চাঁদাবাজ ধরতে গেটে তালা দিয়ে রেজিস্ট্রার অফিসে এমপির অভিযান
মাদারীপুর সদর সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে দালাল ও চাঁদাবাজদের দৌরাত্ম্য বন্ধ করতে ঝটিকা অভিযান চালিয়েছেন মাদারীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির সদস্য সচিব জাহান্দার আলী মিয়া। সোমবার (৬ এপ্রিল) দুপুর ১২টার দিকে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানের সময় অফিসের প্রধান ফটকে তালা ঝুলিয়ে তল্লাশি চালানো হয়। অভিযানে সংসদ সদস্যের সঙ্গে মাদারীপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ওয়াদিয়া শাবাব, জেলা রেজিস্ট্রার আমির হামজা, প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যসহ স্থানীয় রাজনৈতিক নেতারা উপস্থিত ছিলেন। আকস্মিক এই অভিযানের সময় সংসদ সদস্য জাহান্দার আলী মিয়া সাব-রেজিস্ট্রার অফিসের বিভিন্ন শাখা পরিদর্শন করেন এবং দলিল লেখক ও সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলেন। তিনি ৪৭ জন তালিকাভুক্ত দলিল লেখক এবং তাদের প্রত্যেকের একজন করে সহকারীর পূর্ণাঙ্গ তালিকা ও প্রয়োজনীয় নথিপত্র জমা দেওয়ার নির্দেশ দেন। মূলত সহকারী ও বহিরাগতদের মাধ্যমেই চাঁদাবাজি ও দালালি পরিচালিত হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযান শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে সংসদ সদস্য জাহান্দার আলী মিয়া বলেন, আমাদের প্রিয় নেতা ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দে
মাদারীপুর সদর সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে দালাল ও চাঁদাবাজদের দৌরাত্ম্য বন্ধ করতে ঝটিকা অভিযান চালিয়েছেন মাদারীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির সদস্য সচিব জাহান্দার আলী মিয়া।
সোমবার (৬ এপ্রিল) দুপুর ১২টার দিকে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানের সময় অফিসের প্রধান ফটকে তালা ঝুলিয়ে তল্লাশি চালানো হয়।
অভিযানে সংসদ সদস্যের সঙ্গে মাদারীপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ওয়াদিয়া শাবাব, জেলা রেজিস্ট্রার আমির হামজা, প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যসহ স্থানীয় রাজনৈতিক নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
আকস্মিক এই অভিযানের সময় সংসদ সদস্য জাহান্দার আলী মিয়া সাব-রেজিস্ট্রার অফিসের বিভিন্ন শাখা পরিদর্শন করেন এবং দলিল লেখক ও সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলেন। তিনি ৪৭ জন তালিকাভুক্ত দলিল লেখক এবং তাদের প্রত্যেকের একজন করে সহকারীর পূর্ণাঙ্গ তালিকা ও প্রয়োজনীয় নথিপত্র জমা দেওয়ার নির্দেশ দেন। মূলত সহকারী ও বহিরাগতদের মাধ্যমেই চাঁদাবাজি ও দালালি পরিচালিত হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।
অভিযান শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে সংসদ সদস্য জাহান্দার আলী মিয়া বলেন, আমাদের প্রিয় নেতা ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশকে দুর্নীতিমুক্ত করতে কাজ করছেন। দুর্নীতি, মাদক, চাঁদাবাজি ও ভূমিদস্যুতার বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করা হয়েছে। আমার নির্বাচনী এলাকার মানুষ আমাকে ঘরে বসে থাকার জন্য ভোট দেননি।
তিনি আরও বলেন, বিগত ১৬-১৭ বছর ধরে এই অফিসে একদল মাস্তান চাঁদাবাজি করে আসছিল বলে আমরা তথ্য পেয়েছি। আজকের অভিযানে আমরা চাঁদাবাজির সত্যতা পেয়েছি। প্রতিদিন দুপুর ২টা থেকে ৩টার দিকে এখানে চাঁদা তোলা হয়, যা এখন থেকে আমাদের কঠোর তদারকিতে থাকবে। এখন থেকে দলিল লেখক ও ক্রেতা-বিক্রেতা ছাড়া কোনো বহিরাগত বা দালালের স্থান এই অফিসে হবে না। নিয়ম অমান্য করলে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সংসদ সদস্য ঘোষণা দেন যে, দুর্নীতিমুক্ত সমাজ গড়তে মাদারীপুরের প্রতিটি সরকারি দপ্তর ও প্রতিষ্ঠানে নিয়মিত এ ধরনের ঝটিকা অভিযান অব্যাহত থাকবে।
What's Your Reaction?