চাঁপাইনবাবগঞ্জে শিলাবৃষ্টিতে আমের ব্যাপক ক্ষতি

মৌসুমের শুরুতেই শিলাবৃষ্টির কবলে পড়েছে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা। হঠাৎ এই দুর্যোগে সবচেয়ে বেশি দুশ্চিন্তায় পড়েছেন আমচাষিরা। ঝড়ো হাওয়া ও শিলার আঘাতে আমসহ অন্যান্য ফসলের ক্ষতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে হঠাৎ করেই আবহাওয়ার পরিবর্তন ঘটে। এরপর শুরু হয় শিলাসহ বৃষ্টি, যা এক ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে স্থায়ী হয়। জেলার শিবগঞ্জ উপজেলায় শিলাবৃষ্টির তীব্রতা ছিল বেশি। এ উপজেলাতেই সবচেয়ে বেশি আম বাগান থাকায় কৃষকদের উদ্বেগ আরও বেড়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সকাল থেকে আকাশ পরিষ্কার থাকলেও দুপুরের পর ধীরে ধীরে মেঘ জমতে শুরু করে। বিকেলের দিকে তা ঘন মেঘে পরিণত হয়। কিছু সময় দমকা হাওয়া বইতে থাকে, এরপরই শুরু হয় শিলাবৃষ্টি। বৃষ্টির শুরুর প্রায় ১৫ মিনিট শিলাপাত চলতে থাকে। স্থানীয় বাসিন্দা আমিনুর রহমান সুজন বলেন, দুপুরের পর থেকেই আকাশে কালো মেঘ জমতে শুরু করে। বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে হঠাৎ শিলাবৃষ্টি শুরু হয়। তিনি জানান, তার বাগানের আম এখনো ছোট অবস্থায় রয়েছে। এসময় শিলাবৃষ্টি হলে আমের ব্যাপক ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা থাকে এবং অনেক ফল নষ্ট হয়ে যেতে পারে। শ্যামপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা রফিকুল ইসলাম বলে

চাঁপাইনবাবগঞ্জে শিলাবৃষ্টিতে আমের ব্যাপক ক্ষতি

মৌসুমের শুরুতেই শিলাবৃষ্টির কবলে পড়েছে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা। হঠাৎ এই দুর্যোগে সবচেয়ে বেশি দুশ্চিন্তায় পড়েছেন আমচাষিরা। ঝড়ো হাওয়া ও শিলার আঘাতে আমসহ অন্যান্য ফসলের ক্ষতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে হঠাৎ করেই আবহাওয়ার পরিবর্তন ঘটে। এরপর শুরু হয় শিলাসহ বৃষ্টি, যা এক ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে স্থায়ী হয়। জেলার শিবগঞ্জ উপজেলায় শিলাবৃষ্টির তীব্রতা ছিল বেশি। এ উপজেলাতেই সবচেয়ে বেশি আম বাগান থাকায় কৃষকদের উদ্বেগ আরও বেড়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সকাল থেকে আকাশ পরিষ্কার থাকলেও দুপুরের পর ধীরে ধীরে মেঘ জমতে শুরু করে। বিকেলের দিকে তা ঘন মেঘে পরিণত হয়। কিছু সময় দমকা হাওয়া বইতে থাকে, এরপরই শুরু হয় শিলাবৃষ্টি। বৃষ্টির শুরুর প্রায় ১৫ মিনিট শিলাপাত চলতে থাকে।

স্থানীয় বাসিন্দা আমিনুর রহমান সুজন বলেন, দুপুরের পর থেকেই আকাশে কালো মেঘ জমতে শুরু করে। বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে হঠাৎ শিলাবৃষ্টি শুরু হয়।

চাঁপাইনবাবগঞ্জে শিলাবৃষ্টিতে আমের ব্যাপক ক্ষতি

তিনি জানান, তার বাগানের আম এখনো ছোট অবস্থায় রয়েছে। এসময় শিলাবৃষ্টি হলে আমের ব্যাপক ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা থাকে এবং অনেক ফল নষ্ট হয়ে যেতে পারে।

শ্যামপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা রফিকুল ইসলাম বলেন, কয়েকদিন আগেই মুকুল থেকে আম বের হতে শুরু করেছে। এসময় শিলাবৃষ্টি হলে তা মারাত্মক ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

তিনি জানান, তার বাগানের বেশিরভাগ আম ইতোমধ্যে ঝরে পড়েছে। গাছে থাকা বাকি আমগুলোও পড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

শিবগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নয়ন মিয়া বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, উপজেলার কয়েকটি ইউনিয়নে শিলাবৃষ্টি হয়েছে এবং শিলার আকারও ছিল বেশ বড়। তবে কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তা নির্ধারণে তালিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে।

সোহান মাহমুদ/এমএন/জেআইএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow