চট্টগ্রামে ৩৫ হাম রোগী শনাক্ত, ১৫ দিনে মৃত্যু ৩ জনের
চট্টগ্রামে গত ১৫ দিনে ৩৫ শিশুর শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে। এসময়ের মধ্যে হামের উপসর্গ নিয়ে তিন শিশুর মৃত্যুবরণ করেছে।
চট্টগ্রাম জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, রোববার (১২ এপ্রিল) পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে বিগত ১৫ দিনে চট্টগ্রাম নগরী ও জেলার বিভিন্ন উপজেলার মোট ২৮৩ জন রোগী বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এদের মধ্যে ১৯৯ জন রোগী সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন। বর্তমানে ৮৪ জন রোগী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। হাসপাতালে ভর্তি হওয়া রোগীদের মধ্যে ৭৪ জন বিভিন্ন উপজেলার বাসিন্দা। বাকিরা সবাই নগরীর বাসিন্দা।
সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, হাম শনাক্ত করার জন্য ঢাকার এনপিএমএল ও আইপিএইচ ল্যাবে রোববার পর্যন্ত ৩২৮ জন রোগীর নমুনা পাঠানো হয়েছে। যার মধ্যে নগরীর ২২৩ জন এবং জেলার বিভিন্ন উপজেলার ১১৫ জন রয়েছেন। এদের মধ্যে ৩৫ জন রোগীর হাম শনাক্ত হয়েছে।
হামের উপসর্গ নিয়ে তিন দিনে তিন শিশুর মৃত্যু:
চট্টগ্রামে হামের উপসর্গ নিয়ে এখন পর্যন্ত তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। গত ৩০ মার্চ চট্টগ্রামের বেসরকারি ইন্টারন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় এক শিশু মারা যায়। শিশুটির বাড়ি নোয়াখালী জেলায়।
চট্টগ্রামে গত ১৫ দিনে ৩৫ শিশুর শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে। এসময়ের মধ্যে হামের উপসর্গ নিয়ে তিন শিশুর মৃত্যুবরণ করেছে।
চট্টগ্রাম জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, রোববার (১২ এপ্রিল) পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে বিগত ১৫ দিনে চট্টগ্রাম নগরী ও জেলার বিভিন্ন উপজেলার মোট ২৮৩ জন রোগী বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এদের মধ্যে ১৯৯ জন রোগী সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন। বর্তমানে ৮৪ জন রোগী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। হাসপাতালে ভর্তি হওয়া রোগীদের মধ্যে ৭৪ জন বিভিন্ন উপজেলার বাসিন্দা। বাকিরা সবাই নগরীর বাসিন্দা।
সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, হাম শনাক্ত করার জন্য ঢাকার এনপিএমএল ও আইপিএইচ ল্যাবে রোববার পর্যন্ত ৩২৮ জন রোগীর নমুনা পাঠানো হয়েছে। যার মধ্যে নগরীর ২২৩ জন এবং জেলার বিভিন্ন উপজেলার ১১৫ জন রয়েছেন। এদের মধ্যে ৩৫ জন রোগীর হাম শনাক্ত হয়েছে।
হামের উপসর্গ নিয়ে তিন দিনে তিন শিশুর মৃত্যু:
চট্টগ্রামে হামের উপসর্গ নিয়ে এখন পর্যন্ত তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। গত ৩০ মার্চ চট্টগ্রামের বেসরকারি ইন্টারন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় এক শিশু মারা যায়। শিশুটির বাড়ি নোয়াখালী জেলায়।
গত ৩১ মার্চ চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ছয় মাস বয়সী এক শিশু মারা যায়। তার বাড়ি কক্সবাজার জেলায়। ১ এপ্রিল রাতে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পেডিয়াট্রিক ইনসেনটিভ কেয়ার ইউনিট-পিআইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৯ মাস বয়সী একটি শিশুর মৃত্যু হয়। শিশুটি কক্সবাজার জেলার কুতুবদিয়ার বাসিন্দা।
চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন ডা. জাহাঙ্গীর আলম কালবেলাকে বলেন, সব সরকারি হাসপাতাল ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সতর্কতা জোরদার করা হয়েছে। সংক্রমণ ঠেকাতে সন্দেহভাজন রোগীদের আলাদা রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি টিকাদান কার্যক্রম জোরদার ও অভিভাবকদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া ১০টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেই হাম কর্নার করা হয়েছে।