চাঁদাবাজি মামলায় উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়কসহ গ্রেফতার ৩

নেত্রকোনার দুর্গাপুরে চাঁদাবাজি মামলায় যুবদল নেতাসহ তিন আসামিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (১৯ মে) রাতে ঢাকার উত্তরা দিয়াবাড়ী এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মো. শহীদুল্লাহ। গ্রেফতারকৃতরা হলেন- দুর্গাপুর উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মেহেদী হাসান ওরফে সাহস (৩০) ও তার সহযোগী রাসেল (৩০), মেহেদী (২৮)। এ মামলার বাকি আসামিরা হলেন- ইমরান ইসলাম ওরফে ইমন (২২), মো. জুয়েল (৩৪), নাইম (৩০), মিলন (৩৮) ও রিসভী (২৭)। পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, গত ৪ মে রাতে দুর্গাপুর পৌর শহরের তেরীবাজার এলাকায় নিয়মিত টহলের সময় পুলিশ খবর পায়, উকিলপাড়া এলাকার ‘ভাই ভাই অ্যান্ড জনতা হোটেল’ এ কয়েকজন ব্যক্তি উচ্ছৃঙ্খল আচরণ করছেন এবং হোটেল বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দিচ্ছেন। পরে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান। এ ঘটনায় হোটেলের মালিক খোকন মিয়াকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তিনি পুলিশকে জানান, অভিযুক্তরা দলবদ্ধ হয়ে বিভিন্ন সময়ে তার হোটেলে এসে প্রায় দুই লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। এছাড়া তাঁরা প্রতিদিন হোটেলে খাবার খেয়ে বিল পরিশোধ করতেন না।

চাঁদাবাজি মামলায় উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়কসহ গ্রেফতার ৩

নেত্রকোনার দুর্গাপুরে চাঁদাবাজি মামলায় যুবদল নেতাসহ তিন আসামিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (১৯ মে) রাতে ঢাকার উত্তরা দিয়াবাড়ী এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মো. শহীদুল্লাহ।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন- দুর্গাপুর উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মেহেদী হাসান ওরফে সাহস (৩০) ও তার সহযোগী রাসেল (৩০), মেহেদী (২৮)।

এ মামলার বাকি আসামিরা হলেন- ইমরান ইসলাম ওরফে ইমন (২২), মো. জুয়েল (৩৪), নাইম (৩০), মিলন (৩৮) ও রিসভী (২৭)।

পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, গত ৪ মে রাতে দুর্গাপুর পৌর শহরের তেরীবাজার এলাকায় নিয়মিত টহলের সময় পুলিশ খবর পায়, উকিলপাড়া এলাকার ‘ভাই ভাই অ্যান্ড জনতা হোটেল’ এ কয়েকজন ব্যক্তি উচ্ছৃঙ্খল আচরণ করছেন এবং হোটেল বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দিচ্ছেন। পরে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান।

এ ঘটনায় হোটেলের মালিক খোকন মিয়াকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তিনি পুলিশকে জানান, অভিযুক্তরা দলবদ্ধ হয়ে বিভিন্ন সময়ে তার হোটেলে এসে প্রায় দুই লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। এছাড়া তাঁরা প্রতিদিন হোটেলে খাবার খেয়ে বিল পরিশোধ করতেন না। বিল চাইলে হোটেল মালিককে খুন ও জখমের ভয়ভীতি দেখিয়ে চলে যেতেন।

এ ঘটনার পর দুর্গাপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) নুর ইসলাম বাদী হয়ে আটজনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও সাত থেকে আটজনকে আসামি করে একটি চাঁদাবাজি মামলা করেন। মামলার পর থেকেই আসামিরা এলাকা ছেড়ে আত্মগোপনে চলে যান।

দুর্গাপুর থানার তদন্তকারী কর্মকর্তা মো. শহীদুল্লাহ বলেন, তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অভিযান চালিয়ে এজাহারভুক্ত তিন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে আজ তাদের আদালতে পাঠানো হলে আদালত জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। বাকি আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

এইচ এম কামাল/কেএইচকে/এএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow