চাচার কোলে শিশুর মরদেহ, মৃত্যুসনদ পেতে দৌড়ঝাঁপ বাবার
ঘড়ির কাঁটায় তখন বেলা আড়াইটা। রাজধানীর মগবাজারের আদ-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের গেটে দাঁড়িয়ে আছে একটা অ্যাম্বুলেন্স। সেটির পেছনের ঝাঁপ খুলে একটি নতুন গামছায় জড়িয়ে নবজাকত শিশুর মরদেহ কোলে বসে আছেন নিহতের চাচা মো. সজল হোসেন। তখনও ওই নবজাতকের বাবা মৃত্যুসনদ সংগ্রহে দৌড়ে ব্যাস্ত। বুধবার (২৭ মে) রাজধানীর মগবাজারে আদ-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পোস্ট ডেলিভারি ওয়ার্ডে একসঙ্গে ছয় শিশু মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। হাসপাতাল কতৃপক্ষ ৬ শিশু মৃত্যুর কথা বললেও নিহতদের স্বজনদের অভিযোগ এই সংখ্যা আরও বেশি। স্বাজনদের ভাষ্য, অনেকেই স্বাভাবিক মৃত্যু ভেবে তাদের নবজাতক শিশুকে নিয়ে চলে গেছে। যার ফলে হাসপাতাল কতৃপক্ষ লাশের সংখ্যা কম বলছে বলে অভিযোগ স্বজনদের। তবে, হাসপাতাল কতৃপক্ষ দাবি করে, ওই ওয়ার্ডে ১১ জন মা ছিলেন। আর নবজাতক শিশু ছিল ৬ জন। হাসপাতালটির সামনে নবজাতকের মরদেহ নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা অ্যাম্বুলেন্সে কথা হয় মো. সজল হোসেনের সঙ্গে। তিনি জাগো নিউজকে বলেন, ‘আমরা ভাবছি স্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে। এটা জেনে হাসপাতালে এসেছিলাম। লাশ নিয়ে যাওয়ার জন্য। আসার পরে শুনি ওই ওয়ার্ডের যতজন রোগী শিশু ছিল সব শিশুই মারা গেছে।’ তিনি বলেন,
ঘড়ির কাঁটায় তখন বেলা আড়াইটা। রাজধানীর মগবাজারের আদ-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের গেটে দাঁড়িয়ে আছে একটা অ্যাম্বুলেন্স। সেটির পেছনের ঝাঁপ খুলে একটি নতুন গামছায় জড়িয়ে নবজাকত শিশুর মরদেহ কোলে বসে আছেন নিহতের চাচা মো. সজল হোসেন। তখনও ওই নবজাতকের বাবা মৃত্যুসনদ সংগ্রহে দৌড়ে ব্যাস্ত।
বুধবার (২৭ মে) রাজধানীর মগবাজারে আদ-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পোস্ট ডেলিভারি ওয়ার্ডে একসঙ্গে ছয় শিশু মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। হাসপাতাল কতৃপক্ষ ৬ শিশু মৃত্যুর কথা বললেও নিহতদের স্বজনদের অভিযোগ এই সংখ্যা আরও বেশি।
স্বাজনদের ভাষ্য, অনেকেই স্বাভাবিক মৃত্যু ভেবে তাদের নবজাতক শিশুকে নিয়ে চলে গেছে। যার ফলে হাসপাতাল কতৃপক্ষ লাশের সংখ্যা কম বলছে বলে অভিযোগ স্বজনদের।
তবে, হাসপাতাল কতৃপক্ষ দাবি করে, ওই ওয়ার্ডে ১১ জন মা ছিলেন। আর নবজাতক শিশু ছিল ৬ জন।
হাসপাতালটির সামনে নবজাতকের মরদেহ নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা অ্যাম্বুলেন্সে কথা হয় মো. সজল হোসেনের সঙ্গে। তিনি জাগো নিউজকে বলেন, ‘আমরা ভাবছি স্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে। এটা জেনে হাসপাতালে এসেছিলাম। লাশ নিয়ে যাওয়ার জন্য। আসার পরে শুনি ওই ওয়ার্ডের যতজন রোগী শিশু ছিল সব শিশুই মারা গেছে।’
