চাঁদা না পেয়ে ভাঙচুর ও ককটেল বিস্ফোরণ
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় চাঁদা না পেয়ে ভাঙচুর ও কুপিয়ে তিনজনকে আহত করার ঘটনা ঘটেছে। এ সময় পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে পালিয়ে যায় অভিযুক্তরা। শনিবার (২৩ মে) রাত ১টার দিকে ফতুল্লার মাসদাইর গুদারাঘাট হাজীর মাঠ এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেন নারায়ণগঞ্জ জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপারেশন ও অপরাধ) তারেক আল মেহেদী। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এলাকার এক ব্যক্তির কাছে চাঁদা দাবি করে সাব্বির ও তার সহযোগীরা। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তারা ভাঙচুর চালায় এবং ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে মিজান, কুদরত ও জনি নামে তিনজনকে আহত করে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে সন্ত্রাসীরা ককটেল ছুড়ে বিস্ফোরণ ঘটিয়ে এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করে পালিয়ে যায়। পরে ফতুল্লা থানা পুলিশ চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী সাব্বির ও তার বাহিনীর সদস্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান চালায়। অভিযানে সাব্বিরের বাসায় তল্লাশি করে ইয়াবা ও হেরোইন উদ্ধার করা হয়। এ সময় সাব্বিরের স্ত্রী অন্তরা খাতুনকে গ্রেপ্তার করা হয়। নারায়ণগঞ্জ জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপারেশন ও অপরাধ) তারেক আল মেহেদী জানান, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের খবর পেয়ে পুলিশ অভিযান চালায়। অভিযু
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় চাঁদা না পেয়ে ভাঙচুর ও কুপিয়ে তিনজনকে আহত করার ঘটনা ঘটেছে। এ সময় পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে পালিয়ে যায় অভিযুক্তরা।
শনিবার (২৩ মে) রাত ১টার দিকে ফতুল্লার মাসদাইর গুদারাঘাট হাজীর মাঠ এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেন নারায়ণগঞ্জ জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপারেশন ও অপরাধ) তারেক আল মেহেদী।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এলাকার এক ব্যক্তির কাছে চাঁদা দাবি করে সাব্বির ও তার সহযোগীরা। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তারা ভাঙচুর চালায় এবং ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে মিজান, কুদরত ও জনি নামে তিনজনকে আহত করে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে সন্ত্রাসীরা ককটেল ছুড়ে বিস্ফোরণ ঘটিয়ে এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করে পালিয়ে যায়।
পরে ফতুল্লা থানা পুলিশ চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী সাব্বির ও তার বাহিনীর সদস্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান চালায়। অভিযানে সাব্বিরের বাসায় তল্লাশি করে ইয়াবা ও হেরোইন উদ্ধার করা হয়। এ সময় সাব্বিরের স্ত্রী অন্তরা খাতুনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
নারায়ণগঞ্জ জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপারেশন ও অপরাধ) তারেক আল মেহেদী জানান, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের খবর পেয়ে পুলিশ অভিযান চালায়। অভিযুক্ত সাব্বির ও তার সহযোগীরা পালিয়ে গেলেও তার বাসা থেকে ইয়াবা ও হেরোইনসহ স্ত্রী অন্তরা খাতুনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পাশাপাশি জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আরও দুইজনকে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করা হয়।
What's Your Reaction?