চবিতে শিক্ষা ও গবেষণার পরিবেশ ফিরিয়ে আনব : ড. আল ফোরকান
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ ফিরিয়ে এনে বিশ্ববিদ্যালয়টিকে গবেষণায় সর্বোচ্চ পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য কাজ করবেন বলে জানিয়েছেন নতুন উপাচার্য অধ্যাপক ড. আল ফোরকান।
সোমবার (১৬ মার্চ) বিকেলে এক তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় কালবেলায় এ কথা বলেন তিনি।
এর আগে দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়সহ ৬টি বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন উপাচার্য নিয়োগ দেওয়ার কথা জানায় শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
অধ্যাপক ড. আল ফোরকান বলেন, উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পাওয়ায় আল্লাহর কাছে অনেক অনেক শুকরিয়া আদায় করছি। আমার সারা জীবনের কাজই ছিল পড়ালেখা ও গবেষণা। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়কে নিয়ে আমার একটা স্বপ্ন আছে। এ বিশ্ববিদ্যালয়কে গবেষণায় সর্বোচ্চ পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া ও ক্যাম্পাসে শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ ফিরিয়ে আনার জন্য আমি কাজ করব। এটাই আমার প্রথম অগ্রাধিকার।
অধ্যাপক ড. আল ফোরকান চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ২১তম উপাচার্য। তিনি একই বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগ থেকে প্রথম শ্রেণিতে বিএসসি (অনার্স) ও এমএস ডিগ্রি সম্পন্ন করেন। ১৯৯৩ সালে একই বিভাগে প্রভাষক হিসেবে যোগদান করেন।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ ফিরিয়ে এনে বিশ্ববিদ্যালয়টিকে গবেষণায় সর্বোচ্চ পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য কাজ করবেন বলে জানিয়েছেন নতুন উপাচার্য অধ্যাপক ড. আল ফোরকান।
সোমবার (১৬ মার্চ) বিকেলে এক তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় কালবেলায় এ কথা বলেন তিনি।
এর আগে দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়সহ ৬টি বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন উপাচার্য নিয়োগ দেওয়ার কথা জানায় শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
অধ্যাপক ড. আল ফোরকান বলেন, উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পাওয়ায় আল্লাহর কাছে অনেক অনেক শুকরিয়া আদায় করছি। আমার সারা জীবনের কাজই ছিল পড়ালেখা ও গবেষণা। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়কে নিয়ে আমার একটা স্বপ্ন আছে। এ বিশ্ববিদ্যালয়কে গবেষণায় সর্বোচ্চ পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া ও ক্যাম্পাসে শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ ফিরিয়ে আনার জন্য আমি কাজ করব। এটাই আমার প্রথম অগ্রাধিকার।
অধ্যাপক ড. আল ফোরকান চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ২১তম উপাচার্য। তিনি একই বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগ থেকে প্রথম শ্রেণিতে বিএসসি (অনার্স) ও এমএস ডিগ্রি সম্পন্ন করেন। ১৯৯৩ সালে একই বিভাগে প্রভাষক হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ২০০৬ সালে অধ্যাপক পদে পদোন্নতি পান। ২০০৪ সালে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি বিভাগ প্রতিষ্ঠা হওয়ার পর তিনি প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হিসেবে যোগদান করেন।
অধ্যাপক আল ফোরকান যুক্তরাজ্যের নটিংহ্যাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি ডিগ্রি লাভ করেন। এরপর কানাডার ইউনিভার্সিটি অফ আলবার্টাতে পোস্ট-ডক্টরাল সম্পন্ন করেন। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিজিটিং প্রফেসর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
৩১ বছরের শিক্ষকতা ও গবেষণা জীবনে তার ৫১টি গবেষণাপত্র প্রকাশিত হয়েছে। গবেষণা মেন্টর হিসেবে ৩৯ জন এমএস (থিসিস) শিক্ষার্থী, ৭ জন এমফিল গবেষক এবং একজন পোস্ট-ডক্টরাল গবেষককে তত্ত্বাবধান করেছেন।