তিনি বলেন, ‘আমরা যখন হাসপাতালে প্রবেশ করি তখন ছোট একটা কার্টনের মধ্যে একটা বাচ্চা নিয়ে এক রোগী চলে যাচ্ছিল। আমরা জিঞ্জেস করলাম যে এটার মধ্যে কী? বললো যে ৮ মাসের একটা বাচ্চা। এইরকম অনেকেই সকাল থেকে চলে গেছে যারা বুঝতে পারেনি ঘটনা এমনটা ঘটছে। আমরা আসার পর শুনেছি এখানে আরও ১০-১১ জন বাচ্চা শিশু মারা গেছে। তখন আমরা নিজেরাও ওই রুমের মধ্যে ঢুকেছি এটা জানতে যে ঘটনা কী? ঢোকার পর দেখি আমার নিজেরই দম বন্ধ হয়ে আসছে ওই রুমের মধ্যে। ওই সময় এসি চলছিলে, ফ্যানগুলোও ছাড়া ছিল। এই বাচ্চাগুলো রাতে ছিল। রাতে সেখানকার এসি বন্ধ করে দিয়েছে। এসি বন্ধ করে দেওয়ার কারণে এই ঘটনা ঘটছে।’
আরও পড়ুন
- কক্ষে শ্বাসরুদ্ধকর পরিবেশের মতো পরিস্থিতি পাওয়া গেছে: স্বাস্থ্যের ডিজি
বিষাক্ত গ্যাস ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা, হাসপাতালে বোম ডিসপোজাল ইউনিট
হাসপাতালটির মহাপরিচালক (হসপিটালস অ্যান্ড নার্সিং) অধ্যাপক ডা. নাহিদা ইয়াসমিন ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের বলেন, ‘হাসপাতালের যে ওয়ার্ডে এই ঘটনাটা ঘটেছে সেই ওয়ার্ডে ১১ জন মা ছিলেন। আর নবজাতক শিশু ছিল ৬ জন। ওটা আমাদের পোস্ট ডেলিভারি ওয়ার্ড। এখানে ডেলিভারির পর সবসময় মা-বাচ্চা ও সঙ্গে আরেকজন থাকে।’
তিনি বলেন, ‘(মারা যাওয়া) ওই বাচ্চারাও মায়ের পাশেই ছিল। যেহেতু এটি এসি ওয়ার্ড, রাতে হাঠাৎ করে মায়েরা কর্তব্যরত নার্সদের ডেকে বলেছিল ঠান্ডা লাগছে, এসি বন্ধ করার জন্য। এরপর রাত ৩টার দিকে দুটি বাচ্চা হঠাৎ অসুস্থ হলে তাদের এনআইসিইউতে (নিওনেটাল ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিট) নেওয়া হয়েছিল। চিকিৎসকরা দেখছিলেন বাচ্চারা ভালো আছে। তখন তাদের আবার ওয়ার্ডে নিতে বলেছিলেন।’
সকালে প্রথম মায়েদের চোখে পড়ে
ডা. নাহিদা ইয়াসমিন আরও বলেন, ‘সকাল ৬টার দিকে হঠাৎ করে বাচ্চার মায়েরা কর্তব্যরত নার্সদের বলছিলেন- বাচ্চাকে অসুস্থ মনে হচ্ছে। তখন ছয়জন বাচ্চাকেই এনআইসিইউতে নেওয়া হয়েছিল। তাদের মধ্যে সেখানে নেওয়ার সময় দুজন বাচ্চা মারা যায়। অন্য চারজন বাচ্চার অবস্থা খুবই গুরুতর ছিল। তাদের ভেনটিলেটর সাপোর্ট দেওয়া হয়েছিল। এরপর তাদের বাঁচানোর চেষ্টা করা হয়েছিল। কিন্তু বাঁচানো যায়নি।’
এ সময় সাংবাদিকরা ডা. নাহিদার কাছে জানতে চান- একসঙ্গে ছয় নবজাতকের মৃত্যুর পেছনে কী কারণ থাকতে পারে বলে মনে করছেন? তবে তিনি এ প্রশ্নের কোনো উত্তর দেননি।
এদিকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, যে ওয়ার্ডে/ কক্ষে শিশুদের মৃত্যু হয়েছে সেই কক্ষে শ্বাসরুদ্ধকর পরিবেশের মতো পরিস্থিতি পাওয়া গেছে। সেবায় কোনো গাফিলতি, দায়িত্বে অবহেলা কিংবা অবকাঠামোগত বা কারিগরি ত্রুটি পাওয়া গেলে স্তরভেদে যথাযথ কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানানো হয়।
তবে, স্বজনদের অভিযোগের নিহতের সংখ্যায় হাসপাতাল কতৃপক্ষের সঙ্গে একাত্বতা জানিয়েছেন অধিদপ্তরটির মহাপরিচালক।
ত্রুটি খতিয়ে দেখবে কমিটি, প্রতিবেদন ৭২ ঘণ্টার মধ্যে
দুর্ঘটনার পর হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ড পরিদর্শন শেষে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস বলেন, ‘রাজধানীর মগবাজারে আদ-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা যাওয়া ছয় নবজাতক যে কক্ষে চিকিৎসাধীন ছিল সেখানে শ্বাসরুদ্ধকর পরিবেশের মতো পরিস্থিতি পাওয়া গেছে।’
