ধরে সম্ভাব্য হামের উপসর্গ নিয়ে বেশ কয়েকজন ভর্তি হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার ৪ জন, বুধবার ৯ জন, মঙ্গলবার ৬ জন ছিল। এর মধ্যে অনেকে চিকিৎসা নিয়ে চলে গেছেন। তাদের চিকিৎসা সেবা আলাদা রুমে দেওয়া হচ্ছে এবং বিশেষ নজরদারিও রয়েছে দায়িত্বশীলদের।
What's Your Reaction?