চলন্ত মোটরসাইকেল থেকে পড়ে গৃহবধূর মৃত্যু
জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে চলন্ত মোটরসাইকেল থেকে ছিটকে পড়ে জেসমিন নামে এক গৃহবধূর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাত আনুমানিক পৌনে সাতটার দিকে উপজেলার মহাদান ইউনিয়নের চেরাগ আলী মোড় এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত জেসমিন আক্তার উপজেলার কামরাবাদ ইউনিয়নের শুয়াকৈর গ্রামের এরশাদ আলীর স্ত্রী। জেসমিন আক্তার (৪০) তিন সন্তানের জননী
স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, জেসমিন আক্তার উপজেলার বিলবালিয়া গ্রামে তার বাবার বাড়ি থেকে স্বামীর সঙ্গে মোটরসাইকেলে করে শ্বশুরবাড়ি ফিরছিলেন। মোটরসাইকেলটি যখন চেরাগ আলী মোড়ের পূর্ব পাশে পৌঁছায়, তখন রাস্তার একটি গতিরোধক (বিট) পার হওয়ার সময় সজোরে ঝাঁকুনি লাগে। এতে মোটরসাইকেলের পেছনে বসে থাকা জেসমিন আক্তার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পিচঢালা রাস্তায় ছিটকে পড়েন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মোটরসাইকেলটির গতি কিছুটা বেশি ছিল এবং গতিরোধক (বিটটি) সম্ভবত ড্রাইভার দেখতে পাননি। যার কারণে জেসমিন আক্তার ঝাঁকুনি সামলাতে পারেননি। রাস্তায় পড়ে গিয়ে তিনি মাথায় প্রচণ্ড আঘাত পান এবং ঘটনাস্থলেই তার নাক-মুখ দিয়ে রক্তক্ষরণ শুরু হয়। স্থানীয়রা তাকে দ্রুত উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কম
জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে চলন্ত মোটরসাইকেল থেকে ছিটকে পড়ে জেসমিন নামে এক গৃহবধূর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাত আনুমানিক পৌনে সাতটার দিকে উপজেলার মহাদান ইউনিয়নের চেরাগ আলী মোড় এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত জেসমিন আক্তার উপজেলার কামরাবাদ ইউনিয়নের শুয়াকৈর গ্রামের এরশাদ আলীর স্ত্রী। জেসমিন আক্তার (৪০) তিন সন্তানের জননী
স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, জেসমিন আক্তার উপজেলার বিলবালিয়া গ্রামে তার বাবার বাড়ি থেকে স্বামীর সঙ্গে মোটরসাইকেলে করে শ্বশুরবাড়ি ফিরছিলেন। মোটরসাইকেলটি যখন চেরাগ আলী মোড়ের পূর্ব পাশে পৌঁছায়, তখন রাস্তার একটি গতিরোধক (বিট) পার হওয়ার সময় সজোরে ঝাঁকুনি লাগে। এতে মোটরসাইকেলের পেছনে বসে থাকা জেসমিন আক্তার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পিচঢালা রাস্তায় ছিটকে পড়েন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মোটরসাইকেলটির গতি কিছুটা বেশি ছিল এবং গতিরোধক (বিটটি) সম্ভবত ড্রাইভার দেখতে পাননি। যার কারণে জেসমিন আক্তার ঝাঁকুনি সামলাতে পারেননি। রাস্তায় পড়ে গিয়ে তিনি মাথায় প্রচণ্ড আঘাত পান এবং ঘটনাস্থলেই তার নাক-মুখ দিয়ে রক্তক্ষরণ শুরু হয়। স্থানীয়রা তাকে দ্রুত উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।
নিহতের ভাগ্নে জুয়েল জানান, মোটরসাইকেলটি তার খালু হানিফ উদ্দিন চালাচ্ছিলেন এবং মাঝখানে তার মামা (নিহতের স্বামী) এরশাদ আলী বসা ছিলেন। জেসমিন আক্তার সবার পেছনে বসা ছিলেন। ধারণা করা হচ্ছে, কাউকে শক্ত করে না ধরার কারণে গতিরোধক পার হওয়ার সময় তিনি ভারসাম্য হারিয়ে পড়ে যান।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. আনিকা বর্ষা জানান, জেসমিন আক্তারকে অত্যন্ত গুরুতর ও রক্তাক্ত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়েছিল। তবে হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই তার মৃত্যু হয়েছে।
সরিষাবাড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ ইকবাল হোসেন বলেন, এ বিষয়ে এখনো কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি, অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এই মর্মান্তিক ঘটনায় নিহতের পরিবার ও এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।