তিনি বলেন, ‘শিশু মৃত্যুর ঘটনায় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর নির্দেশে এরই মধ্যে একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম-সচিব, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাসপাতাল উইংয়ের উপ-পরিচালক পর্যায়ের একজন কর্মকর্তা এবং অধিদপ্তরের আরেকজন কর্মকর্তাকে রাখা হয়েছে।’
ডিজি বলেন, ‘হাসপাতালে ব্যবস্থাপনার কোনো ত্রুটি ছিল কি না তা এই কমিটি খতিয়ে দেখবে। পাশাপাশি শিশুদের চিকিৎসায় কোনো ঘাটতি ছিল কি না এবং যে কক্ষে তারা ছিল, সেই পরিবেশে কোনো সমস্যা ছিল কি না তা খতিয়ে দেখবে। বিশেষ করে এসি-সংক্রান্ত বা অন্য কোনো কারিগরি ত্রুটি থাকলে সেগুলোও নির্ণয় করা হবে। প্রয়োজনে কারিগরি বিশেষজ্ঞও কমিটিতে যুক্ত করা হবে। যদি কোনো প্রযুক্তিগত বিষয়ে বিশেষজ্ঞ মতামতের প্রয়োজন হয়, তাহলে তাদেরও যুক্ত করা হবে।’
আরও পড়ুন
- আদ-দ্বীন হাসপাতালে ৬ নবজাতক মৃত্যুর ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন
৬ নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন
প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস বলেন, ‘আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে তদন্ত কমিটি প্রতিবেদন দেবে। প্রতিবেদনের ভিত্তিতে সরকার কঠোর ব্যবস্থা নেবে। সেবায় কোনো গাফিলতি, দায়িত্বে অবহেলা কিংবা অবকাঠামোগত বা কারিগরি ত্রুটি পাওয়া গেলে স্তরভেদে যথাযথ কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
পরিদর্শনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বলেন, ‘আমরা জানতে পেরেছি, এখানে ১১ জন মা ছিলেন। তাদের মধ্যে ছয়জন তাদের নবজাতক সন্তান নিয়ে ছিলেন, যাদের বয়স একদিন থেকে তিনদিনের মধ্যে। বাকি পাঁচ নবজাতক এনআইসিইউতে চিকিৎসাধীন ছিল। ভবনের দ্বিতীয় তলায় ডেলিভারি ওয়ার্ড এবং পঞ্চম তলায় এনআইসিইউতে তারা ছিল। জন্মগত জটিলতার কারণে তারা সেখানে চিকিৎসা নিচ্ছিল।’
এসি বন্ধ হলে ছিল না ভেন্টিলেশনের ব্যবস্থা
কক্ষটির পরিবেশ সম্পর্কে প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস বলেন, ‘আজকে ভোরবেলায় এই কক্ষে এসি-সংক্রান্ত জটিলতা অথবা অন্য যে কোনো কারণে এখানে একটি শ্বাসরুদ্ধকর পরিবেশের মতো পরিস্থিতি পাওয়া গেছে। আমরা দেখেছি, এসিটি এমনভাবে ছিল যে এটি বন্ধ হয়ে গেলে সেখানে আর কোনো ভেন্টিলেশনের ব্যবস্থা ছিল না। এমন পরিস্থিতিতে এখানে চিকিৎসাধীন ছয়টি শিশুকে আমরা হারিয়েছি।’
এদিকে এই ঘটনার পর হাসপাতালটির কক্ষ থেকে আলামত সংগ্রহে কাজ শুরু করে সিআইডি। এছাড়াও বিষাক্ত গ্যাস ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কায় হাসপাতালে উপস্থিত হয় ডিএমপির বোম ডিসপোজাল ইউনিট।
সে সময় নাম প্রকাশ না করার শর্তে ইউনিটের এক সদস্য বলেন, ‘আমাদের সিনিয়র স্যাররা এখানে ডেকেছেন। আমরা উন্নত প্রযুক্তির কিছু ডিভাইস নিয়ে এসেছি। যে কক্ষে নবজাতকরা মারা গেছে সেই কক্ষে এসব ডিভাইস দিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করবো। এখানে কোনো বিষাক্ত গ্যাস ছড়িয়েছে কি না, আর ছড়িয়ে থাকলে কোন গ্যাস এবং কী পরিমাণে ছড়িয়েছে, এ বিষয়ে বিস্তারিত তদন্ত শেষে বলা যাবে।’
