চাঁদা না পেয়ে ঠিকাদারকে মারধর, কেটে ফেলতে হয়েছে পা

গাজীপুরে চাঁদা না পেয়ে এক ঠিকাদারকে লোহার রড ও হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে আহত করা হয়েছে। পরে পা কেটে ফেলতে হয়েছে ওই ঠিকাদারের। এ ঘটনার বিচার না পেয়ে দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন ভুক্তভোগী ও তার পরিবারের সদস্যরা। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) গাজীপুর প্রেসক্লাবে এসে তারা সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন। আহত ঠিকাদারের নাম মো. ওয়াসিম (৩৬)। তিনি গাজীপুর মহানগরীর গাছা থানার ৩৬ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা। পরিবারের সদস্যরা জানান, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর গাজীপুর মহানগরের গাছা থানা এলাকায় একটি সংঘবদ্ধ সন্ত্রাসী চক্র সাধারণ মানুষের ওপর ধারাবাহিকভাবে নির্যাতন চালিয়ে আসছে। এ চক্রের নেতৃত্বে রয়েছে মহানগরের ৩৭ নম্বর ওয়ার্ডের কুনিয়া এলাকার সুরুজ আলীর ছেলে এস এম মমিনুর রহমান মমিন। তার নেতৃত্বে গড়ে ওঠা সন্ত্রাসী বাহিনী প্রকাশ্যে চাঁদাবাজি, হামলা, মাদক কারবারি, ছিনতাইসহ নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত। গত ২৩ ফেব্রুয়ারি পরিকল্পিতভাবে মমিন ও তার সহযোগীরা ঠিকাদার ওয়াসিমের কাছে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। চাঁদা না পেয়ে তারা ওয়াসিমের ওপর নৃশংস হামলা চালান। হামলার ফলে তার একটি পা গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পরবর্তীতে চিকিৎসকদের পরামর্শে তার

চাঁদা না পেয়ে ঠিকাদারকে মারধর, কেটে ফেলতে হয়েছে পা

গাজীপুরে চাঁদা না পেয়ে এক ঠিকাদারকে লোহার রড ও হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে আহত করা হয়েছে। পরে পা কেটে ফেলতে হয়েছে ওই ঠিকাদারের। এ ঘটনার বিচার না পেয়ে দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন ভুক্তভোগী ও তার পরিবারের সদস্যরা।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) গাজীপুর প্রেসক্লাবে এসে তারা সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।

আহত ঠিকাদারের নাম মো. ওয়াসিম (৩৬)। তিনি গাজীপুর মহানগরীর গাছা থানার ৩৬ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা।

পরিবারের সদস্যরা জানান, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর গাজীপুর মহানগরের গাছা থানা এলাকায় একটি সংঘবদ্ধ সন্ত্রাসী চক্র সাধারণ মানুষের ওপর ধারাবাহিকভাবে নির্যাতন চালিয়ে আসছে। এ চক্রের নেতৃত্বে রয়েছে মহানগরের ৩৭ নম্বর ওয়ার্ডের কুনিয়া এলাকার সুরুজ আলীর ছেলে এস এম মমিনুর রহমান মমিন। তার নেতৃত্বে গড়ে ওঠা সন্ত্রাসী বাহিনী প্রকাশ্যে চাঁদাবাজি, হামলা, মাদক কারবারি, ছিনতাইসহ নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত।

গত ২৩ ফেব্রুয়ারি পরিকল্পিতভাবে মমিন ও তার সহযোগীরা ঠিকাদার ওয়াসিমের কাছে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। চাঁদা না পেয়ে তারা ওয়াসিমের ওপর নৃশংস হামলা চালান। হামলার ফলে তার একটি পা গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পরবর্তীতে চিকিৎসকদের পরামর্শে তার ওই পা কেটে ফেলতে হয়। বর্তমানে তিনি মানবেতর জীবনযাপন করছেন।

এ ঘটনার পর থানায় মামলা করতে গেলে মামলা নেয়নি পুলিশ। পরে ভুক্তভোগী গাজীপুর আদালতে মামলা করেন।

আহত ওয়াসিমের স্ত্রী মুন্নী আক্তার বলেন, বর্তমানে তাদের পরিবার চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। আসামিরা প্রকাশ্যে প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে। আসামিদের দ্রুত গ্রেফতার দাবি করেন তিনি।

এ বিষয়ে গাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওয়াহিদুজ্জামান বলেন, আমি এ থানায় নতুন যোগ দিয়েছি। বিষয়টি আমি অবগত নই। অভিযোগ নিয়ে এলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে এস এম মমিনুর রহমানের মোবাইলে কল করা হলে তিনি ধরেননি।

আমিনুল ইসলাম/এসআর/জেআইএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow