চাকরি পরিবর্তনে অনাপত্তিপত্র বাধ্যতামূলক, সুপ্রিম কোর্ট রিপোর্টার্স ফোরামের প্রতিবাদ
অ্যাসোসিয়েশন অব টেলিভিশন চ্যানেল ওনার্সের (অ্যাটকো) জারি করা ‘অনাপত্তিপত্র (এনওসি) বাধ্যতামূলক’ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তির তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট রিপোর্টার্স ফোরাম (এসআরএফ)। সোমবার (১৮ মে) সুপ্রিম কোর্ট রিপোর্টার্স ফোরামের সভাপতি মাসউদুর রহমান রানা ও সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান ডালিম এক বিবৃতিতে নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান। এসআরএফ নেতারা বলেন, সাংবাদিক ও গণমাধ্যমকর্মীদের কর্মস্থল পরিবর্তন, নিজের পছন্দ ও যোগ্যতা অনুযায়ী কর্মস্থল বেছে নেওয়া এবং স্বাধীনভাবে পেশাগত দায়িত্ব পালনের অধিকার সাংবিধানিকভাবে স্বীকৃত। কোনো সংগঠন বা মালিকপক্ষ একতরফাভাবে এনওসি বাধ্যতামূলক করার মতো নির্দেশনা জারি করে সাংবাদিকদের পেশাগত স্বাধীনতা খর্ব করতে পারে না। তারা আরে বলেন, বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬ অনুযায়ী কোনো কর্মীর চাকরি পরিবর্তনের ক্ষেত্রে এমন বাধ্যবাধকতা আরোপের সুযোগ নেই। শ্রম আইনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক বা কর্মীর অধিকার সীমিত করে এমন কোনো শর্ত আরোপ বেআইনি ও অগ্রহণযোগ্য। ফলে অ্যাটকোর এ নির্দেশনা দেশের প্রচলিত শ্রম আইন ও অধিকারের পরিপন্থি। এসআরএফ নেতারা আরও বলেন, এ ধরনের সিদ্ধান্ত গণমাধ্যমে স্বাধী
অ্যাসোসিয়েশন অব টেলিভিশন চ্যানেল ওনার্সের (অ্যাটকো) জারি করা ‘অনাপত্তিপত্র (এনওসি) বাধ্যতামূলক’ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তির তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট রিপোর্টার্স ফোরাম (এসআরএফ)।
সোমবার (১৮ মে) সুপ্রিম কোর্ট রিপোর্টার্স ফোরামের সভাপতি মাসউদুর রহমান রানা ও সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান ডালিম এক বিবৃতিতে নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।
এসআরএফ নেতারা বলেন, সাংবাদিক ও গণমাধ্যমকর্মীদের কর্মস্থল পরিবর্তন, নিজের পছন্দ ও যোগ্যতা অনুযায়ী কর্মস্থল বেছে নেওয়া এবং স্বাধীনভাবে পেশাগত দায়িত্ব পালনের অধিকার সাংবিধানিকভাবে স্বীকৃত। কোনো সংগঠন বা মালিকপক্ষ একতরফাভাবে এনওসি বাধ্যতামূলক করার মতো নির্দেশনা জারি করে সাংবাদিকদের পেশাগত স্বাধীনতা খর্ব করতে পারে না।
তারা আরে বলেন, বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬ অনুযায়ী কোনো কর্মীর চাকরি পরিবর্তনের ক্ষেত্রে এমন বাধ্যবাধকতা আরোপের সুযোগ নেই। শ্রম আইনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক বা কর্মীর অধিকার সীমিত করে এমন কোনো শর্ত আরোপ বেআইনি ও অগ্রহণযোগ্য। ফলে অ্যাটকোর এ নির্দেশনা দেশের প্রচলিত শ্রম আইন ও অধিকারের পরিপন্থি।
এসআরএফ নেতারা আরও বলেন, এ ধরনের সিদ্ধান্ত গণমাধ্যমে স্বাধীন ও পেশাদার কর্মপরিবেশ নষ্ট করবে। একই সঙ্গে সাংবাদিকদের মধ্যে ভয়, অনিশ্চয়তা ও পেশাগত অস্থিরতা তৈরি করবে, যা স্বাধীন সাংবাদিকতা ও মুক্ত গণমাধ্যম চর্চার জন্য হুমকিস্বরূপ।
তারা অবিলম্বে এ নির্দেশনা প্রত্যাহারের আহ্বান জানান এবং সাংবাদিকদের পেশাগত স্বাধীনতাবিরোধী যে কোনো সিদ্ধান্ত থেকে সংশ্লিষ্টদের বিরত থাকার আহ্বান জানান।
What's Your Reaction?