মামলা প্রক্রিয়াধীন
এই ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন বলে জানিয়েছেন ডিএমপির রমনা বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) শেখ জাহিদুল ইসলাম।
শেখ জাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘আদ-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিহত ছয় নবজাতককে তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। পরিবার এই ছোট শিশুদেরকে মনায়তদন্ত করাতে চায়নি। তাদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে।’
ময়নাতদন্ত ছাড়া লাশ হস্তান্তরের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এখন ছোট ছোট শিশু, পারিবারিক ইমোশন এখানে জড়িত। যেহেতু পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত দেওয়া হয়েছে তাই মরদেহগুলো পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। মামলার তদন্তের জন্য ময়নাতদন্তটা হলে ভালো ছিল। কিন্তু পরিবারের লিখিত আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তা করা হয়নি।’
তিনি বলেন, ‘তবে সিআইডির ক্রাইমসিন টিম ও ডিএমপির বোম ডিসপোজাল ইউনিট এখান থেকে নমুনা সংগ্রহ করেছে। এসব নমুনা ফরেন্সিক করার পর আমরা মৃত্যুর আসল কারণ আশা করি জেনে যাবো।’
জিজ্ঞাসাবাদের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘ডিএমপির রমনা মডেল থানায় একজন অভিভাবক বাদী হয়ে একটি মামলা করছেন। মামলাটি প্রক্রিয়াধীন। আমরা এখন পর্যন্ত ইনফরমালি বেশ কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছি। তবে এখনো কাউকে আটক রাখা হয়নি। মামলাটা দায়ের সম্পূর্ণ হোক এরপর আমরা ফরমাল আইনি প্রক্রিয়ার দিকে অগ্রসর হবো।’
এ ঘটনায় আগামী তিন দিনের মধ্যে শিশুদের মুত্যুর কারণ অনুসন্ধানে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করেছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়।
বুধবার (২৭ মে) স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের বেসরকারি স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা-১ শাখার উপ-সচিব ডা. মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সই করা এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।
অফিস আদেশে বলা হয়, ‘আদ-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ছয়জন নবজাতকের আকস্মিক মৃত্যুর ঘটনায় একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হলো। কমিটির সভাপতি করা হয়েছে স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের বেসরকারি স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা শাখার একজন যুগ্ম সচিবকে। এছাড়া সদস্য হিসেবে রয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক (আইন শাখা) এবং সদস্য সচিব স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক (হাসপাতাল-১)।’
কমিটির কার্যপরিধিতে বলা হয়, ‘কমিটি আগামী তিনদিনের মধ্যে শিশুদের মুত্যুর কারণ অনুসন্ধান এবং প্রতিকারের জন্য করণীয় নির্ধারণ করে প্রতিবেদন দেবে।’
কমিটি প্রয়োজনে যে কোনো সদস্য কোঅপ্ট করতে পারবে বলেও জানানো হয়।
কেআর/এএমএ
What's Your Reaction?