চলতি অর্থবছরেই স্থানীয় সরকারের সব নির্বাচন: শাহে আলম
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেছেন, চলতি অর্থবছরের মধ্যেই স্থানীয় সরকারের সব স্তরের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। আগস্টের পরই স্থানীয় সরকার, অর্থ বিভাগ ও নির্বাচন কমিশন যৌথভাবে আলোচনা করে স্থানীয় সরকারের কোন স্তরের নির্বাচন আগে অনুষ্ঠিত হবে, তা নির্ধারণ করবে। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) দুপুরে সিলেটের পারাইরচকে সিলেট সিটি করপোরেশনের (সিসিক) বর্জ্য ব্যবস্থাপনার সেকেন্ডারি ট্রান্সফার স্টেশন পরিদর্শনে গিয়ে তিনি এ কথা বলেন। প্রতিমন্ত্রী জানান, স্থানীয় সরকারের পাঁচ স্তর রয়েছে। চলতি অর্থবছরের মধ্যে সব স্তরের নির্বাচন সম্পন্ন করার লক্ষ্য সরকারের। শেখ হাসিনার সরাসরি দেশে ফেরার কোনো সুযোগ নেই জানিয়ে তিনি বলেন, তার বিরুদ্ধে এরইমধ্যে রায় হয়ে গেছ। দেশে ফিরলে তাকে গ্রেফতার করা হবে। তাকে জেলে যেতে হবে ও রায় কার্যকর হবে। আরও পড়ুন বাণিজ্যমন্ত্রী / লোডশেডিংয়ের জন্য দায়ী বিগত ১৭ বছরের জবাবদিহিহীন শাসনব্যবস্থা সিসিকের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্রকল্পের বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সিলেট সিটি করপোরেশনের সঙ্গে লাফার্জ সুরমা হোলসিমের একটি প্রকল্প ২০২৪ সালে চালু হয়। ত
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেছেন, চলতি অর্থবছরের মধ্যেই স্থানীয় সরকারের সব স্তরের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। আগস্টের পরই স্থানীয় সরকার, অর্থ বিভাগ ও নির্বাচন কমিশন যৌথভাবে আলোচনা করে স্থানীয় সরকারের কোন স্তরের নির্বাচন আগে অনুষ্ঠিত হবে, তা নির্ধারণ করবে।
বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) দুপুরে সিলেটের পারাইরচকে সিলেট সিটি করপোরেশনের (সিসিক) বর্জ্য ব্যবস্থাপনার সেকেন্ডারি ট্রান্সফার স্টেশন পরিদর্শনে গিয়ে তিনি এ কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী জানান, স্থানীয় সরকারের পাঁচ স্তর রয়েছে। চলতি অর্থবছরের মধ্যে সব স্তরের নির্বাচন সম্পন্ন করার লক্ষ্য সরকারের।
শেখ হাসিনার সরাসরি দেশে ফেরার কোনো সুযোগ নেই জানিয়ে তিনি বলেন, তার বিরুদ্ধে এরইমধ্যে রায় হয়ে গেছ। দেশে ফিরলে তাকে গ্রেফতার করা হবে। তাকে জেলে যেতে হবে ও রায় কার্যকর হবে।
সিসিকের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্রকল্পের বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সিলেট সিটি করপোরেশনের সঙ্গে লাফার্জ সুরমা হোলসিমের একটি প্রকল্প ২০২৪ সালে চালু হয়। তবে পূর্ণাঙ্গভাবে চালু হয়নি। এখন থেকে চালু হবে। এখন থেকে সিলেট নগরের বর্জ্য পরিশোধন করে প্লাস্টিক অংশ লাফার্জ সুরমা নিয়ে গিয়ে জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করবে। বাকি বর্জ্য সিটি করপোরেশন জৈব সার হিসেবে পরিণত করার পরিকল্পনা রয়েছে।
তিনি বলেন, ‘ডেঙ্গু মশা নিয়ন্ত্রণ, পরিচ্ছন্নতা অভিযান, খাল পুনরুদ্ধারসহ বিভিন্ন কর্মসূচিতে সিসিক অন্য অনেক সিটি করপোরেশনের তুলনায় এগিয়ে রয়েছে। এই ধারাবাহিকতা ভবিষ্যতেও বজায় থাকবে বলে আশা করি।’
পরিদর্শনকালে স্থানীয় সরকার বিভাগের যুগ্মসচিব মো. রবিউল ইসলাম, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের পরামর্শক মো. শাহীন আহমেদ খান, সিসিকের সচিব মো. আশিক নূর, প্রধান প্রকৌশলী (ভারপ্রাপ্ত) মো. আলী আকবর, নির্বাহী প্রকৌশলী (যান্ত্রিক) লে. কর্নেল (অব.) মোহাম্মদ উল্লাহ, নির্বাহী প্রকৌশলী (বিদ্যুৎ) জয়দেব বিশ্বাসসহ সিসিকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
আহমেদ জামিল/এসআর
What's Your Reaction?

