চাঁদপুরে হত্যা মামলায় দুইজনের যাবজ্জীবন

চাঁদপুরের কচুয়ায় বিদেশে পাঠানোর টাকা নিয়ে বিরোধের জেরে কেরামত আলী (৫৮) নামে এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে হত্যার দায়ে দুই আসামিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে তাদের প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে আরও ৬ মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে চাঁদপুরের সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ সামছুন্নাহার এই রায় ঘোষণা করেন। কারাদণ্ড প্রাপ্ত মোশারফ একই গ্রামের মৃত আব্দুল মজিদের ছেলে এবং ইয়াছিন মো. হাছানের ছেলে। অপরদিকে হত্যার শিকার কেরমাত আলী কচুয়া উপজেলার বিতারা ইউনিয়নের লইয়া মেহের পাঁচধারা গ্রামের লেবার বাড়ির বাসিন্দা। মামলার নথি থেকে জানা যায়, ২০১৮ সালের ২৩ আগস্ট সকালে কচুয়া উপজেলার বিতারা ইউনিয়নের পাঁচধারা গ্রামের লেবার বাড়িতে বিদেশে পাঠানোর টাকা পরিশোধকে কেন্দ্র করে কেরামত আলীর ছেলে জসিম উদ্দিনের সঙ্গে আসামিদের সংঘর্ষ হয়। বিবাদী মোশারফ গংরা জসিমের ছোট ভাই আল-আমিনের ওপর আক্রমণ চালালে বাবা কেরামত আলী তাকে বাঁচাতে এগিয়ে আসেন। এ সময় আসামি ইয়াছিনের কাঠের আঘাতে কেরামত আলী গুরুতর আহত হন। ওই দিন সন্ধ্যায় কুমিল্লার চান্দিনার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায়

চাঁদপুরে হত্যা মামলায় দুইজনের যাবজ্জীবন

চাঁদপুরের কচুয়ায় বিদেশে পাঠানোর টাকা নিয়ে বিরোধের জেরে কেরামত আলী (৫৮) নামে এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে হত্যার দায়ে দুই আসামিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে তাদের প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে আরও ৬ মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে চাঁদপুরের সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ সামছুন্নাহার এই রায় ঘোষণা করেন।

কারাদণ্ড প্রাপ্ত মোশারফ একই গ্রামের মৃত আব্দুল মজিদের ছেলে এবং ইয়াছিন মো. হাছানের ছেলে। অপরদিকে হত্যার শিকার কেরমাত আলী কচুয়া উপজেলার বিতারা ইউনিয়নের লইয়া মেহের পাঁচধারা গ্রামের লেবার বাড়ির বাসিন্দা।

মামলার নথি থেকে জানা যায়, ২০১৮ সালের ২৩ আগস্ট সকালে কচুয়া উপজেলার বিতারা ইউনিয়নের পাঁচধারা গ্রামের লেবার বাড়িতে বিদেশে পাঠানোর টাকা পরিশোধকে কেন্দ্র করে কেরামত আলীর ছেলে জসিম উদ্দিনের সঙ্গে আসামিদের সংঘর্ষ হয়। বিবাদী মোশারফ গংরা জসিমের ছোট ভাই আল-আমিনের ওপর আক্রমণ চালালে বাবা কেরামত আলী তাকে বাঁচাতে এগিয়ে আসেন। এ সময় আসামি ইয়াছিনের কাঠের আঘাতে কেরামত আলী গুরুতর আহত হন। ওই দিন সন্ধ্যায় কুমিল্লার চান্দিনার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

এই ঘটনার পরদিন ২৪ আগস্ট নিহত ব্যক্তির ছেলে জসিম উদ্দিন কচুয়া থানায় ৭ জনকে আসামি করে মামলা করেন।

রাষ্ট্র পক্ষের আইনজীবী পাবলিক প্রসিকিউটার (পিপি) কুহিনুর বেগম বলেন, মামলাটি চলমান অবস্থায় আদালত ২০ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন। সাক্ষ্য গ্রহণ, মামলার নথিপত্র পর্যালোচনা ও আসামিদের অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় আসামি ইয়াছিনের উপস্থিতিতে বিচারক এই রায় দেন। অপর আসামি মোশারফ হোসেন পলাতক এবং বাকি ৫ আসামির অপরাধ প্রমাণিত না হওয়ায় বিচারক তাদেরকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেন।

শরীফুল ইসলাম/কেএইচকে/এএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow