চমেক হাসপাতাল এলাকা যানজটমুক্ত-পরিচ্ছন্ন করা হবে: চসিক মেয়র শাহাদাত

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতাল এলাকা যানজটমুক্ত, পরিচ্ছন্ন ও আধুনিক ব্যবস্থাপনার আওতায় আনার ঘোষণা দিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ও হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি ডা. শাহাদাত হোসেন। রোববার (২৪ মে) সকালে চমেক হাসপাতালের সম্মেলন কক্ষে হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির প্রথম সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। সভায় হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ তসলিম উদ্দীন হাসপাতালের বর্তমান অবস্থা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরেন। ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, হাসপাতালে আসা রোগী ও স্বজনদের অন্যতম বড় ভোগান্তি হচ্ছে তথ্য বিভ্রান্তি ও দিকনির্দেশনার অভাব। অনেকেই বিভিন্ন বিভাগ বা কার্যালয় সহজে খুঁজে পান না। এ সমস্যা সমাধানে গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সাইনেজ, অ্যারো মার্কিং ও তথ্যবোর্ড স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হবে। তিনি বলেন, চমেক হাসপাতালের আশপাশের পুরো এলাকা যানজটমুক্ত রাখতে সিটি করপোরেশন, ট্রাফিক বিভাগ ও প্রশাসনের সমন্বয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। চকবাজার অলি খাঁ মসজিদ থেকে প্রবর্তক মোড় পর্যন্ত এলাকায় অবৈধ দখল ও যানজট বরদাস্ত করা হবে না। মেয়র আরও বলেন, হাসপাতাল এলাকায় অনিয়ন্ত্রিত অ্যাম্বুলে

চমেক হাসপাতাল এলাকা যানজটমুক্ত-পরিচ্ছন্ন করা হবে: চসিক মেয়র শাহাদাত

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতাল এলাকা যানজটমুক্ত, পরিচ্ছন্ন ও আধুনিক ব্যবস্থাপনার আওতায় আনার ঘোষণা দিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ও হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি ডা. শাহাদাত হোসেন।

রোববার (২৪ মে) সকালে চমেক হাসপাতালের সম্মেলন কক্ষে হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির প্রথম সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। সভায় হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ তসলিম উদ্দীন হাসপাতালের বর্তমান অবস্থা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরেন।

ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, হাসপাতালে আসা রোগী ও স্বজনদের অন্যতম বড় ভোগান্তি হচ্ছে তথ্য বিভ্রান্তি ও দিকনির্দেশনার অভাব। অনেকেই বিভিন্ন বিভাগ বা কার্যালয় সহজে খুঁজে পান না। এ সমস্যা সমাধানে গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সাইনেজ, অ্যারো মার্কিং ও তথ্যবোর্ড স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

তিনি বলেন, চমেক হাসপাতালের আশপাশের পুরো এলাকা যানজটমুক্ত রাখতে সিটি করপোরেশন, ট্রাফিক বিভাগ ও প্রশাসনের সমন্বয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। চকবাজার অলি খাঁ মসজিদ থেকে প্রবর্তক মোড় পর্যন্ত এলাকায় অবৈধ দখল ও যানজট বরদাস্ত করা হবে না।

মেয়র আরও বলেন, হাসপাতাল এলাকায় অনিয়ন্ত্রিত অ্যাম্বুলেন্স চলাচল ও ভাসমান দোকানের কারণে রোগী পরিবহনে ভোগান্তি হচ্ছে। এ সমস্যা সমাধানে নির্দিষ্ট অ্যাম্বুলেন্স পার্কিং ব্যবস্থা ও টোকেনভিত্তিক ব্যবস্থাপনা চালুর পরিকল্পনা রয়েছে।

স্বাস্থ্যসেবার চাপ কমাতে বিকল্প হাসপাতালগুলোকে কার্যকর করার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি। জানান, কালুরঘাট এলাকায় সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে একটি আধুনিক জেনারেল হাসপাতাল নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি বন্দর-পতেঙ্গা এলাকাতেও বড় হাসপাতাল স্থাপনের উদ্যোগ রয়েছে।

হাসপাতাল এলাকার পরিচ্ছন্নতা বাড়াতে চসিক ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের যৌথ উদ্যোগে ২০ জন পরিচ্ছন্নতাকর্মী নিয়োগের প্রস্তাব দেন মেয়র। তিনি জানান, তিন শিফটে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে এবং একটি মনিটরিং টিম গঠন করে কর্মীদের কার্যক্রম তদারকি করা হবে।

সভায় চট্টগ্রাম-৯ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান বলেন, চমেক হাসপাতালের বিভিন্ন সমস্যা চিহ্নিত করে সমাধানে উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। হাসপাতালের উন্নয়ন ও সেবার মান বাড়াতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।

উন্মুক্ত আলোচনায় কমিটির সদস্যরা বলেন, ৮৫০ শয্যার জন্য নির্মিত হাসপাতালটিতে বর্তমানে তিন থেকে চার হাজার রোগী চিকিৎসা নিচ্ছেন। ফলে পানি, পয়োনিষ্কাশন ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় তীব্র চাপ সৃষ্টি হচ্ছে।

সভায় চমেক কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ জসিম উদ্দীন, বিভাগীয় পরিচালক স্বাস্থ্য অধ্যাপক ডা. আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সভাপতি জাহিদুল করিম কচিসহ বিভিন্ন দপ্তরের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

এমআরএএইচ/এসএএইচ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow