চট্টগ্রামে ২০ এপ্রিল থেকে মাসব্যাপী হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচি শুরু
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন এলাকায় ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী তিন লাখের বেশি শিশুকে হাম-রুবেলার টিকার আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আগামী ২০ এপ্রিল থেকে ২০ মে পর্যন্ত মাসব্যাপী এই টিকাদান কর্মসূচি চলবে বলে জানিয়েছেন ডা. শাহাদাত হোসেন। বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) নগরের লালদীঘির পাড়ে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের পাবলিক লাইব্রেরি সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মেয়র এ তথ্য জানান। মেয়র বলেন, হাম একটি অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ। এটি শিশুদের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা দুর্বল করে দিয়ে নিউমোনিয়া, ডায়রিয়া, অপুষ্টি এবং মস্তিষ্কে প্রদাহের মতো জটিলতা তৈরি করতে পারে। এ কারণে প্রতিটি শিশুকে টিকার আওতায় আনা জরুরি। চসিক সূত্রে জানানো হয়, নগরের সাতটি জোনের ৪১টি ওয়ার্ডে মোট ৩ লাখ ৩০০ শিশুকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এ জন্য ৪৮টি স্থায়ী দল, ২০৫টি অস্থায়ী দল, ৪১টি মপ-আপ দল এবং ১৪টি সন্ধ্যাকালীন টিকাদান সেশন পরিচালিত হবে। প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত টিকাদান কার্যক্রম চলবে। সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, অভিভাবকদের জন্মনিবন্ধন নম্বর দিয়ে অনলাইনে নিবন্ধনের জন্য উৎসাহিত করা হচ্ছে। তবে নিবন্ধন না থাকলেও
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন এলাকায় ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী তিন লাখের বেশি শিশুকে হাম-রুবেলার টিকার আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আগামী ২০ এপ্রিল থেকে ২০ মে পর্যন্ত মাসব্যাপী এই টিকাদান কর্মসূচি চলবে বলে জানিয়েছেন ডা. শাহাদাত হোসেন।
বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) নগরের লালদীঘির পাড়ে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের পাবলিক লাইব্রেরি সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মেয়র এ তথ্য জানান।
মেয়র বলেন, হাম একটি অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ। এটি শিশুদের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা দুর্বল করে দিয়ে নিউমোনিয়া, ডায়রিয়া, অপুষ্টি এবং মস্তিষ্কে প্রদাহের মতো জটিলতা তৈরি করতে পারে। এ কারণে প্রতিটি শিশুকে টিকার আওতায় আনা জরুরি।
চসিক সূত্রে জানানো হয়, নগরের সাতটি জোনের ৪১টি ওয়ার্ডে মোট ৩ লাখ ৩০০ শিশুকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এ জন্য ৪৮টি স্থায়ী দল, ২০৫টি অস্থায়ী দল, ৪১টি মপ-আপ দল এবং ১৪টি সন্ধ্যাকালীন টিকাদান সেশন পরিচালিত হবে। প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত টিকাদান কার্যক্রম চলবে।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, অভিভাবকদের জন্মনিবন্ধন নম্বর দিয়ে অনলাইনে নিবন্ধনের জন্য উৎসাহিত করা হচ্ছে। তবে নিবন্ধন না থাকলেও কোনো শিশু টিকা থেকে বাদ পড়বে না। বিশেষ করে বস্তি ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসকারী শিশুদের খুঁজে বের করে টিকা দেওয়া হবে।
কর্মসূচি সফল করতে স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রশিক্ষণ, স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুত, ধর্মীয় নেতা ও শিক্ষকদের সঙ্গে সমন্বয় সভাসহ বিভিন্ন প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলে জানান মেয়র।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক শেখ ফজলে রাব্বী, সিভিল সার্জন জাহাঙ্গীর আলম এবং চসিকের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা মো. ইমাম হোসেন রানা।
আগামী ২০ এপ্রিল সকাল ১০টায় চসিক জেনারেল হাসপাতাল মিলনায়তনে এই কর্মসূচির উদ্বোধন হবে।
এমআরএএইচ/এমআইএইচএস
What's Your Reaction?