চাঁদাবাজির অভিযোগে বিএনপির দুই নেতার পদ স্থগিত
সিরাজগঞ্জ-৫ (বেলকুচি-চৌহালী) সংসদীয় আসনে ভোটারদের হুমকি, হিন্দু সম্প্রদায়ের দোকানে হুমকি, মারধর ও চাঁদাবাজির অভিযোগে দুই নেতার সব দলীয় পদ স্থগিত করা হয়েছে। পাশাপাশি আরও তিন নেতাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দিয়েছে জেলা বিএনপি। সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) ভোর রাতে সিরাজগঞ্জ জেলা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক তানভীর মাহমুদ পলাশ স্বাক্ষরিত পৃথক পাঁচটি চিঠিতে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়। পদ স্থগিতাদেশ পাওয়া নেতারা হলেন- বেলকুচি পৌর শাখাধীন জাতীয়তাবাদী সাইবার দলের সাংগঠনিক সম্পাদক শিহাব মণ্ডল এবং বেলকুচি পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান মন্ডল। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরবর্তী সময়ে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ, সাধারণ ভোটারদের ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে মারধরের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। সাংগঠনিক শৃঙ্খলা রক্ষার্থে তাদের সব দলীয় পদ থেকে সাময়িকভাবে স্থগিত করা হলো। অন্যদিকে হিন্দু সম্প্রদায়ের দোকানে হুমকি, চাঁদাবাজি ও ভাঙচুরের অভিযোগে তিন নেতাকে শোকজ করা হয়েছে। তারা হলেন- জেলা শহরের ৫ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক আহ্ব
সিরাজগঞ্জ-৫ (বেলকুচি-চৌহালী) সংসদীয় আসনে ভোটারদের হুমকি, হিন্দু সম্প্রদায়ের দোকানে হুমকি, মারধর ও চাঁদাবাজির অভিযোগে দুই নেতার সব দলীয় পদ স্থগিত করা হয়েছে। পাশাপাশি আরও তিন নেতাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দিয়েছে জেলা বিএনপি।
সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) ভোর রাতে সিরাজগঞ্জ জেলা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক তানভীর মাহমুদ পলাশ স্বাক্ষরিত পৃথক পাঁচটি চিঠিতে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়।
পদ স্থগিতাদেশ পাওয়া নেতারা হলেন- বেলকুচি পৌর শাখাধীন জাতীয়তাবাদী সাইবার দলের সাংগঠনিক সম্পাদক শিহাব মণ্ডল এবং বেলকুচি পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান মন্ডল।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরবর্তী সময়ে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ, সাধারণ ভোটারদের ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে মারধরের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। সাংগঠনিক শৃঙ্খলা রক্ষার্থে তাদের সব দলীয় পদ থেকে সাময়িকভাবে স্থগিত করা হলো।
অন্যদিকে হিন্দু সম্প্রদায়ের দোকানে হুমকি, চাঁদাবাজি ও ভাঙচুরের অভিযোগে তিন নেতাকে শোকজ করা হয়েছে।
তারা হলেন- জেলা শহরের ৫ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ফিরোজ আহমেদ, জেলা বিএনপির ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক মনা পাল এবং সদর থানা রোডের বিএনপি নেতা আরজু আহমেদ।
শোকজ চিঠিতে বলা হয়, কেন তাদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না- সে বিষয়ে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে লিখিত জবাব দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
জেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য রুমানা মাহমুদ এবং সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান বাচ্চু এ সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেছেন বলে চিঠিতে উল্লেখ রয়েছে।
দলীয় সূত্র জানায়, সংগঠনের ভাবমূর্তি রক্ষায় অভিযোগগুলোর বিষয়ে কঠোর অবস্থান নিয়েছে জেলা বিএনপি।
What's Your Reaction?