চাঁদা না পেয়ে ব্যবসায়ীকে ছুরিকাঘাতে হত্যা

রাজশাহীতে চাঁদার টাকা না দেওয়াকে কেন্দ্র করে এক মুদি দোকানদারকে প্রকাশ্যে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়েছে। শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে পুঠিয়া পৌরসভার কাউন্সিল বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত মামুনুর রশিদ জুয়েল (৪৮) কৃষ্ণপুর গ্রামের মৃত আনছারের ছেলে। স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, জুয়েল প্রতিদিনের মতো সকালে দোকান খুলে ভেতরে বসে ছিলেন। এ সময় কাঁঠালবাড়িয়া গ্রামের কামালের ছেলে মাইনুল (২৩) দোকানে প্রবেশ করে তার কাছে চাঁদা দাবি করে। অভিযোগ রয়েছে, নেশার জন্য টাকা না পেয়ে দুজনের মধ্যে প্রথমে কথা কাটাকাটি এবং পরে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। একপর্যায়ে ধস্তাধস্তির মধ্যে মাইনুল তার কাছে থাকা ছুরি দিয়ে জুয়েলের বুকে আঘাত করে। গুরুতর আহত অবস্থায় জুয়েল মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে দ্রুত পুঠিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনার পরপরই স্থানীয় জনতা অভিযুক্ত মাইনুলকে ধাওয়া করে আটক করে। এ সময় উত্তেজিত জনতা তাকে গণধোলাই দিয়ে একটি দোকানের খুঁটির সঙ্গে বেঁধে রাখেন। খবর পেয়ে জনতার কাছ থেকে তাকে উদ্ধার করে পুলিশ। পুঠিয়া থানার ওসি ফরিদুল ইসলাম বলে

চাঁদা না পেয়ে ব্যবসায়ীকে ছুরিকাঘাতে হত্যা

রাজশাহীতে চাঁদার টাকা না দেওয়াকে কেন্দ্র করে এক মুদি দোকানদারকে প্রকাশ্যে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়েছে। শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে পুঠিয়া পৌরসভার কাউন্সিল বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত মামুনুর রশিদ জুয়েল (৪৮) কৃষ্ণপুর গ্রামের মৃত আনছারের ছেলে।

স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, জুয়েল প্রতিদিনের মতো সকালে দোকান খুলে ভেতরে বসে ছিলেন। এ সময় কাঁঠালবাড়িয়া গ্রামের কামালের ছেলে মাইনুল (২৩) দোকানে প্রবেশ করে তার কাছে চাঁদা দাবি করে। অভিযোগ রয়েছে, নেশার জন্য টাকা না পেয়ে দুজনের মধ্যে প্রথমে কথা কাটাকাটি এবং পরে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।

একপর্যায়ে ধস্তাধস্তির মধ্যে মাইনুল তার কাছে থাকা ছুরি দিয়ে জুয়েলের বুকে আঘাত করে। গুরুতর আহত অবস্থায় জুয়েল মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে দ্রুত পুঠিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

ঘটনার পরপরই স্থানীয় জনতা অভিযুক্ত মাইনুলকে ধাওয়া করে আটক করে। এ সময় উত্তেজিত জনতা তাকে গণধোলাই দিয়ে একটি দোকানের খুঁটির সঙ্গে বেঁধে রাখেন। খবর পেয়ে জনতার কাছ থেকে তাকে উদ্ধার করে পুলিশ।

পুঠিয়া থানার ওসি ফরিদুল ইসলাম বলেন, স্থানীয়রা অভিযুক্তকে আটক করে রেখেছিল। পুলিশ তাকে উদ্ধার করে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছে। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow