চাপের মুখে এটাই আমার সেরা পারফর্ম্যান্স: মোসাদ্দেক

প্রায় বছর পর প্রত্যাবর্তন, যখন ব্যাটিংয়ে নামলেন ভালো শুরু পর ৩৪ রানের মধ্যে ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে দল। তবে মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত যেন বোঝালেন তার ডিকশনারীতে ‘চাপ’ বলে কিছু নেই। দলে ফেরা, দ্রুত উইকেট হারানো সব চাপ পাশে রেখে শুরু থেকে দাপুটে ব্যাটিং করে খেললেন ৮৬ রানের ম্যাচসেরা ইনিংস। এরপর বল হাতেও নিয়েছেন ২ উইকেট। ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে জানালেন, চাপের মুখে খেলা এটাই তার সেরা ইনিংস। ১৪০ রানে চতুর্থ উইকেট পড়ার পর ব্যাটিংয়ে নামেন মোসাদ্দেক। এরপর ৭০ বলে ৮৬ রানে অপরাজিত থেকে মাঠ ছাড়েন তিনি। এতে বাংলাদেশের পুঁজি হয় ২৮৬ রানের। এত চাপের মুখে এমন পারফর্ম্যান্স নিয়ে মোসাদ্দেক বলেন, ‘এমন চাপের মুহূর্তে এটা আমার সেরা ম্যাচ। সকাল থেকে উইকেটটা…, আমরা ড্রেসিংরুমেও আলোচনা করছিলাম- এটা ৩০০ থেকে ৩২০ রানের উইকেট ছিল। খুবই ভালো ব্যাটিং উইকেট। কিন্তু আমাদের দুইটি উইকেট দ্রুত পড়ে যাওয়ার পর পরিস্থিতি কিছুটা কঠিন হয়ে যায়। বিশেষ করে ওই সময়ে যদি লিটন আউট না হতো, তাহলে হয়তো আমরা ৩০০-৩২০ রান পর্যন্ত যেতে পারতাম।’ ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে আবাহনীর হয়ে অনেকবার এমন পরিস্থিতিতে ব্যাট করতে নেমেছেন মোসাদ্দেক। আজও প্রায় একই পরি

চাপের মুখে এটাই আমার সেরা পারফর্ম্যান্স: মোসাদ্দেক

প্রায় বছর পর প্রত্যাবর্তন, যখন ব্যাটিংয়ে নামলেন ভালো শুরু পর ৩৪ রানের মধ্যে ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে দল। তবে মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত যেন বোঝালেন তার ডিকশনারীতে ‘চাপ’ বলে কিছু নেই। দলে ফেরা, দ্রুত উইকেট হারানো সব চাপ পাশে রেখে শুরু থেকে দাপুটে ব্যাটিং করে খেললেন ৮৬ রানের ম্যাচসেরা ইনিংস। এরপর বল হাতেও নিয়েছেন ২ উইকেট। ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে জানালেন, চাপের মুখে খেলা এটাই তার সেরা ইনিংস।

১৪০ রানে চতুর্থ উইকেট পড়ার পর ব্যাটিংয়ে নামেন মোসাদ্দেক। এরপর ৭০ বলে ৮৬ রানে অপরাজিত থেকে মাঠ ছাড়েন তিনি। এতে বাংলাদেশের পুঁজি হয় ২৮৬ রানের।

এত চাপের মুখে এমন পারফর্ম্যান্স নিয়ে মোসাদ্দেক বলেন, ‘এমন চাপের মুহূর্তে এটা আমার সেরা ম্যাচ। সকাল থেকে উইকেটটা…, আমরা ড্রেসিংরুমেও আলোচনা করছিলাম- এটা ৩০০ থেকে ৩২০ রানের উইকেট ছিল। খুবই ভালো ব্যাটিং উইকেট। কিন্তু আমাদের দুইটি উইকেট দ্রুত পড়ে যাওয়ার পর পরিস্থিতি কিছুটা কঠিন হয়ে যায়। বিশেষ করে ওই সময়ে যদি লিটন আউট না হতো, তাহলে হয়তো আমরা ৩০০-৩২০ রান পর্যন্ত যেতে পারতাম।’

ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে আবাহনীর হয়ে অনেকবার এমন পরিস্থিতিতে ব্যাট করতে নেমেছেন মোসাদ্দেক। আজও প্রায় একই পরিস্থিতিতে নামলেন। এই জায়গায় ব্যাটিং করা সহজ লাগে কিনা প্রশ্নে মোসাদ্দেকের উত্তর, ‘প্রথমেই আমি টিম ম্যানেজমেন্টের প্রতি কৃতজ্ঞ। তারা যেভাবে আমাকে সমর্থন দিয়েছে, খেলার আগে যেভাবে স্বাধীনতা দিয়েছে, সেটা আমার জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ ছিল। আমাকে শুধু বলা হয়েছিল খেলাটা উপভোগ করতে। তাই মাঠে নামার পর আমার মাথায় এটা ছিল না যে আমি অনেকদিন পর ফিরেছি বা অন্য কিছু। ম্যাচের পরিস্থিতি যা দাবি করছিল, আমার কাছে মনে হয়েছে সেভাবেই খেলে যাওয়া উচিত। আমি শুধু নিজের দায়িত্বটা পালন করার চেষ্টা করেছি।’

গত চার বছর ধরে ঘরোয়া লিগে টানা পারফর্ম করে গেলেও জাতীয় দলের দরজা খোলেনি। ওই সময়ে হতাশা কেমন ছিল প্রশ্নে মোসাদ্দেক বলেন, ‘অবশ্যই হতাশা ছিল। সময়টা আমার জন্য মোটেও সহজ ছিল না। আমার সংগ্রামের সময়টা হয়তো অনেকেই দেখেছেন, আবার অনেকে দেখেননি। তবে আমি সবসময় ধৈর্য ধরার চেষ্টা করেছি এবং নিজের কাজ করে গেছি। আমার মাথায় সবসময় একটা বিষয় ছিল- যখনই সুযোগ আসবে, সেটাকে যেন আমি ভালোভাবে কাজে লাগাতে পারি। আলহামদুলিল্লাহ, আমি যতটুকু আশা করেছিলাম, আল্লাহ তায়ালা তার চেয়েও অনেক বেশি দিয়েছেন’

এসকেডি/আইএইচএস/

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow